(১)
রাত্রি ফিসফিস করে কিছু গাইছিলো সমুদ্র তীরে; সম্ভবত গোঙাচ্ছিলো।
এটা খুব স্বাভাবিক যে- মাথার ওপর তখন ছিলো অজস্র তারা, চাঁদটার মৃত্যু হয়েছে আবারো।
তাকে মাটি দেওয়া হয়েছে শেষকৃত্যহীন।
আর ঘণ্টা দুয়েক পর ভূমিষ্ঠ হবে ভোর; কিন্তু আমরা জানি না, কোথায় আকাশের জঙ্ঘা ।
সমুদ্রের গর্জনও শোনা যাচ্ছিলো না তেমন। উপকূলে কিছু ঘুমন্ত সাইরেন।
ঢেউ এর মতো ছুটে এসে আমাদের গ্রাস করছিলো তখন অন্ধকার;
জোনাকিরা আমাদের ঝাউবনের পথ দেখায় নি একদম ।
----------------------------------------
(২)
অতঃপর সমুদ্র থেকে উঠে এসে আমরা হাঁটতে শুরু করলাম।
কিন্তু কোথায় বনের দরজা? ওটা নাকি কারুকার্যে ভরা- পথে বাধ সাধলো অসংখ্য খাড়া শ্বাসমূল।
আমাদের পথ ছিড়লো রক্তে, অথচ রক্তও ছিলো জল; আমাদের পায়ে ক্ষত হলো
শামুকের মতো সুগভীর-
যেন আমরা জাহাজের চিহ্ন নিয়ে যাচ্ছি।
তখন আমাদের কানে বাজছে ভয়ংকর শনশন; আমরা এগোলাম দরজার খোঁজে
কিন্তু একটুও আগালো না আমাদের পথ; বরং এগিয়ে এলো ভোর,
অথচ কথা ছিলো যে- আমাদের ঝাউবন হাঁটার পথে থাকবে প্রচুর বালু
আর জোনাকি;
কখনো রাত্রিরা ফুরোবে না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




