এদেশের মানুষের মনে একটা দলের চরিত্র মোটামোটি ভালভাবে গেথে গেছে । এই দলের ছাত্ররা মানেই এদের হাতে থাকবে রামদা চাপাতি সহ মধ্যযোগীয় এবং আধুনিক বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র এবং এরা যদি কাউকে ভাগে পায় তাহলে তিকে হিংস্র জানোয়ারের চেয়েও আরো হিংস্রভাবে মারবে । আর এদের ব্যাকিং দেবে যেসব বুদ্ধীজীবী এবং সুশীলরা তারা হবে আরো নির্দয় নৃশংস এবং গোয়েবলসের চেয়ে ও নিকৃষ্ট মিথ্যাবাদি । তবে এসব বুদ্ধীজীবি সাংবাদিক এবং সুশীলদের নৃশংসতা এরা অস্ত্র বা মাররের মাধ্যপ্রকাশ করে না এটা প্রকাশ পায় এদের আলোচনা এবং লেখনির মাধ্যমে । এই নিকৃষ্ট মানুষ নামধারী কীটদের ব্যাকিং যারা দেয় তারা যখন ভিন্ন মতের কারো হাতে একটা ইট ও দেখে তখন এমন ভাবে মত প্রকাশ করে যেন এধরনের মারাত্বক অস্ত্র এই দুনিয়ায়ই নেই । ভিন্ন মতাবলাম্বীরা মার খেতে খেতে যখন প্রতিরোধ করে তখন এদের মাথা নষ্ট হয়ে যায় । ছাত্রলীগ নামধারী এই মধ্যযোগীয় বরবরের হাতে আজ প্রাণ হারালো এক সংখ্যালগু যুবক । তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেনি বা প্রতিবাদ করেনি তারই সগোত্রীয় এবং চরম সাম্প্রদায়িক এবং রেলের টাকা চোর চুরঞ্জিত বাবু । এদের সাপোর্টার মীরজাফর নামের এক মহা পণ্ডিত কিন্তু এের একজন গুণমুগ্ধ ভক্ত । হাবভাবে মনে হয় এরা যাই করবে তাই ঠিক ।
এখন আমার প্রশ্ন এই বর্বর হায়েনারা কাদের উত্তরসূরী ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


