somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সায়েন্টিফিক তাফসীর – সুরা মূলক আয়াত নং ৫

২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



সায়েন্টিফিক তাফসীর – সুরা মূলক আয়াত নং ৫

“আমি নিকটবর্তী আকাশকে সুশোভিত করিয়াছি প্রদীপমালা দ্বারা এবং উহাদেরকে করিয়াছি শয়তানের প্রতি নিক্ষেপের উপকরণ এবং উহাদের জন্য প্রস্তুত রাখিয়াছি জ্বলন্ত অগ্নির শাস্তি”। সুরা মূলক আয়াত নং ৫

আমি লক্ষ্য করেছি অসংখ্য নাস্তিক এই আয়াতটি নিয়ে অট্টহাসে হাসতে থাকে। হাসাহাসির কারন শয়তানের দিকে নক্ষত্র নিক্ষেপ। উপহাস করে বলে শয়তানের দিকে আল্লায় নক্ষত্র ছুড়ে মারে। হা হা হা হা হা।নাস্তিকদের এহেন আচরনের কারনেই আল কোরআনে সূরা আল-ইমরান এর ৭ নম্বর আয়াতটি বলছে, আল্লাহ্তাআলা আপনার উপর কিতাব (কুরআন) নাযিল করেছেন, যার মধ্যে কিছু আয়াত সুস্পষ্ট এবং সেগুলোই কিতাবের মূল ভিত্তি, আর কিছু আয়াত রূপক।যাদের অন্তরে বক্রতা আছে, তারা ফিতনা ও অপব্যাখ্যা খোঁজার জন্য রূপক আয়াত গুলো অনুসরণ করে।”এই বক্র শ্রেণির মানুষগুলোর হাসির খোরাক জোগাতে তারা নিজেরাই যে হাসির পাত্র হযে পড়ে সেটি তারা বোঝে না। তারা হাসে শয়তানের প্রতি নক্ষত্র নিক্ষেপ করেন। কিন্তু এই নক্ষত্র শব্দটি তৎকালীন ১৪০০ বৎসর পূর্বের মানুষ কিভাবে বুঝবে?
পাঠক, লক্ষ্য করুন খুবই প্রাঞ্জল ভাষায় একটি কথা বলা আছে। যার মধ্যে লুকিয়ে আছে ব্যপক বৈজ্ঞানিক তথ্য। আল্লাহ আকাশে এমন কিছু প্রদীপমালা রেখেছেন যা শয়তানদের প্রতি নিক্ষেপ করা যায়। বলুনতো প্রিয় পাঠক আকাশে বা উপরে এমনকি কোন উপকরণ আছে যা দিয়ে শয়তানদের প্রতি নিক্ষেপ করা যায়? আপনিও যদি ঐঅসব নাস্তিকদের মতো শয়তান বলতে বিশাল একটি অলোৗকিক প্রানী ধরে নেন তাহলে ভূলটি হবে। তাহলে শয়তান কি? এই আয়াতের শয়তার বলতে মানুষের মাঝে একটি শ্রেনি যারা খারাপ তাদের বুঝোনো হয়েছে। এই শয়তান আযাযিল বা ইবলিশ নয় এই শয়তানেরা মানুষরুপী শয়তান। লক্ষ্য করুন আল কোরআনের আরেকটি আয়াত -“আর যখন তারা মুমিনদের সাথে মিলিত হয়, তখন বলে ‘আমরা ঈমান এনেছি এবং যখন তাদের শয়তানদের সাথে একান্তে মিলিত হয়, তখন বলে, ‘নিশ্চয় আমরা তোমাদের সাথে আছি। আমরা তো কেবল উপহাসকারী “। এ আয়াতে শয়তান বলতে মানুষেরই একটি শ্রেণিকে বোঝানো হয়েছে। পৃথিবীর মধ্যে অস্তিতিশীল মানুষেরই একটি বিশাল জাতিস্বত্তার কথা বোঝানো হয়েছে। শয়তানদের প্রতি নিক্ষেপের উপকরণ হিসেবে জলন্ত অগ্নির শাস্তি আকাশ থেকে প্রেরন করা হবে। ধ্বংশ করা হবে তাদের অহংকার। যারা স্রস্ঠার বিশ্বাসের প্রতি অহংকারীর মতো আচরবন করেন। এমন যুগে যুগে বা হাজার কিংবার মিলিয়ন বছরে এমনি গজব দিয়ে আল্লাহ মানবজাতির মধ্যে শয়তান শ্রেনি কে ধ্বং স করেন।

