ভক্তি, শ্রদ্ধা, সম্মান, ভালবাসা জিনিসগুলো সম্পূর্ণ মনের ব্যাপার। এগুলো জোর করে পাওয়া যায় না। বরং জোর করে পেতে গেলে তা ঘৃণায় পরিণত হয়। এগুলো একজন মানুষের ব্যবহার, আচার, আচারন, চলাফেরা, কথাবার্তার মাধ্যমে তৈরি হয়। কে কতটুকু সম্মান, ভালবাসা পাবে তা মন থেকে আপনাআপনি নির্ধারিত হয়ে যায়। আর মনের উপর জোর খাটানো সম্ভব নয়। এগুলো পাওয়ার জন্য যারা জোর করে বা শাস্তির ব্যবস্থা করে এদেরকে মুর্খ বা নির্বোধ ছাড়া আর কিছুই বলা যায় না।
দুদিন আগে শেখ মুজিব ও হাসিনাকে নিয়ে ব্যঙ্গ করায় তন্ময় মল্লিক নামে এক যুবকের ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। আদালতের রায় নিয়ে আমার কোন আপত্তি নাই। কারণ বিচারক দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী রায় দিবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এই আইন যারা প্রবর্তন করেছে তারা আসলে কতটা বিবেচনা করে কাজটি করেছে তা নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন থাকতে পারে।
উক্ত বিচারের পর হয়ত সামনাসামনি কেউ ব্যঙ্গ করবে না। কিন্তু মনের থেকে সম্ভবত গালি ছাড়া আর ভাল কিছু আসার কথা নয়। উত্তরোত্তর শুধু ঘৃনাই বৃদ্ধি পাওয়ার কথা তাদের প্রতি। তাহলে আসলে কি জন্য এই বিচার? সম্মান পাওয়ার আশায় জবরদস্তি করে যদি মানুষের ঘৃনাই উপহার হিসেবে পাওয়া যায় সেই বিচার করাটা কতটা যুক্তিযুক্ত এটা আমার ছোট্ট মাথায় আশা সম্ভব নয়।
আমি বলব, এধরনের জোর করে ভালবাসা আদায় করে ঘৃনা আহরণ না করে বরং নিজের কাজকর্ম, কথাবার্তা, আচরণ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী মানুষের মন জয় করুক। তাতে সবাই তাকে মনের থেকে ভালবাসবে। আমার মনে হয় এই কথাটি স্মরণ করিয়ে দেওয়ার মত কোন লোক প্রধানমন্ত্রীর চারপাশে নেই। যারা আছে তারা কিছু স্বার্থান্বেষী দালাল ছাড়া আর কিছু নয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




