আবারো নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কড়া সমালোচনা করলেন অর্থমন্ত্রী।
এবার দেশের প্রথম নোবেল বিজয়ীকে সন্ত্রাসী আখ্যা দিলেন তিনি।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস যে পুরোপুরি স্বচ্ছ বা নিরপেক্ষ ব্যক্তি সেটা আমিও মনে করি না। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিশ্বে উনার পরিচিতি দেশকেও ছাড়িয়ে গেছে। বিশ্বের অনেক ব্যক্তি এখন বাংলাদেশকে চিনে ইউনূসের কারণেই। যখন দেখি ড. ইউনূস, বিল গেটস, ওয়ারেন বাফেটদের সাথে একই অনুষ্ঠানে সম্মানিত হোন তখন বাংলাদেশী হিসেবে আমারও বুকটা কিছুটা চওড়া হয়। এরকম একজন সম্মানিত ব্যক্তিকে দেশে বারবার অসম্মান করা হয় শুধুমাত্র রাজনৈতিক কারণে। দেশের একজন বিশিষ্ট নাগরিক হিসাবে দেশের প্রত্যেক সংকটকালীন বিষয়ে নিজের মতামত প্রকাশের অধিকার উনার আছে। যেখানে উনার কাছ থেকে সরকারকে পরামর্শ নেয়া উচিত ছিল, সেখানে উল্টো উনাকে অসম্মান করা হয়। এটা দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করে বাইরের মানুষের কাছে।
আমাদের দেশের কোন মানুষকে যদি বিশ্ব সমীহ করে থাকে তবে সে ড. মুহাম্মদ ইউনূস। উনার যে অবস্থান বিশ্ব দরবারে তা দেশের প্রধানমন্ত্রী কিংবা রাষ্ট্রপতিরও নেই। তাই উনাকে নিয়ে আমাদের গর্ববোধ করা উচিত।
ড. ইউনূস কে অসম্মান করা মানে দেশকে বিশ্বদরবারে খাটো করা। উনার নিজস্ব রাজনৈতিক মতাদর্শ থাকতেই পারে তাই বলে এভাবে প্রতিটা পদে পদে তাকে এভাবে হেনস্তা করা মোটেই উচিত নয়। একজন সম্মানিত মানুষের সমালোচনা করতে হলেও সমালোচনার ভাষাটা নমনীয় হওয়া উচিত।
যাকে শান্তির দূত হিসেবে বিবেচনা করে নোবেল কমিটি সবচেয়ে সম্মানীয় নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করে, তাঁকে সরাসরি সন্ত্রাসী বলা মোটেই ভাল কিছু নয়।
আদর্শের সাথে না মিললে এদেশে কোন গুনীজনের সমাদর করা হয় না। যেদেশে জাতির পিতাকে নিয়েও হাসি ঠাট্টা করা হয়, সেখানে ড. ইউনূসকে নিয়ে এমন মন্তব্য অবাক না করলেও পীড়াঁ দেয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




