somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মোঃ জাবেদ ভুঁইয়া
আমি রক্ত বন্যা দেখিনি কোথাও,nদেখেছি চোখের কান্না।nসে অশ্রু ফোটায় ম্লান হয়েছেnহীরা, মতি, মণি, পান্না।

বইমেলায় "বিভাজন"

০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ৯:১৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


এবারের অমর একুশে গ্রন্থমেলায় আসছে আমার প্রথম গল্পগ্রন্থ "বিভাজন"। মোট দশটা গল্প নিয়ে এই বই। প্রকাশিত হচ্ছে দাঁড়িকমা প্রকাশনি থেকে।
বই মেলায় ৩৮৮, ৩৮৯ স্টলে পাবেন বইটি।
ব্লগারদের স্টলে আসার জন্য বিনীত অনুরোধ রইল :)

আমার এই একক সংকলনটি কিছু কথাঃ

গল্প সংকলন অনেক রকমের হয়। সংকলিত গল্পগুলোর প্রকারের উপর গল্প সংকলনের প্রকার পরিবর্তন হয়। এই গল্প সংকলনটারও হয়তো একটা প্রকার আছে। কিন্তু সেই প্রকার হিসেবে ঠিক কি বলব সেটা নিয়ে কিছুটা দোটানার মধ্যে আছি। কারণ এই বইয়ের এক একটা গল্প একেক রকমের। কোনটা গা ছমছমে কোন ভূতের গল্প আবার কোনটা প্রেমের। কোনটাতে হয়তো খুকুর সাথে আপনি চলে যেতে পারবেন রূপকথার রাজ্যে আবার কোনটায় কোন এক চরিত্রের সাথে দেখতে পারবেন সমাজের নির্মম বাস্তবতা। সুতরাং এই সংকলনটাকে খিচুরি ধরনের সংকলন বললেও খারাপ হয়না।
সংকলনের গল্পগুলো বেশ সময় ধরে লেখা। যার প্রথম গল্পটা লেখা হয়েছিল ২০১২ এর দিকে এবং শেষটা ২০১৬। এই দীর্ঘ সময় লাগার কারণ যে প্রত্যেক গল্প অনেক সময় নিয়ে লেখা এমনটা নয়, সময়টাকে দীর্ঘ করেছে এককটা গল্পের মাঝখানের সময়সীমাটা। এমনও হয়েছে একটা গল্প লেখার প্রায় ছয় সাত মাস পরে আরেকটা গল্প লিখেছি। আমার মনে হয় একেকটা গল্প একেক ঘরানার হওয়ার এইটা একটা বড় কারণ হতে পারে। এইযে সময়ের পরিবর্তন, এর মধ্যের আমার বয়স বেড়েছে, আশেপাশের পরিবেশ বদলেছে, বদলে গেছে মানুষজন। আর এই সব কিছুর সাথে বদলে গেছে আমার গল্পের প্রেক্ষাপটও।
যাহোক, জ্ঞানী জ্ঞানী ভাব নিয়ে লম্বা ভূমিকা লেখার ইচ্ছা বা সামর্থ্য কোনটাই আমার নেই। শেষ মেষ একটা কথা বলেই শেষ করব ভূমিকা।
এইযে বইটা, ১০ টা গল্প নিয়ে মলাটবদ্ধ। এটা খালি দশটা গল্পই নয়, এটা আমার জীবনের চারটা বছর আর এই কবছরে আমার কল্পনা, আমার প্রেম আর আমার দেখা সমাজের প্রতিচ্ছবি।
সবশেষে ধন্যবাদ দেব, আবদুল হাকিম ভাইকে। ওনার কারনেই অজ্ঞাতে ঘুমিয়ে থাকা গল্প গুলো পাঠকের হাতে যাওয়ার সুযোগ পেল।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ৯:১৮
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৭

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

মঙ্গলবার রাত ১০টা ২৭ মিনিট। গুলশানের একটি হাসপাতালে থেমে গেল ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের হৃদয়- দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর।

আর ঠিক তখন, শহরের অন্য প্রান্তে, মুন্সিগঞ্জ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিকাশ নূরা এবং হিরো আলমকে যারা প্রধানমন্ত্রী ভাবতেন ;)

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



একজন মানুষের জ্ঞান-বুদ্ধি, শিক্ষা-দীক্ষা থাকার চাইতেও জরুরী বিষয় হচ্ছে তার অন্তর্দৃষ্টি থাকা। অন্তর্দৃষ্টি, অন্তরচক্ষু বা জ্ঞানচক্ষু সম্পন্ন একজন ব্যক্তিকে কখনোই ধোঁকা দেওয়া বা ধোঁকায় ফেলানো সম্ভব নয় কারণ এরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙ্গালী কেন মুসলমান হতে পারে না?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৫

অনারব টার্কিশ, কুর্দি আর ইরানিয়ানরা তাদের নিজ নিজ ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষন করে ও তা ধারন করেও তারা মুসলিম, পাকিস্তানের পাঞ্জাবীরাও যখন নিজেদের পাঞ্জাবী জাতি হিসেবে অহংকার করে, তখনও তারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×