আয়াতের পরবর্তী অংশটি লক্ষ্য করুন। উহাদের জন্য প্রস্তুত রাখিয়াছি জলন্ত অগ্নির শাস্তি। সহজ প্রশ্বের সহজ উত্তর। আকাশ থেকে কোন জাতীয় জোতিস্ক পৃথিবীতে আঘাত হানে? উল্কাপিন্ড, ধুমকেতু, গ্রহানু এজাতীয় কিচু। আলোচ্য আয়াতে এস্টিরয়েড বেল্ট গ্রহানু প্রঞ্জের গ্রহানুসমূহকে বোঝানো হয়েছে । গ্রহাণু বেল্ট হল মহাকাশের একটি অঞ্চল যেখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সূর্যকে কেন্দ্র করে আবর্তিত। মঙ্গল ও বৃহস্পতির কক্ষপথের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত গ্রহানু বেষ্টনী সৌরজগতের অংশবিশেষ। এরপর আরও কিছু গ্রহাণুর বেল্প রয়েছে যেগুলো কুইপার বেল্ট হিসেবে পরিচিত। মূল কথা,গ্রহাণু বেষ্টনী বা কুইপার বেল্ট নিজেদের পরিপূর্ণ রূপ নিতে পারে নি। এদের ব্যর্থ বৃহৎ গ্রহও বলা যেতে পারে। এগুলো যদি সম্পূর্ণভাবে একত্রিত হতে পারতো তবে হয়তো গ্রহে পরিণত হতো। কিন্তু তা না হয়ে এরা খন্ড খন্ড পাথরের টুকরা হয়ে একটি কক্ষপথ তৈরী করে মঙ্গলের পাশে একটি কক্ষপথে সুর্যকে কেন্দ্র করে ঘরছে। প্রায় ৪.৬ বিলিয়ন বছর আগে, আমাদের সৌরজগৎ গঠিত হওয়ার সময়, মহাকাশে ধূলিকণা ও গ্যাসের বিশাল মেঘ ছিল, যা সৌর নীহারিকা নামে পরিচিত ছিল। এই নীহারিকার ধূলিকণা ও বরফের কণাগুলো একত্রিত হয়ে ছোট ছোট পাথুরে পিন্ড তৈরি করে, যা ভ্রূণগ্রহ (planetesimals) নামে পরিচিত।এই ভ্রূণগ্রহগুলো একত্রিত হয়ে গ্রহের আকার ধারণ করার চেষ্টা করছিল। কিন্তু বৃহস্পতি গ্রহ যখন তার বর্তমান ভরের কাছাকাছি আসে, তখন তার শক্তিশালী মহাকর্ষীয় টানে এই ভ্রূণগ্রহগুলো বিক্ষিপ্ত হয়ে পড়ে এবং তাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। মঙ্গল ও বৃহস্পতির কক্ষপথের মাঝের অঞ্চলে এই ভ্রূণগ্রহগুলো গ্রহের আকার নিতে পারেনি, বরং সংঘর্ষের ফলে ভেঙে ছোট ছোট টুকরায় পরিণত হয়, যা গ্রহাণু বেল্ট নামে পরিচিত।



প্রিয় পাঠক, এই আয়াতে শয়তানের উপর নিক্ষিপ্ত জোতিস্কসমূহ বা ‍উপকরনসমূহ বলতে গ্রহানুসমূহকেই বোঝানো হয়েছে। এবং উহাদের জন্য প্রস্তুত রাখিয়াছি জলন্ত অগ্নির শাস্তি বলতে এ্যাস্টির্য়েরড বেল্ট এলাকাকেই বোঝানো হয়েছে। আল্রাহ বলছেন তিনি গুহানুপুঞ্জ বা এস্টিরয়েড বেল্ট সৃষ্টি করেছেন পৃথিবীর বুকে মানুষ নামক শয়তানের প্রতি নিক্ষেপের উপকরন হিসেবে। সহজভাবে যদি বোঝার চেষ্টা করেন তাহলে বুঝবেন আল্লাহ রাব্বুল আলামিন গ্রহানুর আঘাতে পৃথিবীর মধ্যকার মানুষের একটি শ্রেনি শয়তানদের ধ্বংশস্তুপে পরিনত করার হুমকি দিচ্ছেন। পৃথিবীতে গ্রহাণুর আঘাত সত্যিই একটি বাস্তব ঝুঁকি, যা অতীতে বড় বিপর্যয় ঘটিয়েছে (যেমন ডাইনোসরের বিলুপ্তি এবং ভবিষ্যতে ঘটতে পারে, তবে NASA সহ মহাকাশ সংস্থাগুলো সম্ভাব্য বিপজ্জনক গ্রহাণু পর্যবেক্ষণ ও ট্র্যাক করছে; যদিও '2024-YR4' এর মতো কিছু গ্রহাণুর আঘাতের আশঙ্কা (২০৩২ সালে) একসময় থাকলেও, পর্যবেক্ষণের পর সেই ঝুঁকি কমে গেছে বা বাতিল হয়েছে। তবে বড় ধরনের গ্রহাণুর আঘাত বিরল হলেও তা বৈশ্বিক বিপর্যয় ঘটাতে সক্ষম।



এখন প্রশ্ন পৃথিবীর বুকে এই জাতীয় গ্রহানুর আঘাতে কি এরুপ শয়তানের সাম্রাজ্য ধ্বংশ হয়েছে? ইতিহাস কি বলে? অতীতে এমন সভ্যতা ধ্বংশ হয়েছে গ্রহানুর আঘাতে। গ্রহানুর আঘাতে ফলে ভুমিকম্প সুনামি বহু প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারনে বিলীন হয়ে গেছে মনুষ্য সভ্যতা! এস্টিরয়েডের আঘাতে ধ্বংশস্তুপে পরিনত হয়েছে, বিলীন হয়েছে। যার জলজ্যান্ত উদাহরন জর্দানের ডেড সী বা মৃত সাগরের স্থানটি। আল কোরআনে বলা আছে “সূর্যোদয়ের সময় মহানাদ তাদের আঘাত করে। অতঃপর আমি জনপদটিকে উল্টে দিলাম ও তাদের ওপর কঙ্কর বর্ষণ করলাম। নিশ্চয়ই এতে চিন্তাশীলদের জন্য নিদর্শনাবলি রয়েছে। পথের পাশে ওই জনপদের ধ্বংসাবশেষ এখনো বিদ্যমান। (সুরা : হিজর ৭৩-৭৬) এই আয়াতটি পর্যালোচনা করলে জানা যায়-আজ থেকে ৩১০০ বছল পূর্বে বর্তমান জর্দান ও ঈসরাইলের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত ডেড সী বা মৃত সাগরের স্থানটিতে ছিলো সদম ও গোমরাহ নগর। তারা উন্নতির চরম শিখরে উন্নীত হওয়ার কারণে সীমা লঙ্ঘনকারী জাতিতে পরিণত হয়েছিল। পূর্বেকার ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতিগুলির ন্যায় তারা চূড়ান্ত বিলাস-ব্যসনে গা ভাসিয়ে দিয়েছিল। অন্যায়-অনাচার ও নানাবিধ দুষ্কর্ম তাদের মজ্জাগত অভ্যাসে পরিণত হয়ে গিয়েছিল। এমনকি পুংমৈথুন বা সমকামিতার মত নোংরামিতে তারা লিপ্ত হয়েছিল, যা ইতিপূর্বেকার কোন জাতি এতটা ব্যাভিচার করতো না। এক গ্রহানুর আঘাতের সঙ্গে সঙ্গে এক শক্তিশালী ভূমিকম্প পুরো নগরটি সম্পূর্ণ উল্টিয়ে ধ্বংশস্তুপে পরিনত করে দেন পাশাপাশি আকাশ থেকে বৃষ্টির মতো গ্রহানু নিক্ষিপ্ত হওয়ার ফলে সমগ্র সভ্যতা বিলীন হয়ে যায় এবং সেখানে একটি মৃত সাগরে পরনিত হয়। যা আজ ডেড সী নামে পরিচিত। ফিলিস্তিন ও জর্দান নদীর মধ্যবর্তী স্থানে বিশাল অঞ্চলজুড়ে নদীর রূপ ধারণ করে আছে এটি। জায়গাটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে বেশ নিচু। এর পানিতে তেলজাতীয় পদার্থ বেশি। এই পানিতে কোন কিছু ডোবে না। এতে কোনো মাছ, ব্যাঙ, এমনকি কোনো জলজ প্রাণীও বেঁচে থাকতে পারে না। এ কারণেই একে ‘মৃত সাগর’ বলা হয়। সাদুম উপসাগরবেষ্টিত এলাকায় এক ধরনের অপরিচিত উদ্ভিদের বীজ পাওয়া যায়, সেগুলো মাটির স্তরে স্তরে সমাধিস্থ হয়ে আছে। সেখানে শ্যামল উদ্ভিদ পাওয়া যায়, যার ফল কাটলে তার মধ্যে পাওয়া যায় ধুলাবালি ও ছাই। এখানকার মাটিতে প্রচুর গন্ধক পাওয়া যায়। এই গন্ধক উল্কাপতনের অকাট্য প্রমাণ। এ শাস্তি এসেছিল গ্রহানুর আঘাত, ভয়ানক ভূমিকম্প, সুনামি ও অগ্নি উদিগরণকারী বিস্ফোরণ আকারে। ভূমিকম্প সে জনপদকে ওলটপালট করে দিয়েছিল।





