খ্রিস্টপূর্ব সময়ের প্রাচীন নগরী
সভ্যতার চারণভূমি আমাদের এই উপমহাদেশ। অনুকূল আবহাওয়া আর নদী-বিধৌত পলিমাটির কারণে কয়েক হাজার বছর আগে মানুষ এখানে গড়ে তুলেছিল বসতি। গড়ে তুলেছিল সমৃদ্ধ নগরী। শিক্ষা আর সংস্কৃতিতেও তারা ছিল সমৃদ্ধ। কিন্তু প্রাকৃতিক বিপর্যয় কিংবা বাসস্থানের পরিবর্তনের কারণে বিভিন্ন সময় ধ্বংস হয়ে গেছে অনেক সমৃদ্ধ নগরী আর জনপদ। যুগ যুগ ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকায় সেগুলো তলিয়ে গেছে মাটির নিচে। কিন্তু আধুনিককালে প্রত্নতাত্তি্বক খোঁড়াখুঁড়ির ফলে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে অনেক প্রাচীন নগরী এবং জনপদের ধ্বংসাবশেষ। সে ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি ভারতে আবিষ্কৃত হয়েছে তেমনি সমৃদ্ধশালী এক প্রাচীন নগরীর ধ্বংসাবশেষ। উড়িষ্যার রাজধানী ভুবনেশ্বরের কাছাকাছি প্রত্নতত্ত্ববিদরা খুঁজে পেয়েছেন প্রাচীন সেই নগরীর নিদর্শন। ধারণা করা হচ্ছে, এ নগরটি আড়াই হাজার বছর আগে ধ্বংস হয়ে যায়। গবেষকদের মতে, এটি ছিল অতি উন্নত একটি শহর। খননের ফলে এখানে পাওয়া গেছে ১৮টি পাথরের খুঁটি, নকশা করা পোড়ামাটির চুড়ি, বালা, অন্যান্য গহনা, আংটি, কানের দুল, গলার হার, বাহুবন্ধসহ অনেক নিদর্শন।
১৯৪৮ সালে প্রফেসর বি বি লাল সর্বপ্রথম এখানে খোঁড়াখুঁড়ির কাজ করেন। এখানকার স্থাপত্যশিল্প এবং নকশা অনুযায়ী তিনি জানান, খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতক থেকে খ্রিস্টজন্মের পর চতুর্থ শতাব্দী পর্যন্ত শহরটি স্থায়ী ছিল। কিন্তু পুনার ডিকান কলেজের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের আরকে মোহান্তি এবং ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষক মনিকা স্মিথ এ মতের বিরোধিতা করেন। তাদের মতে, খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম অব্দ থেকে খ্রিস্টজন্মের পর চতুর্থ শতাব্দী পর্যন্ত শহরটির অস্তিত্ব ছিল। নতুন আবিষ্কৃত এ নগরীর ৪.৮ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে চালানো হয়েছে খনন কাজ। তবে গবেষকদের ধারণা, এর বাইরেও অনেক নিদর্শন থাকতে পারে। অস্তিত্বহীন বাড়িঘর ও নগরের যাবতীয় বিষয়ের ওপর গবেষণা করে তারা ধারণা করছেন, এখানে ২০ থেকে ২৫ হাজার মানুষ বাস করত। ২০০৫ সাল থেকে চালানো এ খনন কাজ বর্তমানে সমাপ্ত করা হয়েছে। গবেষকরা ধারণা করছেন, নতুন আবিষ্কৃত এ নগরী ভারতীয় ইতিহাসে যোগ করবে এক নতুন মাত্রা।
দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল
দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

মানুষের জীবন মূলত অসংখ্য ছোট-বড় সিদ্ধান্তের সমষ্টি। প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি মোড়ে আমাদের কোনো না কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল
আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬
[সম্ভাবনার ক্রমানুসারে নয়ঃ]
আর্জেন্টিনা: আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ তার ডিফেন্স আর ইনজুরি । ৩৮ বছরের তরুণ(!) সেন্টারব্যাক ওতামেন্দি আর কমপক্ষে এক হালি হাফ-ফিট ফুটবলার নিয়ে ১৯ জুলাই পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন
কবিতাঃ শরৎ বন্দনা

শরৎ এলেই আকাশ জুড়ে সাদা মেঘের ভেলা
দিনমণি আর মেঘমালার লুকোচুরি খেলা।
রুম ঝুমঝুম নূপুর পায়ে ছুটছে নদীর ঢেউ
ভাটিয়ালি গাইছে গান অচিন সুরে কেউ।
বিলে ঝিলে শাপলা পদ্ম... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।