উপজেলার ঠোটারপাড়া সীমান্তে পদ্মা নদীতে জেগে উঠা বিশাল একটি চর দখল নিয়ে বিডিআর-বিএসএফ মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে। বিডিআর সূত্র জানায়, 1996 সালে পদ্মা নদীর ভয়াবহ ভাঙ্গনে উপজেলার ভারত সীমান্ত ঘেঁষা ঠোটারপাড়া, ভাঙ্গেরপাড়া, চাইডোবাসহ বেশ কয়েকটি গ্রাম বিলীন হয়। চলতি বছর ওই স্থানে প্রায় 25 হাজার একর আয়তনের একটি চর জেগে উঠে। গতকাল সোমবার সকালে পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার নাসিরাপাড়া বিএসএফ ক্যাম্প কমান্ডার, ইন্সপেক্টর আর জি শর্মার নেতৃত্বে বিপুলসংখ্যক বিএসএফ ও ভারতীয় নাগরিক ঐ চর দখল করে । এ সময় বিএসএফের সহায়তায় ভারতীয়রা সেখানে চাষাবাদ শুরু করে। খবর পেয়ে উপজেলার মহিষকুন্ডি কোম্পানী কমান্ডার নূরম্নল আমীনের নেতৃত্বে বিডিআর জোয়ানরা সেখানে গেলে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। বিএসএফের বাধার মুখে বিডিআর সদস্যরা পিছু হটে চলে আসে। পরে কুষ্টিয়ার মিরপুরস্থ 9 রাইফেলস ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক মেজর তারেক মাসুদ ভাওয়ালীর নেতৃত্বে বিপুলসংখ্যক বিডিআর ঘটনাস্থলে গিয়ে বিএসএফ ও ভারতীয়দের হটিয়ে চরের দখল নেয়। এ নিয়ে উভয় পাড়ের মানুষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
বিডিআরের পাশাপাশি এপাড়ের মানুষ যেকোন মূল্যে চরের দখল ধরে রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। এ ব্যাপারে মেজর তারেক মাসুদ ভাওয়ালী জানান, পরিস্থিতি বিডিআরের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ ঘটনার কড়া প্রতিবাদ ও পতাকা বৈঠকের আমন্ত্রণ জানিয়ে বিএসএফকে পত্র দেয়া হয়েছে। তবে বিএসএফ সীমান্তে বাড়তি শক্তি বৃদ্ধি করেছে।
ঃঃ দৈনিক ইত্তেফাক ঃ 28.02.2006 ঃঃ
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


