
“আমি আকাশমন্ডল সৃষ্টি করেছি আমার শক্তি বলে এবং আমিই মহাসম্প্রসারণকারী। আর ভূমী! আমি উহাকে বিছাইয়া দিয়াছি। আমি কত সুন্দর প্রসরণকারী” (৫১.৪৭-৪৮)
“আমি আকাশমন্ডল সৃষ্টি করেছি আমার শক্তি বলে এবং আমিই মহাসম্প্রসারণকারী। আল কোরআনের এই আয়াতটি আমাদের বিজ্ঞানীদের উদ্ঘাটিত বেশ কয়েকটি বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের সত্যতা নিরুপন করে। আমি আকাশমন্ডল সৃষ্টি করেছি আমার শক্তিতে। আল কোরআনে প্রথমে আসমান সৃষ্টির প্রসঙ্গ কেনো এলো? বলতে পারেন। আর ভুমী আমি উহাকে বিছিয়ে দিয়েছি। একটি অদ্ভুদ উদাহরন। সিনেমা হলে যেমন আমরা পর্দা দেখি এবং সেই পর্দার উপর প্রক্ষিপ্ত আলোককনা গিয়ে পড়ে সেখানে রঙিন সিনেমা দেখা যায়। এই উদাহরনটি আমি দিলাম এই কারনে যে বিষয়টি ঠিখ এরকম। এমনি একটি ক্ষেত্র যার উপরে বস্তুগুলো বিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাহলে বিষয়টি বোঝার চেষ্টা করুন। তিনি আসমানকে সৃষ্টি করেছেন শক্তি দ্বারা । অতএব আসমান বলতে টোটাল মহাবিশ্ব এর সীমানা বোঝানো হচ্ছে যা অদ্ভুদ এক শক্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত অথবা এনার্জিটিক কোন কনাও হতে পারে। এমন এনার্জি বা শক্তিময় কনার মধ্যে বস্তুগুলো বিছেয়ে দেওয়া হচ্ছে। এমন কনা কি হতে পারে যা দ্বারা একটি সীমানা গঠন করা হয়েছে?
বিজ্ঞানী হিগস ১৯৬৪ সালে শক্তি হিসেবে এমন একটি কণার ধারণা দেন, যা বস্তুর ভর সৃষ্টি করে। এটা এমন একটা উপাদান যার সাহায্যে ভরের উৎপত্তি সম্ভব হয় অথাৎ বস্তুকনা গুলো এক ঐক্যবদ্ধ হয়ে ভর এবং এর ফলেই এই মহাবিশ্ব সৃষ্টি সম্ভব হয়েছে। ধারনা করা হয়ে থাকে বিগ ব্যাং এর সাথে সাথে কিছু কনার উৎপত্তি ঘটেছিল যারা ছিল ভরবিহীন। কিন্তু পরবর্তীতে এরা ভর লাভ করে। আর মহাবিশ্বের সুচনালগ্নের এই ভরহিন কণার জন্য হিগস ফিল্ড নামক একটি সীমানা গঠন করে।

এ কণাটিই ‘ঈশ্বর কণা’ নামে পরিচিতি পায়। বিজ্ঞানী পিটার হিগস এর নামানুসারে এর নামকরন করা হয়। এই সীমানাকে আমি হিগস ফিল্ড ধরলাম কেনো? হিগস ফিল্ড ধরার যুক্তিসংগত কারন হলো হিগস ফিল্ড এমন একটা তাত্ত্বিক ক্ষেত্র যা অদৃশ্যমান এবং চুম্বক শক্তি এর মতো যা মহাবিশ্বের সীমানা নির্ধারন করে। হিগস ফিল্ডই একমাত্র ক্ষেত্র যে স্থানেই বস্তুকে বিছিয়ে দেওয়া যায় বা হিগস ফিল্ডের সাথে ইন্টেরেক্ট ঘটিয়ে এনার্জি থেকে ভর সৃষ্টি হয়ে বস্তু গঠন হয় । যেখানে হিগস ফির্ড নেই সেখানে বস্তু গঠন হয় না অথাৎ বস্তুর ভর পাইনা। সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্চে হিগস ফিল্ডই একমাত্র ক্ষেত্র যা মহাবিশ্ব সম্প্রসারনের সাথে