

রাতের আকাশে যখন তাকাই তখন আকাশে অনেক তারা দেখতে পাই। এই তারাগুলা এক একটি নক্ষত্র। এই সব নক্ষত্র কে কেন্দ্র করে ঘুরছে গ্রহ।
ঐ দূরের সৌর মন্ডলে কোন প্রাণের অস্তিত আছে কি না তা জানি না। যদি মিল্কিওয়ে গ্যালাস্কি তে কোন সৌর জগৎ এ প্রাণের অস্তিত যদি থাকে তাহলে জীবন এ আকার কেমন হবে? তারাও কি শ্বাস প্রশ্বাসে অক্সিজেন নেয়? নাকি হাইড্রোজেন নেয়?
তারপর তারা কি আমাদের থেকে হাই প্রফাইল ইন্টিলিজেন্ট? নাকি আমাদের থেকে কম বুদ্ধিবান?
আমাদের ইসলাম ধর্মের ধর্মীয় গ্রন্থ আল কোরআন এ উল্লেখ আছে এই আসমান, আকাশ ৭টি ভাগে ভিবক্ত।
আমাদের ইসলাম ধর্মের শেষ নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) মেরাজে গেছিলেন। যারা জানেন না তাদের বলছি। আমাদের নবী আল্লাহর এর সাথে দেখা করার জন্য সাত আসমান উপরে আল্লাহর আরশে গেছিলেন। পৃথিবীর মাটি থেকে আল্লাহর আরশ পযর্ন্ত যাত্রার ঘটনা কে মেরাজ নামে চিনি।
একদা এক সাহাবী নবীকে প্রশ্ন করেন “এক আসমান থেকে আরেক আসমান কত বড়?”
উত্তরে নবী বলেন “একটি মরুভূমি তে একটি আংটি যত ছোট দ্বিতীয় আসমান থেকে প্রথম আসমান তত ছোট?”
এখানে ইউটুবের লিংক দেয়াটি ঠিক হবে কি না জানি না। যদি এখানে ইউটুবের লিংক দেয়াটি নীতিমালার বিরুদ্ধে হয় তাহলে এডিট করে দিবো। এই লিংকে আরো সুন্দর করে মহাকাশ কে বিবরণ দেয়া হয়েছে। মে’রাজ এক বিস্ময়কর ঘটনা।
আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে। আমার এই সিরিজ না ভালো লাগলে আপনাদের দিতাম না।
বানান ভুল হলে ধরিয়ে দিবেন। সংশোধন করিব।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে অক্টোবর, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৫৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




