somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এতিমদের আশ্রয় দিতে গিয়ে নিজেই আশ্রয়হীন!

২৩ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৩:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমার অনেক অর্থের প্রয়োজন,
এতিমদের আশ্রয় দিতে গিয়ে নিজেই আশ্রয়হীন!

(লেখার শেষাংশে একটি মানবিক আবেদন যুক্ত করা হলো)

মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বাবু

আমার অনেক অর্থের প্রয়োজন, নয়তো আপাতত ফেসবুক থেকে বিদায় নেয়া প্রয়োজন, কি ? খটকা লাগলো, সস্তা, শুকনা খ্যাতির বিড়ম্বনায় নাজেহাল অবস্থা। মসজিদ,মাদ্রাসা,এতিম খানা,সামাজিক প্রতিষ্ঠান যারা পরিচালনা করেন কিংবা সহযোগীতা করেন, সেই সব বন্ধুরা ইনবক্সে সহযোগীতা আশা করে।অনেকে আমাকে লিখেন , জোর জবরদস্তি নাই, শরীক হলেই হবে ।তখন নিজের মধ্যে অপরাধ বোধ কাজ করে।সামান্য যা পারি দেয়ার চেষ্টা করি।অন্তত যাদের চিনি কিংবা জানি। ইদানিং জাষ্ট ফেসবুকের পরিচয়ে সাহায্য আশা করেন! বিষয় গুলি মানবিক, কে ভালো কে মন্দ বুঝবো কি করে,আর বুঝলেও আমার সামর্থ নাই , একথাটিও বুঝাই কি করে।অবিশ্বাসের দুনিয়া।

প্রবাসে বসে ফেসবুকে ক্লীন জিলেট শেভ ফেসে তিন ইঞ্চি হাসির মাঝে লুকিয়ে রাখা কষ্ট, যন্ত্রনা,অবাঞ্ছিত এই জীবনের কাহিনী কাকে বলবো।সব প্রবাসি সুখী নয়,ধনী নয়, ধনীদের সাথে চিটিং করলে হয়তো তারা কম ক্ষতি গ্রস্থ হয় কিন্তু প্রবাসি,বা দরিদ্রদের সাথে প্রতারণা করলে মানসিকও আর্থিক ক্ষতি হয়, কিছু প্রতিভা বিনষ্ট হয় অকালে । সমাজের জন্য দেশের জন্য, দশের জন্য কিছু করতে ইচ্ছে হয়, কিন্তু সাধ আছে সাধ্য নাই। প্রত্যেক মানুষের ব্যাক্তিগত চাল চলন ব্যাবহার ধরন উপ্সথানে কিছু লেবাসী বৈশিষ্ট্য আছে,নিজেকে অন্যের সামনে ফুটিয়ে তোলার বাতিক আছে,আমিও এই গোত্রের একজন। তাই বিড়ম্বনা পিছু ছাড়ে না।আর লেখা লেখির নেশাটাও বিব্রত করে অহরহ !