সম্প্রসারিত হচ্ছে । হিগস ফিল্ড যদি না থাকতো, তাহলে মহাবিশ্বে হয়তো আলো ছাড়া আর কিছুই থাকতো না। আমরা যাকে 'ম্যাস' বা 'ভর' বলি, কোন বস্তুরই সেই 'ভর' থাকতো না অথাৎ কঠিন আকারে তৈরী হতো না। কিন্তু এখন আমরা জানি যে, বস্তুর ভর কোত্থেকে আসে, সে সম্পর্কে আমরা এতদিন যে ধারায় চিন্তা করছিলাম, সেই চিন্তা সঠিক। কারন হিগস ফিল্ডের সাথে ডার্ক এনাজি, ডার্ক মেটাল এবং কোয়ান্টাম গ্রাভিটির একটি সম্পৃক্ততা আছে। হিগস ক্ষেত্রই পরমাণুর ভর সৃষ্টির মধ্য দিয়ে মহাবিশ্ব গঠনের কারন। তাছাড়া হিগস্ ফিল্ড ই হলো আকাশমন্ডল শব্দটির একমাত্র গ্রহণযোগ্য ব্যাক্ষা।
প্রিয় পাঠক, এবার আসুন আল কোরানের এই আয়াতটির পরবতী অংশে ‘এবং আমিই মহাসম্প্রসারণকারী।’ তাহলে এখন প্রশ্ন এই সীমারেখার মধ্যে এমন কিছু আছে যা এই সীমারেখাকে মহাসম্প্রসারন করতে বাধ্য করছে? এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী আন্দ্রে লিন্ডে। তিনি উপলদ্ধি করতে পারছেলেন সৃষ্টির শুরুতে একটি একটি অদৃশ্য শক্তির আগমন ঘটেছিলো যে শক্তি সমগ্র মহাবিশ্বকে সকল দিক থেকে একই সাথে সমান ভাবে সম্প্রসারন করেছিলো। এই সম্প্রসারনের পিছনে একটি শক্তি কাজ করেছিলো? যে শক্তি বলে এই মহাবিশ্ব এত বিশাল হয়েছে এবং এখনও সম্প্রসারিত হয়েই চলেছে। আধুনিক বিজ্ঞানের বর্তমান উদ্ঘাটিত তথ্য উপাত্ত দ্বারা এটা প্রমানিত হচ্ছে যে মহাবিশ্ব সম্প্রসারনের পিছনে কাজ করছে একটি গুপ্ত শক্তি। তারা দীর্ঘদিন ধরে উপলদ্ধি করতে লাগলেন মহাকর্ষের টানে বস্তুর প্রসারনের হার কমে কিন্ত তা না ঘটে, ঘটছে ঠিক তার উল্টাটা। কোন রহস্যময় শক্তির প্রভাবে এই মহাকর্ষ বলকে পাশ কাটিয়ে বস্তুর ক্রমশ প্রসারণই ঘটছে। ব্যাপক পর্যবেক্ষণ, পরীক্ষণ ও গবেষনার একপর্যায়ে বিজ্ঞানীরা এই সীদ্ধান্তে উপনীত হন এই সমগ্র মহাবিশ্বের ৭৩% অংশজুড়ে গুপ্ত একটি শক্তি বিদ্যমান। বিজ্ঞানীরা তার নামকরণ করলেন “ডার্ক এনার্জি”এবং এই গুপ্ত শক্তিই মহাকর্ষ বলকে পাশ কাটিয়ে মহাবিশ্ব প্রসারণের কারন।
বিশিষ্ট বিজ্ঞানী আন্দ্রেলিন্ডে বিগ ব্যাং থিওরির কিছু ভূল ভ্রানিত তুলে ধরতে তার একটি লেখাতে তিনি বলেন “ অতি উত্তপ্ত অবস্থা থেকে যদি মহাবিশ্বের উৎপত্তি হয়ে থাকে তবে এটি সবচেয়ে বেশি হলেও ১০ টি কনিকা তৈরী করতে পারে না। কিন্তু মহাসম্প্রসারনের এই চুড়ান্ত পরিনতি তাকে এত বিশালত্বের পরিমাপে বর্ধিত করলো কি করে? শুন্য হতে উদ্ভুত কনিকা কি করে ভয়াবহ মূর্তীতে জেগে ওঠেতে পারে মহাবিশ্বরুপে ? এমনকি ষ্টার্ন্ডাড বিগ ব্যাং তত্ত্ব এই সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম হচ্ছিলো না। এই প্রশ্নের উত্তর ভাবতে