বাংলাদেশে যখন ৩জি সেবা প্রথম চালু হল তখন অনেকটা আশা নিয়া একটা ৩জি সাপোর্টের ফোন সেট কিনি। আশা ছিল বিদেশে যারা থাকে তাদের সাথে কথা বলব ফোন দিয়া। ফোন কিনার পর আমার একটা পুরান টেলিটকের সিম রিপ্লেস করতে যাই উত্তারা কেয়ার এ। কিন্তু গিয়া যখন ফোন নাম্বার টা দেই তখন দেখি আমার ছবির সাথে বা আমার ঠিকানার সাথে কোন মিল নাই। কিন্তু শুদুমাত্র আমার সাইন টা মিলে। অতএব তারা আমাকে থানা তে জিডি করতে বলে। আমি অত জামেলা তে না গিয়া নতুন একটা সিম কিনে নেই। যেখানে আমার ১০০ টাকা বেশি লাগে। যাই হউক, তারপর ২৫০ টাকা লোড করতে চাইলে তারা বলে ২৫০ টাকা লোড করা যাবে না। ৩০০ টাকা করতে হবে। তখন আমি ৩ জি করার নিয়ম টা তাদের কাছ থেকে জেনে নিয়ে বাইর থেকে ২৫০টাকা লোড করে তাদের দেওয়া নিয়মএ এসএমএস সেন্ট করি। তখন একটা ফিরতি এসএমএস আসে এবং আমার ইন্টারনেট চালু হয়ে। কিন্তু আমি ৩ জি এর কোন সেবা পাই না। নেট খুব স্লও কাজ করে এবং মাজে মাজে কাজ করেই না। তখন আমি তাদের কেয়ার লাইন ১২১ এ ফোন দেই। তারা তখন set লেখে তাদের একটা নাম্বার এ এসএমএস করতে বলে। আমি এসএমএস করি। এখান থেকে কোন উত্তর আসে না। তখন আমি উত্তরা কাস্তমার কেয়ার এ গেলে সেইতা বন্ধ পাই। কিন্তু আমার মন মানে না। তখন আবার কেয়ার লাইন ১২১ এ ফোন দেই। তখন আমি আমার সমসসার কথা বলি এবং তাদের কে ৩জি সেট করার জন্য এসএমএস টা সেন্ট করতে বলি। তখন তারা বলে যে এসএমএস জাসসে না। এবং উত্তরা কেয়ার লাইন এ জেতে বলে। তখন উত্তরা কেয়ার লাইন এর সার্ভিস সম্পরকে কিছু কথা বললে ওই মহিলা উত্তেজিত হয়ে এ আমার ফোন লাইন কেটে দেই। জীবনে এই প্রথমবার এই রকম অভিজ্ঞতা হল যে কেয়ার লাইন পতিনিধি উত্তেজিত হয়ে এ সমাসসার সমাদান না করেই লাইন টা কেটে দিল। অন্য ফোন কোম্পানি অথবা ইন্টারনেট কোম্পানি তে ফোন দিলে তারা সমসসা সমাধান না করা পর্যন্ত লাইন স্যার স্যার করতে থাকে সেইখানে টেলিটক কোম্পানি নতুন সেবা নিয়া গ্রাহকদের সাথে এমন ব্যবহার করে যেইটা আমাদের কাম্য ছিল না।
পরে উত্তরা কেয়ার লাইন না যাওয়ার কারনঃ আমাকে সেবা দেওয়ার সময় আর একজন সিম রেপ্লেস করতে আসলে ৫০ তাকার জন্য ৫০০ টাকা না বাঙ্গানর কথা বলে ফেরত পাঠায়। এবং আর একজন তাদের নিয়ম সম্পরকে জানতে চাইলে ইনফর্মেশন দিতে পারে না। তখন উক্ত বাক্তি উত্তেজিত হলে কেয়ার লিনের মহিলা ২ গুন বেশি উত্তেজিত হয়ে। এইটা হইল তাদের সেবা দেওয়ার নুমুনা। অন্য ফোন কোম্পানি তে যেখানে ইয়উং এবং স্মার্ট লোকজন থাকে সেইখানে টেলিটক এ আসে কিছু বুড়া মহিলা। যাদের কথা বলার বা উচ্চারণের উপর ৬ মাসের কোচিং করা দরকার। তারা যদি কথা না বলতে পারে ঠিক মতো তাহলে তারা কি সার্ভিস দিবে?
সরকারের উচিত তাদের কোম্পানি টার ভাল সার্ভিস নিচ্ছিত করা। কেয়ার লাইন এ বুড়া মহিলাদের কে না বসিয়ে অন্যান্য কম্পানির মতো স্মার্ট ছেলে মেয়েদের সুযোগ দেওয়া। এইটা সরকার কাম্নে জানবে। দয়া করে জারায় এই পোস্ট টা পরবেন তারা আপনাদের বিবন্ন মিডিয়া share korben.

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