আজ একজন প্রথমবার ইনবক্স করলেন, কিছু লেখা ও একটি ছবি. কিছু যেন তাদের জন্য লিখি।তার মানে অনেকের ভীড়ে কোন একজন আমার লেখার মুল্যায়ন করেছেন, নাকি এই বার লেখা, আগামীতে সাহায্য চাইবেন । এইতো গেলো সামাজিক,মানবিক,ধার্মিক প্রতিষ্ঠান আরো আছে বস, সাহিত্য প্রতিষ্টান। রাজনীতির ডামাঢোল ছেড়ে যারা লিখেন না ,লিখতেন না তারাও সাহিত্যিক। রাজীনীতির নেতা না হতে পেরে সাহিত্য সংগঠনের নেতা বনে যাচ্ছেন! নিজে খরচ করতে চান না ,খুলে বসেন চাঁদার বাজার! দু এক জন ব্যতিক্রম থাকতেও পারেন। নিজেদের প্রফাইল ভারী করার লক্ষ্যে পদ,পদক, পদবী,সন্মাননা,সংকলন,বই প্রকাশ এখন সাহিত্য জগতের টাটকা খবর। আধুনিক সাহিত্যের ডিজিটাল প্রতারণা। এক অসম প্রতিযোগীতা।নিজ পজিশন উপরে দেখাতেই একটা নতুন সংঠনের সৃষ্টি।এতেই আমার মতো চাকুরীজিবির যত বিপত্তি। প্রবাসীদের কাছ থেকে সহযোগিতা নিয়ে সামান্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেন না ,যে সামনে থাকেন যিনি বেশি টাকা দেন তাকে নিয়েই মেতে থাকেন সাহিত্যের শত্রু গণ. যদি ও সাহিত্য জগত কিছু না কিছু উপকৃত হচ্ছে এই সব গ্রূপ বা সংগঠন থেকে।কিছু ভালো কাজে মানুষ মনোযোগী হচ্ছে। এতেও স্বার্থান্বেষীদের প্রাদুর্ভাব রয়েছে,রয়েছে নিমক হারাম দালালদের প্রতারনার চক্রান্ত।আরেকটা বিষয় মজার তা হলো নামকরা খ্যাতিমানদের সন্মানি আর সন্মান দিয়ে দাঁত কেলিয়ে হাসির চরম সুযোগ।আর নিজেকে কবি লেখক সাহিত্যিক হিসাবে পরিচিত করার মোক্ষম সুযোগ।সাথে প্রচার প্রসার,কার? কার আবার ,আয়োজকদের চেয়ে যারা অতিথি তাদের আর প্রথম সারির আয়োজকদের দু চার জনের বাকি সবাই ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চা।চ্যাট প্যানেলে নানা রকম ঝাড়ি ঝুড়ি কয়েকদিন পর একে এডমিন ওকে এডমিন ইত্যাদি ইত্যাদি।
অনেক সাহিত্য সংঠন আবার মানবতার সেবায় এগিয়ে আসছেন,যেমন বাংলাদেশ কবি পরিষদ নামে ফেসবুক সংগঠন গরীব দুস্থদের ইদ সামগ্রী বিতরন করবে,সেই সাথে নবীন প্রবীনদের দেবে সন্মাননা আগামী ২৪ শে জুন২০১৬ ইং।দুর্জয় বাংলা বিনে টাকা পয়সায় সংকলন করছে ,অনুশীলন সাহিত্য আড্ডা মন্দ কি?

শুরু করেছিলাম আমার অনেক টাকার দরকার এই বলে,কারন নিজের প্রয়োজন মিটাতে হিমশিম খাচ্ছি,তার উপর বাইরের মানুষের ধারনা আমার অনেক আছে,সেই ধারনা বলবৎ রাখতেই অনেক টাকা চাই,যাতে কাউকে বলতে না হয় সরি,মাফ করবেন,পারছিনা, কাউকে না বলতে আমার খারাপ লাগে।এ বিষয়টিও অনেকে বুঝে ফেলে,তাইতো ইনবক্সে লাইক,কমেন্ট দাবী কিংবা আদেশের পাশাপাশি সাহায্য চেয়ে থাকেন।

মিঠুন আহমেদ নামে ফেসবুক বন্ধু বয়সে ছোট হবে যে ভাবে কিছু লেখার আবদার করলো,সাথে ছবি পাঠিয়ে তাতে না লিখে কি পারা যায়।

আমি এখানে তার দেয়া ছবি আর লেখাটি সং্যুক্ত করলাম।

ও মা তোমার সাথে ইফতার করতে চাই। এতিমদের আশ্রয় দিতে গিয়ে নিজেই আশ্রয়হীন!

