পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। মিরসরাইয়ে আগে গাড়ি ভাংচুড়, গাড়িতে আগুন লাগানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন তা গিয়ে ঠেকেছে হত্যাকান্ডে। গত ১২ জানুয়ারি রাতে মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ থানাধীন বিএসআরএম গেইটের একটু উত্তরে ট্রাকে বোমা নিক্ষেপ করায় এনাম হোসেন নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। অবরোধের কারনে বাস না থাকায় প্রায় ৮ জন ওই ট্রাকে যাত্রী হয়েছিলেন। রাত প্রায় পৌনে ৯টায় ওই ঘটনা ঘটে। এসময় আরো দুজন আগুনে ঝলসে মারাত্নক আহত হয়। এখন কথা হচ্ছে এভাবে আর কত দিন চলবে?
ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথ ও মহাসড়কের প্রায় ৩৭ কি. মি. মিরসরাই অংশে পড়েছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে বাংলাদেশের লাইফ লাইন বলা হয়। এই মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে মোতায়েন করা হয়েছে বিজিবি, পুলিশ। মাঝে মাঝে র্যাবও টহল দেয়। তারপরও কি যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে? অনেক চালকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, পেটের দায়ে আতংক নিয়ে তারা গাড়ি (বিশেষ করে ট্রাক) চালাচ্ছেন। তাই প্রশ্ন এভাবে আর কত দিন চলবে?
বিএনপি ও ২০ দলীয় জোটের ডাকা অবরোধ, হরতালের সময় এই হামলা, নাশকতা চালানো হচ্ছে, হরতাল অবরোধের সমর্থনে। কাজেই অভিযোগের আঙ্গুল তাদের দিকেই হবে। তাই তাদের প্রথম সারির নেতাদের আসামী করে মিরসরাইয়ে (সারা দেশেও তাই) মামলা হচ্ছে একের পর এক। স্থানীয়দের মতে এমন ব্যক্তিকে মামলার আসামী করা হচ্ছে, যিনি বা যাঁরা ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত নন। যার ফলে মামলাটি প্রশ্ন বিদ্ধ হচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে শুধু রাজনৈতিক কারনে অনেককে আসামী করা হচ্ছে। এখন ভাববার সময় এসেছে, এতে লাভবান হচ্ছেন কারা? তাই প্রশ্ন হচ্ছে শুধু রাজনৈতিক কারনে আর কত দিন ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত নয় এমন মানুষকে আসামী করা হবে? এভাবে আর কতদিন চলবে?
আমরা সাধারণ মানুষ শান্তি চাই, নিরাপদে পথ চলতে চাই। আমরা আমাদের সন্তানদের শিক্ষাঙ্গনে পাঠিয়ে নিশ্চিন্তে থাকতে চাই। প্রাত্যহিক জীবনের সব কিছু স্বাভাবিক নিয়মেই করতে চাই। কিন্তু কি ভাবে তা সম্ভব?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


