৫ জানুয়ারী ২০১৪, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আর একটি নির্বাচন হয়ে গেল, বর্তমান সরকার এর মেয়াদ ৩ মাস বা ১০০দিন। নির্বাচন হবার পর দেশের পরিস্থিতি কেমন? এ প্রশ্নের জবাব সবার কাছে হয়তো ক্লিয়ার। অনেকে বলছে জনগণের ম্যান্ডেট বিহীন সরকারের জনগণের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে ভাববার সময় নাই। কিভাবে জনগণের ক্ষতি সাধন করা যাবে সে চিন্তায় মগ্ন। যদি এরকম চিন্তাই না হতো তবে কেন প্রতিনিয়ত হত্যা, গুম, খুন, রাহাজানী, ছিনতাই, গ্রাম গঞ্জে সাংস্কৃতিক আনুষ্টানের নামে জুয়া, হাউজি, অসামাজিক কার্যকলাপ ইত্যাদি কেন হবে? আজ দেশের মানুষের মৌলিক নিরাপত্তা নাই, প্রবাসী শ্রমিকদের অধিকারের বিষয়ে কোন সুরাহা নাই, নতুন জনশক্তি রপ্তানী নাই, দেশের সাধারণ মানুষের সুষ্ট ভাবে ব্যবসা করার নিরাপত্তা নাই। চাঁদাবাজী, ছিনতাই, হুমকী, অপহরন করে মুক্তিপন আদায়, ইত্যাদি ক্ষমতাশীন দলের নেতা কর্মীদের নিত্যনৈমত্তিক কার্যকলাপে রুপ নিয়েছে। সাধারণ জনগনের আজ নাভিশ্বাস। চাকুরিজীবি চাকুরী থেকে সহি সালামতে বাসায় যেতে পারবে কি না তার নিশ্চয়তা নাই, ব্যাবসায়ী তার ব্যাবসা ঠিকমত চালাতে পারবে কি না তার কোন গ্যারন্টি নাই, ছেলেমেয়ে সঠিক ভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ফেরত আসতে পারবে কি না তার গ্যারান্টি নাই।
এই সরকার যদি জনগণের ম্যান্ডট নিয়ে ক্ষমতায় আসত তবে জনগনের দুঃখ দুর্দশা বুঝত। অন্যদিকে প্রধান রাজনৈতিক দল হিসেবে বি এন পি র নিরব ভুমিকা জনগন কে অারও দুঃশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে! তারা সুষ্ট আন্দোলন করে জনগণের অধিকার আদায় করতে পারছে না। যে জন্য আজ বাংলার অপমর সাধারণ জনতার ভোগান্তির শেষ নাই।
সর্বশেষ আমি বলতে চাই, বর্তমান অবৈধ সরকারের উচিৎ দ্রুত নির্বাচন দিয়ে জনগনের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধীর কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা, আর বি এন পির উচিৎ গঠনমূলক আন্দোলনের মাধ্যমে জনগণের অধিকার যত দ্রুত সম্ভব আদায় করে নেওয়া ।
কারণ সারা বিশ্বের আজ সবাই জানে যে, ৫ জানুয়ারীর নির্বাচন অবাধ, সুষ্ট ও নিরপেক্ষ হয়নি।
জয় হোক বাংলাদেশের সাধারণ জনতার।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ, মেহনতী মানুষ জিন্দাবাদ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



