ঈদ; তুমি সাম্যের আলো ছড়িয়ে দাও আমাদের সব উঠানে!
০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
ঈদের দিনটি আনন্দের। তবে কত ভাগ লোক এই আনন্দের সঙ্গী হতে পারে? এখনও কোন কোন বাবা তাঁর সন্তানকে কিছুই কিনে দিতে পারেনি। একটা খুব সস্তা লাল শার্ট কিংবা খুব সামান্য দামের নতুন স্যান্ডেল ও জুটেনি অনেক কিশোরের। অনেক শ্রমিক আছে যাদেরকে ঈদের দিনটিতেও ছুটে যেতে হয় কাজে; একটু বিশ্রামও নেবারও ফুসরত করে উঠতে পারে না মানুষগুলো। ওদের ছোট ছোট শিশুরা ঈদের দিনেও ময়লা-ছেঁড়া পোষাক পরে বাড়িতে বাড়িতে খাবার চেয়ে বেড়ায়। এই সব গরিব ছোট ছোট অসহায় মানুষকে পুজি করে বড় বড় কথা বলে বাংলাদেশের বড় বড় দালানে থাকা ভুরিঅলা মানুষগুলো। এটা করবে ওটা করবে বলে কথার ঘোড়া ছোটায় ধান্দাবাজ এইসব মানুষগুলো। আসলে কাঁচকলা। গরিবেরা সেই একই রকম জীবন যাপন করে । সেই একই রকম দুর্গন্ধময় পশুর জীবন যাপন ওদের। আর ধনীরা দেশের মানুষের রক্ত চুষে নিজেদের জন্য বিদেশ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকায় কেনে পোষাক-পারফিউম-লিপিস্টিক-হাইহিল জুতা। আর নিজেদের কালো টাকা সাদা করার জন্য নিম্নমানের কিছু যাকাতের কাপড় কিনে গরিবদের সাথে রীতিমত খেলা খেলে। টেলিভিশনে কর্তৃপক্ষ বড়লোকের বাচ্চাদের নিয়ে বিভিন্ন নিন্মমানের অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে। অন্যদিকে মাঝেমাঝে দর্শকদের কাছ থেকে বাহবা পাওয়ার জন্য গরিবদের অসহায়ত্ব নিয়ে অনুষ্ঠান সাজায়। শ্রমিক শিশুর ময়লা পোষাক; ঠিকমতো খেতে না পারার আকুতি প্রচার করে জনপ্রিয়তা কামাই করে।
সব শিশুরই ভাল ভাবে বাঁচার অধিকার আছে। ক্ষমতায় থাকা দলগুলোকে আমরাই পারি সঠিক পথে নিয়ে এসব শিশুদের অধিকার আদায় করে দিতে।শুধু ঈদের দিন নয় প্রতিটি দিনই যেন তাদের অধিকার নিয়ে বেঁচে থাকতে পারে। ঈদের দিনে সব শিশু নতুন পোষাক পড়ে উড়ে বেড়াবে পাখির মত। হাসিতে থাকবে সব পাওয়ার আনন্দ।
সেদিন বাঙলাদেশকে দেখতে হবে না কারো না খেতে পারার কষ্ট! আমরা এই ঈদে স্বপ্ন দেখি বৈষম্যহীন বাংলাদেশের ; বৈষম্যহীন উৎসবের।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পাগলের পাতা ছাগলে খায়,
দাঁতের দোষটা হাতেই যে কয়;
দেয় রে দোষটা দেয় চোখের,
মনটা যে ধোয়া তুলসীপাতা,
কেউ দেখে না রে মুখের।
মুখের কথা ঠোঁটে কয়,
ছাগল ডাকে রে ভাই, ব্যাঁ-ব্যাঁ;
পাগলের কাজ পাগল করে সই,
সাধু...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
শেরজা তপন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯

বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে বসে আছি, অথচ বাইরে পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড আর টিয়ার গ্যাসের শব্দে চারদিক প্রকম্পিত! মিরপুরে আমার বাসার কাছেই মেট্রো রেলের নিচে আগুন দেওয়া হয়েছে; কিছুক্ষণের জন্য মেট্রো...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
রাজীব নুর, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৯

খাওয়া দাওয়া করাটা আজকাল বিরক্তকর লাগে।
কিন্তু মানুষের বেঁচে থাকতে হলে- খেতে হবে। না খেলে শরীর দুর্বল হয়ে যাবে। প্রিয় খাবার গুলোও খেতে ইচ্ছা করে না। ভালো লাগে...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
শ্রাবণধারা, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৬

এই লেখাটি যখন লিখছি, তখন এই গুজবটি ছড়িয়ে পড়েছে যে, ইসরায়েল ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে, যাতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই আমেরিকা ইরানে পারমাণবিক বোমা হামলা করে। বিগত বছরগুলোতে ইসরাইল সারা বিশ্বের...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
ঢাবিয়ান, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩১
সিঙ্গাপুর সাম্প্রতিককালে স্মরনকালের ভয়াবহ Haze (ধোঁয়াশা ও বায়ুদূষণ) এর কবলে পড়ে। সেপ্টেম্বরের শুরুতেই সারা শহর ঘন ধোয়ার আবরনে ঢেকে যায়। জানালা দিয়ে বাইরে তাকালে মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন