ক্লিওপেট্রার একটি প্রিয় খেলা ছিলো, ক্রীতদাসীদের স্তনে সোনার পিন ফুটিয়ে আনন্দ লাভ করা। ব্যাপারটা ক্লিওপেট্রার কাছে যতটা আনন্দদায়ক ছিলো , ক্রীতদাসীদের কাছে ছিল ততটা কষ্টের। কিন্তু ক্রীতদাসীদের কষ্টের চেয়ে ক্লিওপেট্রাদের আনন্দটাই বেশী গুরুত্বপূর্ণ।
আমাদেরও কতিপয় ক্লিওপেট্রা রয়েছেন ,যারা জনগণের রক্তের ঘ্রাণ ছাড়া থাকতে পারেন না, যারা জনগণের বিভৎস লাশ না দেখে হাসতে পারেন না। তাই তাদের জন্য প্রতিনিয়ত লাশের ব্যবস্থা করতে হচ্ছে। যত বেশী লাশ ততো বেশী আনন্দ।
যে লোকগুলো লাশ হচ্ছে, তাদের পরিবার পরিজণের জন্য ব্যাপারটা কষ্টের । কিন্তু তাদের কষ্টের কথা চিন্তা করলে হবে না। ক্লিওপেট্রাদের আনন্দের কাছে এই কষ্ট কিছুই না।
এদেশে সবকিছুই এখন ইস্যু। জন্ম ,মৃত্যু , অশ্রু , সবই এখন ইস্যু। যেখানে আমাদের কোন জীবন নেই, আমরা বেঁচে থাকি কতিপয় ক্লিওপেট্রার আনন্দের জন্য।
আমাদের কোন রাষ্ট্র নেই , আমাদের জন্য কোন সংবিধাণ কিংবা আইন নেই। ক্লিওপেট্রাদের ইচ্ছাই এখানে সংবিধাণ , এখানে আইন। তাই তাদের দয়ায় বেঁচে থাকা মানুষগুলো যখন লাশ হয়ে যায় , তখন আর আফসোস হয় না । এটাই তো স্বাভাবিক, এটাই তো হওয়ার কথা ছিল।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



