somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কলম আর সুবচন হোক সত্য ন্যায় , প্রতিবাদের হাতিয়ার।

২৫ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
ধন্যবাদ সচেতন নাগরিক সমাজ ,বাবুপুর সেনবাগ,নোয়াখালী
কলম আর সুবচন হোক সত্য ন্যায় , প্রতিবাদের হাতিয়ার।



সচেতন নাগরিক সমাজ নামটি পড়েই বুকের ভেতর থেকে বেরিয়ে এলো এক দীর্ঘ শ্বাস। এক অসমাপ্ত উপখ্যান ,,এক অসহায় প্রবাসীর উদ্যোগ বানচাল করে দেয়ার ইতিহাস বুকের ভেতর মোচড় দিয়ে উঠলো ,সময়টা ছিলো ২০০৩ সাল।ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দামের জীবনের যবনিকা,বুশের কুশ পুত্তলিকা দাহ করা হয়ে ছিলো বিশ্বের নানান স্থানে।( এ সব এখন ভালো লাগেনা ). আমার ব্যক্তিগত যৎসামান্য অর্থে তৈরী হয়েছিলো ব্যানার ,কালো কাপড়ে সাদা অক্ষরে। বিশাল মিছিল ব্যানারে নাম দিয়েছিলাম আমি :"সচেতন নাগরিক সমাজ"। এই বাবুপুর এর আশরাফিয়া এতিম খানার বাচ্চারা এসেছিলোমিছিলে, অচেনা অনেক শামিল হয়েছিলো সেই ব্যানারে।আমার লেখা জ্বালা ময়ী
কবিতা পড়েছিলো আমার ছোট ভাই জাহিদুল ইসলাম মাছুম ,(বর্তমানে সে একটি মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল )কয়েকদিন পর মাদ্রাসা সংলগ্ন সাইফুলের চায়ের দোকানে বসেই চোখ পড়ে মাদ্রাসার অপজিটে বর্তমান জেলা পরিষদের জায়গায় বেশ কয়েকটি আম গাছ। সুশীতল পরিবেশ। আমার মুখ দিয়ে বের হয় ,কি সুন্দর পরিবেশ যদি এখানে বৈশাখী মেলা করা যেত ,(দোকানী সাইফুল সে তখন সেনবাগ কলেজের ছাত্র ) বলল চলেন আমরা শুরু করি। ব্যাস সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে শুরু হলো আয়োজন , আমি ,সাইফুল,আর কয়েকজন খেটে খাওয়া মানুষ যারা সেই দিন সেখানে চায়ের দোকানে বসা ছিলো।


বললেইতো হয়না ,এর জন অর্থ চাই ,জনবল চাই,নিদেন পক্ষে একটা কমিটি চাই। সর্বপ্রথম জানালাম বন্ধু কামরুল মাস্টারকে। সে রাজি হলো.সে অনেকের নাম দিলো আমি আমার পক্ষ থেকে আটিয়া বাড়ির ছোট ভাই তখনকার ছাত্র নেতা বাবুর নামও দিলাম।একাই দেখা করলাম তৎকালীন পৌরসভা চেয়ারম্যান মরহুম শাহ আলম চৌধুরীর সাহেবের সাথে কোন প্রশাসনিক কাগজ পত্রের প্রয়োজন আছে কিন্। তিনি বললেন যাও করো অসুবিধা নেই। প্রগতির বসন্ত বাবুর সাথে কথা বলে রেডি করা হলো কবিতা,গান নৃত্য দলের।বাবুপুরের হেদায়েত উল্লাহ স্যারকে সভাপতি করে কমিটিতে অনেক নাম যুক্ত হলো আমি যাদের অনেককে চিনি না, জানি না.আমি একজন প্রবাসী।এলাকার নোংরা দলীয় রাজনীতির মারপ্যাচ আমার জানা ছিলো না, কে কোন দল ,কমিটিতে কাকে রাখা যাবে, কাকে নয় এ সব ভাবনায় নেই.শুধু জানি কিছু করতে হবে ,কিছু করছি।আর্থিক সাময়িক খরচ আমি দিয়েছিলাম। মাইকিং হলো। মেলার আগের দিন মেলা জমে উঠলো। মেহমান দাওয়াত নিয়ে হলো সমস্যা। ব্যানার লেখা হয়েছে সচেতন নাগরিক সমাজ ।এর মধ্যে আমাকে না জানিয়ে কয়েকজন উৎসুক বাজারে দোকান থেকে নাকি চাঁদা তুলেছে বা তুলছে,আমি জানিনা।চা খেতে গেলাম তাজনেহার হোটেলে। আমাকে দুই তিন জন হাওয়ায় উড়িয়ে নিয়ে এলো থানার মোড়ে ,আমাকে বাঁচালেন হেদায়েত উল্ল্যাহ স্যার। তারা বলেন দেশে এসেছো বেড়াতে, বেড়াও কিসের সচেতন নাগরিক সমাজ ,বেশি করলে ফেলে দেব. অবশ্য তাদের এখন সেনবাগে দেখিনা।


কাল সকালে মেলার অনুষ্ঠান। আগের দিন রাত বারোটায় উত্তপ্ত মেলা স্থল। এম পি সাহেবের সাথে টেলিফোনে কথা বলে কমিটি ,আমি কামরুল স্যার ছাড়া দু একজনকে চিনি হয়তো। কে কার সাথে কথা বলছে? ফোনের ওপারে মেয়র আর এম পি সাহেব ,এম পি হোস্টেল থেকে।। শুধু বুঝলাম কাল সকাল ভয়ানক সকাল,কথা চলছে মেয়র আর এম পি র ।ভোর হতেই মেলা জমজমাট।মাইকিং করছি আমি আর আমার ছোট ভাই .ইলিশ পান্তা খেতে আসছে লোক জন ,জিলাপি মিষ্টি ,ক্যাসেটের দোকান চলছে।বাসন্তী রঙের শাড়ি পরে ছোট ছোট মেয়েরা হাজির আমার বাড়িতে। কামরুল স্যার বললেন অনুষ্ঠান হচ্ছেনা।তুই এলাকা ছেড়ে চলে যা। মাইকের গান বন্ধ হলো। নিজ খরচে গান,নাচ কবিতার মেয়েদের নিরাপদে বাড়ি পৌছালাম। স্বস্ত্রীক চলে গেলাম ঢাকায়। সেখান থেকে সৌদি আরব। আমার অপরাধ আমি কেন বৈশাখী মেলা করতে গেলাম ,আমি কেন সচেতন নাগরিক সমাজ করতে গেলাম,বড় অপরাধ , আমি কেন আটিয়া বাড়ির বাবুর নাম আর বসন্ত বাবুর নাম কমিটিতে রাখলাম।কে ক্ষমতায় তখন সেনবাগে? কি আর বলব সময়টা ২০০৩ সাল।


সময় অনেক গড়িয়েছে। সাহিত্য সাংস্কৃতিক কিং রাজনীতি অঙ্গনে আমার বিচরণ নিয়ে এলাকায় কখনো মুখ খুলিনি।পত্র পত্রিকায় লেখা লেখি নিয়ে কাউকে কিছু বলিনি।যদিও রাস্তার মাথার স্বপন আমার কালীগঞ্জের বন্ধু ,তার মাধ্যমে আর কলকন্ঠের আওয়াল সাহেব,অজিউল্ল্যাহ সাহেবদের সাথে একটি ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ১৯৯৩ সালে সেনবাগ অডিটোরিয়ামে উপস্থাপনা করার সুযোগ হয়েছিলো। এ পর্যন্ত কতো প্রোগ্রাম করেছি হিসাব নেই ,এখন তো নিজেই বাবর আলী শো পরিচালনা,উপস্থাপনা সবই করছি।
ফেসবুক ব্যবহার ২০০৯ সাল থেকে অমরত্ব মনে হয় ঝেঁকে বসেছে তাই আত্ম প্রচারের সুযোগ বেড়েছে। নিজ এলাকার চাইতে ঢাকায় ,ঢাকার চেয়ে প্রবাসেই পরিচিতি বেশি।২০১৪ সালে যৌতুক প্রতিরোধ আন্দোলন,বাংলাদেশ কবি পরিষদ নিয়ে সেনবাগে কিছু করার সাহস না পেলেও ফেসবুক বন্ধু সাইফ উদ্দিন বাবরের সাহায্যে কবির হাট কলেজে এবং ফতেহপুর মাদ্রাসায় প্রোগ্রাম করি টিভি পর্যন্ত যার সংবাদ ফুটেজ যায়। ২০১৫,২০১৬ সালের মধ্যে চারটি বই ও প্রকাশিত হয়। ২০১৬ সালেই কিছু বই সেনবাগে দুটি দোকানে রাখি। ২৭ দিনেই চলে যাই কর্মস্থল সিঙ্গাপুরে।