‘ইফতারীতে শুধু মুড়ি আর পানি, মাগরিবের নামাজের পর সবজি দিয়ে ভাত। আর ভোর রাতে সবজি বা ডাল-আলু ভর্তা।’ এভাবেই চলছে বাঘার সরেরহাট গ্রামের এতিমখানার শিশুদের রমজান মাস।
রাজশাহী শহর থেকে ৪৫ কিলোমিটার পূর্বে পদ্মা নদীর তীর ঘেঁষে বাঘা উপজেলার গড়গড়ি ইউনিয়নের সরেরহাট গ্রাম। এ গ্রামে গড়ে উঠেছে ছোট্ট একটি এতিম খানা। নাম দেয়া হয়েছে ‘সরেরহাট কল্যাণী শিশু সদন।’ বর্তমানে এই সদনে এতিমের সংখ্যা ১৬৯ জন। এর মধ্যে ছেলে ১১৮ জন ও মেয়ে ৫১ জন।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, মুক্তিযোদ্ধা শামসুদ্দিন ওরফে ডা: শমেস ১২ শতাংশ জমি ক্রয় করে চালু করেন এতিম খানাটি। আয় বলতে তার স্ত্রী মেহেরুন্নেসার সেলাই কাজ ও শমেস ডাক্তারের চিকিত্সা থেকে আসা সামান্য কিছু অর্থ। আশ্রয়হীনদের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত তিনি বাড়ির ভিটা বিক্রি করে নিজেই পরিবার নিয়ে গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। শেষ পর্যন্ত স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে ওঠেছেন এতিমখানায়। স্ত্রী মেহেরুন্নেসা একদিকে এতিম শিশুদের দেখা শুনা করেন অন্যদিকে তাদের জন্য রান্নার কাজও করেন।
বর্তমানে ১৬৯ জন এতিম শিশুসহ তারা স্বামী-স্ত্রী দুই ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে সবাই এক সাথে দিন কাটান। তাদের নিজেদের আয় ও সাহায্য হিসেবে যা পান তা দিয়ে ৬ মাস চলে। আর বাকি ছয় মাস কারিতাসের দেয়া অর্থে কোন রকমে পরিচালনা করেন এতিমখানাটি। এতিম খানার পরিচালক ডা: শামসুদ্দিন বলেন, ‘চলতি রমজান মাসে কত মানুষই তো কত ভালো ভালো খাবার ও জামা-কাপড় কিনছেন। কিন্তু তিনি এখন পর্যন্ত এতিমদের জন্য কিছুই কিনতে পারেন নি।’
মানুষ মানুষের জন্যে জিবন জিবনের জন্যে একটু
শহানুভুতি কি মানুষ পেতে পারেনা????
আসুন আমরা সবাই মিলে এতিমদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দি যদি কোন হৃদয়বান ব্যক্তি এতিমদের সাহায্যের হাত বাড়াতেন চান তবে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন প্রতিষ্ঠাতা, ডাঃ শামসুদ্দিন সরকার, মোবাইল ; 01718- 542454 অথবা, উনার ছেলে, কমল সরকার, মোবাইল ; 01710-440846.
সিঙ্গাপুর থেকে

সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৩:১৭
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

যারা জানেন না তাদের জন্য! কফি এনিমা (Coffee Enema)!

লিখেছেন সাহাদাত উদরাজী, ২৫ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৩

কফি এনিমা হলো মলদ্বার দিয়ে কোলন বা বৃহদন্ত্রে তরল কফি প্রবেশ করিয়ে পেট পরিষ্কার করার একটি বিকল্প পদ্ধতি। নিচে এটি শরীরে দেওয়ার সাধারণ প্রক্রিয়াটি ধাপে ধাপে উল্লেখ করা হলোঃ

প্রয়োজনীয় উপকরণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মিলাদুন্নবী: ভালোবাসার নবী, মানবতার শ্রেষ্ঠ আদর্শ

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ২৫ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৮


মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্মদিন বা মিলাদুন্নবী শুধু একটি ঐতিহাসিক স্মরণদিন নয়; এটি মানবতার জন্য এক মহান আদর্শের কথা স্মরণ করার উপলক্ষ। তাঁর আগমন ছিল এমন এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মক্তব চালু করলে শিশুরা ফিরে আসবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:৪২


ববি হাজ্জাজ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। মুসা বিন শমসেরের ছেলে। মন্ত্রী হওয়ার পর থেকে পুরো দেশ চষে বেড়াচ্ছেন। নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন, নতুন নতুন আইডিয়া দিচ্ছেন। মনে হয়,... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঁধনের কেন ফেমিকন লাগে !!!

লিখেছেন অপলক , ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৩৪



বাঁধন এখন বন্ধন মুক্ত। মিডিয়া পাড়ায় সরব উপস্থিতি। উপর মহলের ডাকে সারা দিতে হয়। কাজেই ফেমিকন লাগতেই পারে। মানে ফেমিকনের এ্যাড করা লাগতেই পারে। মিডিয়া আইকন হিসেবে জনসচেতনাতা বাড়াতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“উন্নয়নের দুর্ভিক্ষে বাংলাদেশ”

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৮



বাং/লাদেশের মূর্খ জনগণ উন্নয়নের চেয়ে কথিত ফ্যাসিবাদকে বড় করে দেখেছে কিন্তু “উন্নয়নের দুর্ভিক্ষ” কি জিনিস তা দেখেনি।

দেখতে থাকুক….। আর ভাতের দুর্ভিক্ষ শুরু হলে বলে…..।

ফ্যাসিবাদ দূর করতে গিয়ে উন্নয়নই "নাই"... ...বাকিটুকু পড়ুন

×