
বাংলাদেশে প্রথম 3G আসে সম্ভবত ১৪ অক্টোবর ২০১২ সালে। তখন টেলিটক ছাড়া অন্য কোন কম্পানি 3G লাইসেন্স পায় নি। আমি ২০১৩ সালে জানুয়ারি মাসে ঢাকা যাই। এবং টেলিটক 3G ইন্টারনেট ব্যাবহার করি। তখন আমি 1mbps থেকে 3 mbps স্পিড পাই। এই স্পিড পেয়ে আমি পাগল হয়ে যাই। এবং পাগলের মত ডাউনলোড দিতে থাকি। আমার 1GB শেষ করতে ২ ঘন্টা লাগে।
বিবরণ:
০১। ২০১৪ সালের দিকে সিটিসেল বাদে সকল কম্পানি 3G নেটওর্য়াক দেশের মধ্যে ৮০% কভারেজ দিয়ে ফেলে।
০২। দ্রুত গতি, App, স্মার্ট ফিচার এবং টার্চ এর জন্য সবাই তখন নকিয়া বাটন মোবাইল ছেড়ে বিভিন্ন এন্ডোয়েট মোবাইলে চলে যাচ্ছিলো।
০৩। তখন যদি নকিয়া এন্ডোয়েট মোবাইল চালাতো তাহলে নকিয়া ফোন পিচ্ছিল খেয়ে পড়ে যেতো না।
০৪। ২০১৪ সালের দিকে ফেসবুক এন্ডোয়েট app ফেসবুক চালানো সহজ করে দেয়। যার কারনে আমার অনেক বন্ধুরা ফেসবুকে একাউন্ট খুলতে থাকে।
০৫। 3G এবং এন্ডোয়েটে ফ্রন্ট ক্যামেরা আসার কারণে সবাই ভিডিও কলের দিকে ঝুকতে থাকে। এবং ভিডিও কলের চাহিদা পূরণের জন্য IMO (উচ্চারণ আই মো) এবং What app ভিডিও কল ফিচার চালু করে।
০৭। ঢাকা শহর সহ জেলা শহরে ব্রডবেন্ড ইন্টারনেট (আমরা যাকে Wi-fi বলি) ছড়াতে থাকে।
০৮। সবাই SMS সার্ভিস ভুলে Facebook messenger ঝুকে পড়ে।
০৯। ২০১৪ সালে নকিয়া লুমিয়া মোবাইল বাহির কলে। যা ছিলো নকিয়া এর জন্য ভুল সিন্ধান্ত।
১০। নকিয়া C5 মডেল বাহির করে, যেখানে থ্রি জি থাকে। তার পরেও সবাই এন্ডোয়েটে ঢুকে।
১১। বাংলা লায়ন ও মনে হয় ইন্টারনেট সেবা দিতে থাকে।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই নভেম্বর, ২০২১ রাত ৮:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




