প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুধু দেশের প্রধানমন্ত্রীই নন৷ একই সাথে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও৷ সুতরাং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দায় পুরোপুরি তার উপরই বর্তায়৷
সুতরাং তার কাছ থেকে জাতি এই সমস্যার সমাধান চায়৷
কোন উপায়ে বা কিভাবে এই সমস্যার সমাধান হবে অথবা এজন্য কি কি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এগুলো জনগনের সামনে পরিষ্কার করা একান্ত কর্তব্য৷ কিন্তু এর কোন কথাই তো তিনি বলছেন না৷ উপরন্তু গতকাল মে দিবস উপলক্ষে গাজীপুরের ভাওয়াল বদলে আলম সরকারি কলেজ মাঠে জাতীয় শ্রমিক লীগ আয়োজিত এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী সম্পূর্ণ দোষ বিএনপির উপর চাপিয়ে দিলেন৷ বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াকে গালমন্দ করলেন৷
নারায়নগঞ্জসহ সারা দেশে যেসব গুম, হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হচ্ছে এর কোনটাতেই বিএনপি বা বিরোধীপক্ষ জড়িত আছে বলে সাধারন মানুষ মনে করে না৷ যেখানে বিরোধীপক্ষ নিজেরাই গুম, খুনের ভয়ে এলাকা ছাড়া৷ নিজেদের জীবন নিয়েই ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা! সেখানে তাদের পক্ষে এত সুকৌশলে ও নিরাপদে এরকম অপরাধ কর্ম নিয়মিত ভাবে করে যাওয়াও সম্ভব না৷
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও সরকার বিরোধী পক্ষের সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পায়নি৷
গতকাল নারায়নগঞ্জে সাধারণ মানুষ যখন ক্ষোভে ও হত্যাকান্ডের জন্য স্পষ্টভাবে দায়ী করে এক আওয়ামী নেতার অফিস পুড়িয়ে দেয়, তখন প্রধানমন্ত্রীর এরকম দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য তার ব্যর্থতা প্রকটভাবে ধরা পড়ে৷ তিনি নিজেও এই সমস্যা সমাধানে অপারগ প্রচ্ছন্ন ভাবে সেকথাই বুঝিয়ে দিলেন৷
কথা হল- প্রধানমন্ত্রী নিজে ব্যর্থ হয়ে সাধারন মানুষদের অনিরাপদ রাখাটাও মারাত্মক অপরাধ৷ এখন সময়ের দাবী দায়িত্ব পালন না করতে পারলে জনগণকে আতঙ্কে না রেখে নিজের পদ থেকে পদত্যাগের বিষয়টি ভেবে দেখতে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করছি৷

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