এবার এসে যুক্ত হই কিছু সাহিত্য প্রেমী মানুষের সাথে ,সেনবাগ লেখক ফোরামের সাথে। আর নিজে অনলাইনে নিয়মিত লিখছি।ফেসবুকে লিখছি আর এই বর্ষায় জলাবদ্ধতা নিয়ে ফেসবুকে উদ্বিগ্নতা প্রকাশ করছি।২১ সে জুলাই সেনবাগের প্রবেশ পথের ময়লা আবর্জনার ছবি দেই ,২২ তারিখে ৩৮ মিনিটের ভিডিও লাইভ প্রচার করি,সাথে জলাবদ্ধতার নানা দিক বর্ণনা করি ।২২ তারিখে আমার তোলা ছবি সাংবাদিক খোরশেদের জলাবদ্ধতার রিপোর্টে ইত্তেফাকে প্রকাশিত হয়।


আমি জনপ্রতিনিধি নই ,সেনবাগের লিষ্টেট সাংবাদিক নই। আমি ফ্রিল্যান্স সংবাদ করি নব্বইয়ের দশক থেকে ,যা ২০১১ সাল থেকে নিয়মিত। তবে আমি অনলাইনেই কাজ করি বেশি। আমি কারো কাছ থেকে বা সাংবাদিকতা কিংবা লেখালেখি থেকে অর্থ উপার্জন করিনা। তাই আমার দায়বদ্ধতা নেই কোন মিডিয়া বা ব্যক্তি বর্গের কাছে।দায়বদ্ধতা রাষ্টের কাছে যেহেতু এ দেশে আমার বসবাস। দায়বদ্ধতা বিবেকের কাছে,যেহেতু আমি মানুষ । নিজ এলাকার জন্য কিছু করতে মন চায় সাহিত্য সংস্কৃতি নিয়ে , আন্দোলনের মাধ্যমে সত্য ন্যায়ের পক্ষে কাজ আজীবন করছি, এখনো করছি।কারো মনে আঘাত দিয়ে কোন কাজ করা যায় না। আমাদের সিস্টেমে অনেক লস আছে.দরিদ্র শ্রেণী থেকে এসেছে আমাদের সাংবাদিক কর্মী ভাইয়েরা ,তাই শিল্পপতি রাজনীতিবিদদের একটু সমীহ চলে আর কি.,রাজনীতিতেও ক্ষুদার্ত মুখ ,আমার ভাই তোমার ভাই সবার ভাই ইত্যাদি। ক্ষমতার কাছে আর অর্থের কাছে পরাজিত সাংবাদিকের কলম । সঠিক সত্য অনেক জনপ্রতিনিধি বলতে চাইলেও বলতে পারেনা।টি আর, বি আর,ফ্রি আর , না আরের কাছে জিম্মি তারা।


সাধারণ জনগনের মাঝে সচেতনতা খুব জরুরী। আমি কয়েকদিন আগে একজন জন প্রতিনিধিকে বলেছিলাম জলাবদ্ধতা নিয়ে একটা মানব বন্ধন করা যায় না। তিনি জবাব দিয়েছিলেন , আমার দ্বারাতো অসম্ভব। জনগণ করলে পারে।এখন কে চায় তার ক্ষমতা কিংবা পদ পদবীর সমস্যা হোক। তবে এ সমাজে অনেকেই আছে যারা আসলেই সচেতন।


সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে যে মানব বন্ধন হয়েছে ,স্মারক লিপি পেশ করা হয়েছে তা প্রশংসার দাবিদার।ধন্যবাদ সচেতন নাগরিক সমাজ ,বাবুপুর সেনবাগ,নোয়াখালী,এই মানব বন্ধন আগামীর জন্য গুড সাইন। এখানে অনেক কলম যোদ্ধা আছেন যারা ভালো লিখেন। তারা এগিয়ে আসবেন যে কোন সমস্যায়।আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি আমাদের কলম বার বার পরাজিত দারিদ্রতা আর চাটুকারিতার কাছে ,তাঁবেদারির কাছে। আমরা শিক্ষিত হচ্ছি।সুশিক্ষিত হচ্ছি ক' জন.আমাদের দেশে যার শিক্ষা নেই, তার কাছে ক্ষমতা। এ দেশে রাজীনীতিতে পোড় খাওয়া কেউ জন প্রতিনিধি হয়না, বছিলাম এম পি মিনিস্টারের কথা ,শিক্ষা আর সচেতনতা মার্ খাচ্ছে সেখানেই।আমাদের প্রয়োজন একতা। রক্তপাত কারো কাম্য নয়। কলম আর সুবচন হোক সত্য ন্যায় , প্রতিবাদের হাতিয়ার।কেউ জানুক নাই জানুক কেউ বলুক আর নাই বলুক সচেতন নাগরিক সমাজ নামে ২০০৩ সালে আমি প্রথম ব্যানার করেছিলাম। ,বৈশাখী মেলা আজ কুটির শিল্প মেলা কোটি কোটি টাকার খেলা ,এই মেলার জনক আমি ,এই মেলার ব্যানার সচেতন নাগরিক সমাজের নামে আমি সর্ব প্রথম করেছিলাম এই সেনবাগে।কালের আঁধারে হারিয়ে যাক আমার নাম, সচেতন থাক, জাগ্রত থাক সচেতন নাগরিক সমাজ।
আসুন,,ছড়িয়ে ছিটিয়ে নয় সবাই একসাথে সেনবাগের উন্নয়নে কাজ করুন। বাধ্য করুন,অধিকার নিশ্চিত করুন।


সবিনয়ে
জাহাঙ্গীর বাবু
কলেজ রোড সেনবাগ নোয়াখালী
সিঙ্গাপুর প্রবাসী
ফ্রি ল্যান্স অনলাইন সংবাদ কর্মী


https://web.facebook.com/janmim/videos/1754472814582351/
https://web.facebook.com/photo.php?fbid=1754464007916565&set=pcb.1754465181249781&type=3&theater

সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১:১৫
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাঁশি

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:০৪



হিম শীতল মাঘ মাসের রাত। ঘন কুয়াশার কারণে পাঁচ হাত সামনেও কিছু দেখা যায় না আর খালপাড়ের বাঁশঝাড়টা তো অনেক দূরে, বাতাস নেই তারপরও বিচিত্র কারণে বাঁশপাতার শব্দ শোনা যাচ্ছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

হুলো বেড়াল

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:২৮


গ্রামের কাঁচা রাস্তা দিয়ে হাঁটছি। কোথাও মানুষের কোনো সাড়া-শব্দ নেই। মাঝেমধ্যে অবশ্য ঝিঁঝিঁ পোকা ডেকে যাচ্ছে। শব্দে কান ঝালাপালা। এত ঝিঁঝিঁ পোকা কোথা থেকে এলো?

দুটো জঙ্গল পেরিয়ে মূল সড়কে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের এই দিনে ১৯৭৫-এর শোকাবহ আগস্ট/ রক্তাক্ত দিবস॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:১১



“আজ থেকে অনেকদিন পরে হয়ত কোন পিতা তার শিশুপুত্রকে বলবেন, জানো খোকা! আমাদের দেশে একজন মানুষ জন্ম নিয়েছিল যাঁর দৃঢ়তা ছিল, তেজ ছিল আর ছিল অসংখ্য দুর্বলতা। কিন্তু... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য ঘাটতি : ভারসাম্যের লক্ষ্যে বাংলাদেশে উৎপাদন ও রপ্তানি কৌশল

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:০২


ভারত বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ও নিকটতম বাণিজ্য অংশীদার। ভৌগোলিক নৈকট্য, দীর্ঘ সীমান্ত, পরিবহন সুবিধা এবং পরস্পর-নির্ভরশীল উৎপাদনব্যবস্থার কারণে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্কের গুরুত্ব অস্বীকার করার উপায় নেই। কিন্তু এই... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর কারা মিষ্টি বিতরণ করেছিল?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:১৬


যদি কোনোদিন টাইম ট্রাভেল মেশিন আবিষ্কার হয়, পঁচাত্তরের ঘটনা নিজের চোখে দেখার চেষ্টা করতাম। সে সময় কিছু মানুষ মিষ্টি বিতরণ করেছিল বলে শোনা যায় । আমি তাদের কাছ থেকে মিষ্টি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×