সুতরাং প্রিয় পাঠক মানবজাতি স্রষ্টার বিশ্বার থেকে ফিরে গিয়ে অসভ্য নোংরা সভ্যতা গড়ে তুললে আবারো তাদের উপর এরুপ ধ্বংশলীলা প্রেরণ করা হবে সেটি প্রুকাশ করা হয়েছে। ১২ নং আয়াতের পরবর্তীতে ১৩ নং আয়াতে লক্ষ করুন। বলা হচ্ছে। “এর পরেও যদি ওরা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে (ওদেরকে) বল, আমি তো তোমাদেরকে এক ধ্বংসকর শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করেছি; যেরূপ শাস্তির সম্মুখীন হয়েছিল আ’দ ও সামূদ;”। সুতরাং পৃথিবীর মধ্যে স্রষ্টা বিরোধীতা মানেই ধ্বংশলীলা। কারন আল কোরআন বলে - হে মানুষ তোমরা কি নিশ্চিত আমি তোমাদের উপর প্রস্তরখন্ড নিক্ষিপ্ত করাবো না?

সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৪৫
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ব্লগার কলিমুদ্দি দফাদারের দু'টি প্রশ্নের উত্তরে কিছু কথা...

লিখেছেন নতুন নকিব, ২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৪৫

ব্লগার কলিমুদ্দি দফাদারের দু'টি প্রশ্নের উত্তরে কিছু কথা...

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

আমার তায়াম্মুম: ইসলামী শরীয়তের সহজীকরণ নীতি ও বাস্তব প্রয়োগ পোস্টটি প্রকাশের পরে ব্লগার সৈয়দ কুতুবকে উদ্দেশ্য করে ব্লগার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে আমেরিকান কূটনীতিকদের প্রধান কাজ কী?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৮



বাংলাদেশে আমেরিকান দূতাবাসের এক বৈঠকের ফাঁস হওয়া অডিও রেকর্ডিং থেকে জানা যায়, আমেরিকা বাংলাদেশে একসময়ের নিষিদ্ধ জামাতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়তে আগ্রহী। সেখানে উল্লেখ আছে, সামনের নির্বাচনে জামাত ইতিহাসের সবচেয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=কাছে থেকেও কেউ রয়ে যায় দূরে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:১৫


ব্যবধান সে থেকে যায়, না থাকলে আন্তরিকতা;
বুঝা যায় মনোভাব, মুখে মধু
অন্তরে যে কী, কে জানে!
কাছের মানুষগুলো
এমন করেই রয়ে যায় দূর।

কেউ কেউ দূরে থেকেও কেমন যেন
মন ছুঁয়ে রয়ে যায়
কিছু হাসির... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেতন বৃদ্ধি ও আমজনতার উন্নয়ন

লিখেছেন কিরকুট, ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:০০




উপরের এই ছবির বক্তব্যটা আসলে খুবই যুক্তিসঙ্গত , এই বক্তব্যের আড়ালে গভীর এক বাস্তবতার দিকে আঙুল তোলা হয়েছে।

উন্নয়ন কার জন্য, এই প্রশ্নটা আমরা প্রায়ই এড়িয়ে যাই। সংখ্যার আধিক্য ,... ...বাকিটুকু পড়ুন

Trump-Overtrump: তেহরান কি পারবে ওয়াশিংটনকে টেক্কা দিতে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:২১


শীতের এক সকালে, দাভোসের পাহাড়ি শহর থেকে ফেরার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ানের ভেতর বসে ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের বললেন, "আমি চাই না খারাপ কিছু ঘটুক।" কিন্তু তার পরের বাক্যটি ছিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×