বেশিরভাগ মানুষ তার প্রফেশন নিয়ে সন্তুষ্ট না। ইঞ্জিনিয়ার ভাবে আমি ব্যাংকার হলে ভালো করতাম, নটা পাঁচটা অফিস, ভালো স্যালারি। ব্যাংকার ভাবে এভাবে গাধার মত না খেটে নিজের বুদ্ধিতে ব্যাবসা করলে কত ভালো হত।
আমার এক ডাক্তার বন্ধু ডাক্তারি বাদ দিয়ে চা কফির দোকান দেয়ার চিন্তা করলো। ভ্রাম্যমাণ দোকান। তবে সেখানে চায়ের বদলে কোক পাওয়া যাবে। ছোট ছোট চায়ের কাপে কোক। সাথে সিগারেট থাকবে। কেউ চাইলে কেকও খেতে পারবে। কাপ কেক (এখন সবাই ঘরে ঘরে কেক বানায়, অর্ডার দিলেই হাজার হাজার কেক ব্যাবস্থা করা যাবে)। দোকানের নাম হবে 'সিগাকোক'।
ডাক্তারি জীবনের সমস্যা হচ্ছে এদের আজীবন পড়াশোনা নিয়ে থাকতে হয়। জীবনের রসকশ এরা হারিয়ে ফেলে। ইন্টার পাশ করার পর আমার সেই বন্ধু বাসায় বললো 'আমি ফ্যাশন ডিজাইনিং এ পড়ব। তার আব্বা ঠাণ্ডা গলায় বললো 'বেশি টিভি দেখার কারণে তোমার এমন চিন্তা আসতেসে। আমি খেয়াল করছি তুমি রাত জেগে টিভি দেখো। কালকে থেকে ঘরে কোন টিভি চলবে না, যাও, একন আমার সামনে থেকে দূর হও!'
ব্যাবসা প্রসংগে ফিরে যাই। ইউরোপিয়ানরা অতি শীতের মধ্যেও আইস্ক্রিম খায়। আমরা গরমের দেশের মানুষ অতি গরমেও চা ছাড়া চলতে পারি না। ঠান্ডা দিয়ে ঠান্ডা কাটে, আর গরম দিয়ে গরম। তাই কোক সেগারেটের ব্যাবসা এ দেশে চলবে না। গরম চা ই লাগবে। বরং চায়ের দোকানে কিছু কমন ঔষধ রাখা যেতে পারে- গ্যাস্ট্রিক এর ঔষধ, নাপা ট্যাবলেট, কাশির সিরাপ। বাংলাদেশ চায়ের দোকানের দেশ, বাংলাদেশ ফার্মেসীর দেশ!
সিগাকোক আইডিয়া সফলতার মুখ দেখেনি। এখন আমার বন্ধু নতুন ব্যাবসার কথা চিন্তা করতেসে, অনলাইনে দই মিষ্টির ব্যাবসা। তার সাইটে ক্লিক করলেই নামকরা সব মিষ্টি

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


