
চার সন্তানের মা ধর্ষিত। কারণ তাদের মার্কায় ভোট না দেয়া। আর পুলিশ বলেছে এটা নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ঘটনা নয়।
এই খবর এখন সব পত্রিকাতেই আছে তারপরও ডেইলি স্টারের লিংকটা দিচ্ছি।
ধানের শীষে ভোট দেওয়ায় ৪ সন্তানের মাকে ‘আওয়ামী লীগ কর্মীদের গণধর্ষণ’
নির্বাচনের আগেও এমন আরেকটি ঘটনা ঘটেছে রাজবাড়িতে। সাবেক ইউপি সদস্যকে গণধর্ষণের অভিযোগ(পত্রিকার ভাষ্যমতে) উঠেছিল। তারা তাঁকে প্রথমে লাঠিপেটা করে, তারপর নিয়ে যায় অদূরের এক মাঠে এবং তিনজন পালাক্রমে তাঁকে ধর্ষণ করে। এরই মধ্যে খোঁজাখুঁজির খবর তিনজনের একজন মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পেয়ে যায়। তখন তারা ঘাবড়ে গিয়ে ওই নারীকে তার বাড়িতে পৌঁছে দেয় এবং মুখ না খোলার জন্য শাসিয়ে যায়।
কালের কণ্ঠঃ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাবেক ইউপি সদস্য গণধর্ষিত!
জ্বি এরাই এবং নির্লজ্জের মত এদের সমর্থন দেয়া চেতনাধর্ষকের দল আসবে চেতনা শেখাতে। এরাই মুক্তিযুদ্ধে দুই লাখ মা বোনের ইজ্জতের কথা বলবে সাথে বলবে একমাত্র একটা দলই মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের দল। এরপরো কি বুঝা হবে না এরা জাস্ট ব্যবসা করছে চেতনা শব্দ নিয়ে।
এরা বলবে এসব বিচ্ছিন্ন ঘটনা। অথচ বিচ্ছিন্ন ঘটনা হচ্ছে প্রতিদিনের দৈনিকে অন্তত একদিনের জন্য এদের কুকর্ম না পড়া। বিচ্ছিন্নই যদি হয় তাহলে সবসময়ে কেন তারাই ধরা পড়ে?
এরা আবার বলবে ধর্ষকের জন্যতো কোন দল থাকে না,দলের নামে কেন শিরোনাম হচ্ছে। অথচ এরা এটা স্বীকার করে না ওই দলের অসীম ক্ষমতার দৌরাত্ম্যের জন্যই এসব কাজ করার দুঃসাহস পায়। এমনকি বন্ধ না হয়ে বেড়েই চলেছে তাদের এই দৌরাত্ম্য।
এরা আরো বলবে মুক্তিযুদ্ধের এই দলের ভূমিকার কথা এবং এখন যা হচ্ছে তা তাদের ব্লেম করা হচ্ছে। অথচ ভুদাই পাবলিক এটা বুঝে না মুক্তিযুদ্ধ এই দলের ওই সময়ের বীরেরা করেছে। এই দল করা এখনকার কুলাঙ্গারদের কাজ চাপা দিতে এরা সেই বীরদের কথা টানে। নির্লজ্জের মত ব্যবসা করতে চায় বীরদের নিয়েও।
এরা কয়দিন পর পারলে বলবে ধর্ষণ করলেও এরাই সবার চেয়ে ভালো। অন্যদের মত না।তাই এদেরই ক্ষমতায় থাকা লাগবে হোক সেটা গুম,খুন,ধর্ষণ আর হরিলুটের নির্বাচনের মাধ্যমে।
আরেকদল আছে এসব নিয়ে কথা বললেও বলবে নিরপেক্ষ ভাবে বলতে। ধর্ষণ নিয়ে কথা বলতেও নিরপেক্ষতা কি হতে পারে জানা নেই। এরা হয়তো নিরপেক্ষ বলতে বুঝায় এই দলের ধর্ষণ নিয়ে লিখেছোতো ওই দলের একটার কথাও একইসাথে লিখতে হবে। এরা বর্তমানে কি হচ্ছে এর তোয়াক্কা করতে চায় না। অতীতের সাথে পাল্লা দিয়ে খারাপি করবে আর খারাপি সমর্থন করবে।
এই 'এরা' কারা, সবাই জানে। কেউ চুপ থাকে। কেউ ছুপায়া থাকে ইস্যু চাপা পড়লেই উন্নয়নের হাত তালি দেয়ার জন্য। আর কেউ নির্লজ্জের মত এদের হয়ে কথা বলতে থাকে সবসময়েই। আর যারা এদের খারাপির বিরুদ্ধে কথা বলবে তাদের বিরোধী দলের ট্যাগ দিতে প্রস্তুত থাকে এরা।
অথচ ধর্ষক,খুনীর জন্য নিতম্বের মত দুইভাগে ভাগ হওয়ার কথা না। একসাথে এদের বিচার চাওয়ার কথা।
একাত্তরের মা-বোনদের উত্তরসূরি মা-বোনদের উপর অবিচার হলে চুপ থেকে যারা বলে তারাই একমাত্র একাত্তরের মা-বোনদের পক্ষের শক্তি তাদের চিনে রাখেন। এরা দলের প্রতি এতই দাসত্ব স্বীকার করেছে যে নিজেদের কেউ এমন ঘটনা ফেস করলেও হয়তো বলবে এই দলই একমাত্র অন্যদের চেয়ে ভালো তাই এসব বিচ্ছিন্ন ঘটনা নিয়ে বিভেদ না হওয়াই ভালো।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




