
মেয়ে মানেই কি বহুরুপী ? রসায়ন বিজ্ঞানের ফসফরাস, সালফার, ও আক্সিজেন ইত্যাদি মৌলের মত মেয়েরাও বহুরুপী ! মুহুর্তে রুপ বদল পারে মেয়ে নামক প্রাণীরা । সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে রুপ পরিবর্তন করে তারা। নিজের স্বার্থের জন্য মেয়ে নামক প্রাণীরা সব করতে দ্বিধাবোধ করে না। বড় উপকারের কথাও ভুলে যায় তারা। তাদের মধ্যে সব কিছুরই পরিবর্তন হয় সময়ের সাথে সাথে। এমনকি প্রেম নামক জিনিস নিয়েও তারা ছলনা করতে পছন্দ করে। একটি ছেলের জীবনে ট্রাজেডি নামিয়ে আনে , ধ্বংস করে তরুণ সমাজ। আজ বলতে ইচ্ছে করছে , মেয়েরা তাদের প্রেমকে লোহার চেয়েও শক্ত , সোনার চেয়েও খাঁটি মনে করে কিন্তু অন্য একটি ছেলের প্রেমকে খেলার সামগ্রী পুতুল ভেবে থাকে। পুতুলকে যেমন খেলার প্রয়োজনের সামগ্রী মনে করা হয়, মেয়েরাও তেমন ছেলেদেরকে প্রেম খেলার সামগ্রী ভেবে থাকে। যারই সাথে একটি ছেলের ভালবাসার চেয়েও গভীরতম সম্পর্ক থাকে , তাকেই ভালবাসার অপরাধে নিঃস্ব হতে হয় সেই ছেলেটিকে। হতভাগা সেই ছেলেটির পরিণতি হচ্ছে অতল গর্তে তলিয়ে যাওয়া।
মহিলারা নাকি ৬৪ কলার অধিকারিনী। প্রায়ই বিতর্কের জন্ম দেয় প্রবাদটি বাক্যটি।সত্যিই কি মহিলারা কিছু বিশেষ ছলনায় প্ররোচিত করে ফেলেন পুরুষদের? আটকে ফেলেন ছলনার ফাঁদে? তাহলে জেনে নিন তাদের ৫টি ছলনার অভিনব কৌশল-
চোখের জল : মহিলারা খুব সহজেই একজন পুরুষকে ফাঁদে ফেলতে পারে।চোখের দুই ফোঁটা জলই একজন পুরুষকে ফাঁদে ফেলার জন্য যথেষ্ট। এক্ষেত্রে তেমন কোনও কষ্ট ছাড়াই যেকোনো কাজে পটিয়ে ফেলা যায় একজন পুরুষকে।এটা নারী জাতির অমূল্য সম্পদ।হোক সে নারী কোন মা, বোন, খালা, ফুপু, দাদী, নানী অথবা ওয়াইফ।আজ অধিকাংশ পুরুষই নারীর চোখের জলকে অবহেলা করতে পারে না।
ইমোশনাল অত্যাচার : সাধে কি আর গানটি লেখা হয়েছিল? ‘ইমোশনাল অত্যাচার’ একজন নারী খুব সহজেই একজন পুরুষকে পটিয়ে ফেলতে পারে এ পন্থায়। একবার ইমোশোনাল অত্যাচারের শিকার হলে ভালোমন্দ বিচার করার ক্ষমতা অনেক পুরুষই হারিয়ে ফেলে। বরং সবকিছুর জন্য নিজেকেই দোষী মনে হলে সেই দোষ থেকে মুক্তি পেতে অনেক কিছুই করতে প্ররোচিত হন।
সৌন্দর্য দিয়ে : নারীর রূপ একজন পুরুষের মন ভোলানোর সবচেয়ে ধারালো অস্ত্র। সুন্দরী নারীর রূপে মোহিত হন না, এমন বুকের পাটা ক’জনই বা পুরুষের রয়েছে? একজন সুন্দরী নারীর আবেদন অগ্রাহ্য করার মত মানসিক শক্তি খুব কম পুরুষেরই আছে। তাই সুন্দরী নারীরা খুব সহজেই পুরুষদের ফাঁদে ফেলতে পারে। বলতে গেলে পুরুষ নিজে গিয়ে ধরা দেয় সৌন্দর্যের ফাঁদে।
রাঁধুনি হিসাবে : ঠাট্টা করে অনেকে বলেন, পুরুষের মনের রাস্তা নাকি তার পেট হয়ে যায়। আর পুরুষের মন জেতার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সুস্বাদু রান্না করে খাওয়ানো। একজন মহিলা যদি জিভে জল আনা খাবার নিজের হাতে রান্না করে খাইয়ে একজন পুরুষকে পটাতে চায় তাহলে সেটা ফেরানোর সাধ্য খুব কম পুরুষেরই আছে।
ছলনাময়ী ফাঁদ : নারীদের জন্য কোনো পুরুষকে ফাঁদে ফেলার সবচেয়ে অন্যতম উপায় হলো অন্যরকম লোভ দেখানো। ইঙ্গিতময় কথাবার্তা, একটু হাসি-ঠাট্টা, চাইলেই আমি যে তোমার হতে পারি। শুধুমাত্র এ পদ্ধতিটিতে একজন পুরুষকে ফাঁদে ফেলে যেকোনো ফাঁয়দা হাসিল করে ফেলে এক শ্রেণির মহিলা। এ আবেদন অগ্রাহ্য করতে পারেন না অধিকাংশ পুরুষই।

সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে মার্চ, ২০১৬ দুপুর ১:৪৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


