
যে গরম পড়ছে তাতে অনেকের কষ্ট হচ্ছে। আমাদের উচিৎ এখন গাছ লাগানো। আগে ভবেরচর থেকে রসুলপুর যাওয়ার সময় বড় বড় কড়ুই গাছ নজরে পড়তো। তখন রাস্তাটি যেমন সবুজ লাগতো দেখতে তেমন সুন্দর লাগতো। এখন তো রাস্তার কাজ শেষ, এখন যদি চেয়ারম্যান মেম্বারগণ রাস্তার ধারে গাছ লাগাতেন তাহলে খুব ভালো হতো।



১. প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা:
গাছপালা বিভিন্ন প্রাণীর বাসস্থান প্রদান করে থাকে। বন্যপ্রাণী থেকে শুরু করে ক্ষুদ্রতম কীট-পতঙ্গ পর্যন্ত অনেকেই এদের উপর নির্ভরশীল। এছাড়া, গাছপালা মাটির ক্ষয় রোধ করে এবং জলচক্র বজায় রাখে, যা প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য অপরিহার্য।
২. গ্রীন হাউজ এফেক্ট নিয়ন্ত্রণ:
গ্রীন হাউজ গ্যাসগুলো, বিশেষ করে কার্বন ডাইঅক্সাইড, পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি ঘটায়। গাছগুলো ফটোসিন্থেসিসের মাধ্যমে এই গ্যাস শোষণ করে নেয়, যা বায়ুমণ্ডলের কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ হ্রাস পায়। এতে করে গ্রীন হাউজ এফেক্ট কমে এবং গ্লোবাল ওয়ার্মিং নিয়ন্ত্রণে থাকে।
৩. কার্বন কমানো:
গাছগুলো পরিবেশ থেকে বড় পরিমাণে কার্বন ডাইঅক্সাইড শোষণ করে নিজেদের বৃদ্ধিতে ব্যবহার করে থাকে। একটি পরিপক্ক গাছ প্রতি বছর প্রায় 48 পাউন্ড কার্বন ডাইঅক্সাইড শোষণ করতে পারে। এতে করে বায়ুমণ্ডলীয় কার্বনের মাত্রা কমে যায়, যা জলবায়ু পরিবর্তনে লাগাম পরায়।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে এপ্রিল, ২০২৪ সকাল ১০:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




