রাজনীতি এখন পল্টিবাজদের পেশা
জাহাঙ্গীর বাবু
পোষাকের চেয়ে দ্রুত নেতা পালটানো মফস্বলে আজব এক চরিত্র। দারিদ্রতা কিংবা সুবিধা নেয়াই যে মুল কারণ তা নয়,মুল কারন, স্বভাব!অবশ্য ভাবেই স্বভাব নষ্ট!স্বার্থ যেখানে পল্টিবাজ সেখানে।
আরেকটা ব্যাপার কিছু অদ্ভুদ প্রকৃতির মানুষ আছে যারা এক সাথে একাধিক নেতার সাথে সমন্বয় করে। নেতারা তা জানে।ইহা ঘটে সরকারী ক্ষমতাসীন দলেই বেশি।নেতা সামনে কিছু না বললেও,পেছনে সবচেয়ে বড় গালিটাই দেয় পল্টিবাজ কর্মীদের। কর্মীরা পল্টিবাজ,অনুপ্রবেশকারী,কাউয়া,রোহিঙ্গা কিন্তু অর্থিক লাভ,ঠিকাদারী,পিঠ কিংবা জান বাঁচানোর জন্য।নেতারা রাঘব বোয়াল,অর্থ, প্রতিপত্তি থাকলে খোলস পালটায়,প্লটায় দলের শিরোনাম,ব্যানার,আদর্শ।
যে নেতা অর্থ বিলায় বেশী তার পেছনে চামচা বেশি। অর্থ আর সেবার দৌড় কেন্দ্রের সিগন্যালের উপর নির্ভরশীল। চামচাদের নেতা পুজার ধরন দেখে তৃনমুলে অবহেলিত কর্মীরা হাসে,আফসোস করে,খিস্তি মারে। হঠাৎ এদের কেউ নেতার সানিধ্য পেলে সব ভুলে যায়।
নির্বাচন যত সন্নিকটে চামচাদের নেতা পরিবর্তন ততই বিদঘুটে।ত্যাগী কর্মীরা স্থানীয় নেতা নয়,দল প্রধানের নির্দেশ মেনে চলে কিংবা নীরবে দলের জন্য কাজ করে।বড় জোর চায়ের টেবিলে ফেলে আসা দিনের কথা বলে আফসোস করে।
বেয়াদব,ক্যাডারদের কথা কি বলব,টাকা ক্যাশ যে দিক থেকে তারা তার দিকে।এরা অনেকে জানেনা দলের আদর্শ কি?ঠিকাদারী কিন্তু রাজনীতির মুল মন্ত্র এখন। পোষাক পাল্টানোর মতো এরা বেসরকারী দল পাল্টে ক্ষমতাসীন নেতার গুনকীর্তন করে।এরাই ধড়িবাজ পল্টিবাজ।
পল্টিবাজ পোষাক পালটায়,নেতা পালটায়।ত্যাগী কর্মীরা চেয়ে রয়।স্থানীয় বা কেন্দ্রীয় সবখানে একইহাল।রাজনীতি এখন পল্টিবাজদের পেশা।ঠিকাদারী।ধান্দা ছাড়া আর কিছুই নয়।
বাবর আলী হুদাই পেরেশান।
২০-৮-২০১৮ ইং
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে আগস্ট, ২০১৮ সকাল ৯:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