গিয়েই বিশিষ্ট বিজ্ঞানী এ্যালেন গুথ ধারনা করলেন কিছু কিছু সময় মধ্যাকর্ষন শক্তি শুধু ধ্বনাত্বক চাপই সৃষ্টি করে না ঋনাত্বক চাপও সৃষ্টি করে। আর এই ঋনাত্বক চাপ সৃষ্টির জন্য মহাবিশ্বের শুরুতে একটি মেকি ভ্যাকুয়ামের প্রয়োজন ছিলো। এই মেকি ভ্যাকুয়ামের ঋনাত্বক চাপ মহাবিশ্বকে এত দ্রুত বর্ধিত করে প্রসারিত করে দিতে পেরেছে। এই মেকি ভ্যাকুয়ামের তীব্র বির্কষন মূলক শক্তির মান আর্কষন শক্তির ৩ গুন। সুপ্ততাপের মাধ্যমে অতিরিক্ত শক্তির যে যোগানটা এসেছিলো সেটাই দিয়েছিলো বির্কষন মুলক ধাক্কা। এই তীব্র বিকর্ষন তৈরী হয়েছিলো বলেই মহাবিশ্ব এতটা দ্রুত সম্প্রসারিত হতে পেরেছিলো। যে ধাক্কা মহাবিশ্বকে তার ক্ষুদ্র প্লাঙ্ক লেন্থ থেকে ১০(৩৫) সেকেন্ডের মধ্যে মহাবিশ্বকে বাড়িয়ে দিলো ১০(২৬) গুনিতক হারে। বিজ্ঞানী এ্যালেন গুথের ধারনা বিকষর্ণমূলক কোন পদার্থ থেকে এই ইনফ্লেশন ঘটতে পারে। ইনফ্লেশনের এই প্রাথমিক বীজ আসতে পারে আনুবীক্ষনিক আকারের কোন পদার্থ থেকে। এ্যালেন গুথ তার গবেষনায় দেখিয়েছিলেন মাত্র এক আউন্স ওজনের একটি ভর থেকে ইনফ্লেশন যাত্রা শুরু করতে পারে। আর সেই থেকে ধারনা করা হয় বিগব্যাংগের পূর্বে কিছু একটা ছিলো অথবা বিগব্যাং ইনফ্লেশনের কারন নয় বরং ইনফ্লেশনের কারনে বিগব্যাং ঘটেছিলো । অতএব বিগব্যাংই ঘটনার মূল কারন নয়।
বিজ্ঞানী এ্যালেন গুথের মতে আমাদের চোখের পলক ফেলতে যে সময় লাগে তার চেয়ে ঢের কম সময়ে মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়ে গিয়েছিলো। আল কোরআন ঠিক একই কথা বলছে “ আমার আদেশ একবারই মাত্র যাহা চোখের পলকের ন্যায়- আল কামার আয়াত ৫১” । এত কম সময়ে এই সম্প্রসারন কিভাবে ঘটতে পারে? এই গবেষনা করতে গিয়ে এ্যালেন গুথ দেখেন’ সুপ্ততাপের মাধ্যমে অতিরিক্ত শক্তির যে যোগানটা এসেছিলো সেটাই দিয়েছিলো বির্কষন মুলক ধাক্কা আর এই ধাক্কার ফলে মহাবিশ্বটি সম্প্রসারিত হয়েছে। এখনও পযর্ন্ত সেই সম্প্রসারণ মহজগতে বিরাজমান।
প্রিয় পাঠক, এবারে আমরা এই আয়াতের পরবতী অংশ নিয়ে আলোচনা করবো। “আর ভূমী! আমি উহাকে বিছাইয়া দিয়াছি। আমি কত সুন্দর প্রসরণকারী ”। আয়াতের এই অংশে ভুমী বলতে কিন্তু পৃথিবী বোঝানো হয় নাই। আয়াতের এই অংশে ভূমী বা জমিন বলতে বোঝানো হয়েছে মহাজাগতিক সকল বস্তু সমূহকে। জমিন বলতে এখানে বস্তু সমূহকে বোঝানো হয়েছে। মহাকাশে যত গ্যালাক্সি থেকে শুরু করে গ্রহ,উপগ্রত, স্টার, নেবুলা আছে এককথায় যা কিছু বস্তু জগৎ এই সকল বস্তু সমূহকে জমিন বলা হচ্ছে। যে বিষয়টি আমরা লক্ষ্য করছি সেই বিষয়টি হলো ভূমী উহাকে বিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখানে অনেক তাফসীরকারক বা অনেকেই ভূমী শব্দটি বলতে পৃথিবী বোঝাচ্ছেন কিন্তু এটি ঠিক নয়। কারন পৃথিবীকে বিছিয়ে দেওয়া যায় না। আবার অনেকেই এখানে ভূমন্ডল আবার কেউ জমিন জাতীয় শব্দ অনুবাদ করছেন। ভূমন্ডল বলেন আর জমিন বলেন যা বিছিয়ে দেওয়া যায় বা ছড়িয়ে দেওয়া যায় অর্থে সমগ্র মহাবিশ্নের বস্তুজগত বোঝানো হয়েছে। মহাবিশ্নে যা কিছু বিরাজিত যা কিছু দেখা যায় অর্থে শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে কানাডার ফিজিক্স এন্ড এ্যাষ্ট্রোনমি ডিপার্টমেন্ট এর বিজ্ঞানীগন ‘কিভাবে এই মহাবিশ্ব নাস্তি থেকে প্রকাশিত হলো, কিভাবে এতবড় হলো এই বিষয়বস্তু নিয়ে গবেষনা শুরু করেন। বিখ্যাত সায়েন্স ম্যাগাজিন Physics-Astronomy ‘ওয়াটারলু ইউনির্ভানিটির প্রফেসর মির ফজল এর সাক্ষাতকার গ্রহন করেন। ম্যাগাজিনটির সংবাদের কিছু অংশ তুলে ধরলাম---
A group of scientists led by Prof Mir Faizal, at the Dept of Physics and Astronomy, at the University Of Waterloo, Canada, has positively applied the theory to the very creation of existence itself. Prof Mir Faizal: “Virtual particles contain a very small amount of energy and exist for a very small amount of time. However what was difficult to explain was how did such a small amount of energy give rise to a big universe like ours?”
Prof Mir used some mind-bending mathematics and two current theories:
• The Minimum Length Scale – a size so infinitesimally small that space and time cease to exist.
• Doubly Special Relativity – which takes advantage of the massive energies available just after the birth of the universe.
Under Inflation Theory the minute energies and lifetime of the virtual particle become infinitely magnified, finally resulting in our 13.8 Billion-year-old universe. Just to make things more complex Dr Mir says we have been trying to answer the question ‘how did the universe come from nothing?’ all wrong. According to the astonishing findings, the question is irrelevant as the universe STILL is nothing. Dr Mir Faizal said: “Something did not come from nothing. The universe still is nothing, it’s just more elegantly ordered nothing.” He also added that the negative gravitational energy of the cosmos and the positive matter energy of the cosmos essentially balanced out and generated a zero sum.
