আমি এক ছোট্ট খাটো ছাত্রনেতা
আমি ঘটনাটি বর্ণনা করছি ।
আমার স্যার এর ভাই ৫ বছর ধরে থাকেন নিজ নামে রেজিঃসট্রিকৃত ফ্লাটে, রুপ নগর এলাকার আরিফাবাদ হাউসিং এ ।
আমার স্যার এর ভাই(ভুক্তভুগী)চাঁদাবাজির অভিযোগ করেন Rupnagar থানায়। অভিযোগকারী ও উক্ত বিল্ডিং এ বসবাস কারি ফ্ল্যাট মালিকদেরকে থানায় ডাকা হয় সমাধানের জন্য, আমারও থানায় যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল। গিয়ে দেখলাম এক অভিনব চাঁদাবাজীর কায়দা।
চরিত্র গুলি- ডেভেলপার মালিক ও জমি মালিক( Mr. Joynal Abedin) ,এবং তার আদরে পালিত বন বিড়ালের দল ( মাস্তান ), ও তার একমাত্র জামাই(Mr. Tanvir, Cameraman, NTV)। ওসি মিঃ শামিম ও সেকেন্ড অফিসার মিঃ রাহমান।
চাঁদাবাজী ও হয়রানি সমাধানের জন্য দুই সপ্তাহ ধরে থানায় ধরনা দিয়েও কাজ হয়নি। বুনো বিড়ালের দল এটা করে সেটা করে, এমনকি উক্ত ফ্ল্যাট মালিক সমিতির সম্পাদক কে হামলা করে মারধর করে। একদিন সমাধানের জন্য ডাক পড়ল থানা থেকে, অভিযোগকারী ও উক্ত বিল্ডিং এর ফ্ল্যাট মলিকগণ। আমারাও গেলাম স্যার এর সাথে। বিবাদী ও যথা সময়ে থানায় হাজির হল। সেকেন্ড অফিসার বলল, তোরা (ছাত্র) থানায় কেন? পোলাউ মিষ্টির গন্ধে? ঠিক করনি, তোদের স্যার কে এবার এরেস্ট(বন্দী) করব। এরপর যা ঘটলো, স্যার এর ভাই কে আপোষ নামায় স্বাক্ষর করতে বাধ্য করল এবং পোলাউ মিষ্টির খরচ বাবদ দুই লক্ষ (২০০,০০০.০০) টাকা দিতে বাধ্য করা হল। কিন্ত তাদের চাঁদার দাবি ছিল পাঁচ লক্ষ (৫০০০০০.০০) টাকা।
থানার মধ্যেই বুনো বিড়ালের দলের একজন গর্জনের সাথে বলে, তুই আমার নামে জিডি করিস, আমি রাজনিতি করি, ৪ টা খুনের মামলার আসামী , অফিস করিস না? বাসায় ফিরতে পারবি তো ? ওসি ও সেকেন্ড অফিসার মুছকি হেঁসে ভাবে ওঁরে বাবা আমাদের বুনো বিড়াল গুলো ভালই গর্জন করছে । বুনো বিড়াল আরও বলে, আমি ফুটো করি আর আমার অস্ত্রের রক্ত মুছে দেয় ঐ আইন রক্ষক ওসি এবং সেকেন্ড অফিসার এর দল বুঝেছিস।
শেষে যা ঘটলো তা আর কি ভাবে বলি ভাই, সেকেন্ড অফিসার স্যার এর ভাইকে বলে, তোদের শিক্ষা দীক্ষা নেই, কিছু বুঝিস না, সব বলে দিতে হবে?, জিডি করেছিস বুনো বিড়ালের নামে। মাফ চা। ভাবুন তো আমাদের দেশের মানুষ কতটা অসহায়! আইনের দারে গেল বিচার পেতে, অথচ আইনের রক্ষক নামের ভক্ষক, বুনো বিড়ালের খাঁচায় তুলে দিল তাকে পোলাউ মিষ্টির ব্যবস্থা করে।
এ সকল রক্ষক নামের ভক্ষকদের কি শাস্তি হওয়া উচিত ?
আপনার বিবেক কি বলে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




