একোন দেশ রে গুরু!
মরার আগে মরহুম শুরু!
অনেক দিন আগে ফজা'র একটি কৌতুক শুনেছিলাম৷ সে তার খাতায় তার নাম লিখেছিল 'মরহুম ফয়েজ উদ্দিন ফজা'৷ শিক্ষক তাকে জিজ্ঞাসা করতেই ঝটপট উত্তর, 'আমরা মরহুম গুষ্ঠি! দেখেন নাই আমার দাদার কবরে লেখা আছে মরহুম আইজ উদ্দিন আজা৷ আর সেই হিসেবে আমি হলাম মরহুম ফয়েজ উদ্দিন ফজা৷'
ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও তার স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় যথাক্রমে মরহুম ও মরহুমা হয়ে যাওয়ায় ফজার সেই কৌতুকটার কথা মনে পড়ে গেল!
ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবদুল ওয়াহেদ জোয়ার্দার সরকারী প্রকল্পের টাকা মেরে নিজের ও স্ত্রীর নামে কবর স্থানে জায়গা নির্দিষ্ট করে তা বাঁধাই করে ফেলেছেন৷
যে কেউ দেখলে দ্বিধায় পড়ে যাবে! শ্বেত পাথরে খচিত নাম ফলকে মরহুম আবদুল ওয়াহেদ জোয়ার্দার ও স্ত্রীর নামে মরহুমা উল্লেখ করে রেখেছেন। মরহুম ও মরহুমার জন্মতারিখ উল্লেখ থাকলেও মৃত্যু তারিখের উল্লেখ নাই৷ মনে হবে জন্ম কবে হয়েছে এটা জানলেও তারা কবে মারা গেছেন নাকি নিরুদ্দেশ হয়েছেন এটা কেউ জানেনা বলে মৃত্যু তারিখ নাই৷ আসলে তারা এখনও জীবিত!
আমার মনে হয়, তাদের উচিত হবে জীবিত থাকা অবস্থায় সরকারী বরাদ্দে কবরে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করে রেখে যাওয়া৷ বলা তো যায় না, আল্লাহ কবরে তাদের জন্য কি রেখে গিয়েছেন৷ তাই সরকারী খরচে নিজেরাই কবরে শান্তিতে থাকার ব্যবস্থা করে গেলে মন্দ কি!
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে আগস্ট, ২০১৪ রাত ১০:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