পাঠক লক্ষ্য করুন গবেষক বিজ্ঞানী মীর ফজল বলছেন মহাবিশ্বের negative gravitational energy এবং positive matter energy সমতার ভিত্তিতে এই মহাবিশ্বের সম্প্রসারন ঘটিয়েছে।

পাঠক লক্ষ্য করুন আল কোরআন ঠিক একই কথা বলছে। আল কোরআন বলছে- “আমি আকাশমন্ডল সৃষ্টি করেছি আমার শক্তি বলে এবং আমিই মহাসম্প্রসারণকারী। আর ভূমী! আমি উহাকে বিছাইয়া দিয়াছি। আমি কত সুন্দর প্রসরণকারী” (৫১.৪৭-৪৮)। ‘আসমান’ বলতে এখানে মহাবিশ্বের হিগস ফিল্ডের সীমারেখা বোঝানো হচ্ছে। যে সীমারেখাকে ডার্ক এনার্জী নামক গুপ্ত শক্তি দিয়ে মহাবিশ্বকে সম্প্রসারণ ঘটিয়ে এত বিশাল করে তুলেছেন। তাহলে আমরা উপলদ্ধি করতে পারছি মহাবিশ্ব সৃশ্টির শুরুতে একটি বিকর্ষণ মূলক শক্তি কাজ করেছিলো। আল কোরআন ও বিজ্ঞান একই কথা বলছে। অথাৎ আল্লা তার শক্তি হতে চোখের পলকে negative gravitational energy দ্বারা মহাবিশ্বকে সম্প্রসারন করেছেন । যখন প্রাথমিক সম্প্রসারন হয়ে গেছে তখন তিনি ভূমী গুলোকে মহাবিশ্বের মাঝে বিছিয়ে দিয়েছেন। এই বিছিয়ে দিতে বা ছড়িয়ে দিতে তিনি positive matter energy কে ব্যবহার করেছেন। হিগস ফিল্ডের ইন্টারেক্ট এখানে গুরুত্বপূর্ন বিষয়। পরবর্তী আয়াতটি লক্ষ করুন। বলা হচ্ছে “ভূমীকে তিনি বিছাইয়া দিয়েছেন এবং তিনিই সুন্দর প্রসারণকারী”। ভূমী বলতে এখানে বোঝানো হচ্ছে মহাজাগতিক বস্তুসমূহ। এই বস্তুসমূহ positive matter energy নামক শক্তির কারনে বা এক ঐক্যবদ্ধ থাকছে। উদাহরনস্বরুপ বলা যায় গ্যালাক্সি সমূহ। অসংখ্য নক্ষত্রসমূহ গ্যাস মহাজাগতিক ধুলীকনা নিয়ে এক একটি গ্যালাক্সি এক ঐক্যবদ্ধ থাকছে। একটি আকৃতি তৈরী করছে। এই সকল আকৃতি সমুহ বস্তু সমূহকে তিনি মহাবিশ্বের সীমারেখার মাঝে ছড়িয়ে দিয়েছেন এবং তাদের অভ্যন্তরস্থ এক শক্তির কারনে তাদের আলাদা আলাদা আকৃতি গঠন করেছেন। আল কোরআনও ঠিক এখানে negative gravitational energy এবং positive matter energy এই দুটি বিষয়কে উত্থাপিত করেছে।
বিজ্ঞানীদের বক্তব্য ও তাদের গবেষনা থেকে এটা বোঝা যায় এই মহাবিশ্ব সৃষ্টির জন্য একটি শক্তির প্রয়োজন ছিলো আর সেই শক্তিই এই মহাবিশ্বকে বিকর্ষনমূলক শক্তিরুপে এত বিশাল রুপে সম্প্রসারণ ঘটিয়েছে, সৃষ্টি করেছে সীমারেখা। আল কোরআন ও এমন বলছে “আমার শক্তি বলে-আমি সম্প্রসারণকারী”। সেই শক্তি আকর্ষনমূলক শক্তিরুপে মহাবিশ্বের সকল বস্তুসমূহের খন্ড খন্ড প্রতিচিত্র সৃষ্টি করেছে। সৃষ্টি করেছে আলাদা আলাদা সত্ত্বা, আলাদা আলাদা গ্যালাক্সি। বিজ্ঞানীদের এই বক্তব্যই যদি সত্য হয়ে থাকে তাহলে একথা অনস্বীকার্য যে আল কোরআনই আমাদেরকে সঠিক সত্য পথ দেখাচ্ছে জ্ঞানচক্ষু রুপে। এক্ষেত্রে কানাডার পর্দাথবিজ্ঞানী মীর ফজল এর উক্তিই সত্য “Something did not come from nothing. The universe still is nothing, it’s just more elegantly ordered nothing.” He also added that the negative gravitational energy of the cosmos and the positive matter energy of the cosmos essentially balanced out and generated a zero sum.”
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুন, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


