somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

জহির আববাস কাদেরী
বর্তমানে পদ্মা অয়েল কোম্পানীতে কর্মরত আছি । কিন্তু ব্যবসায়ীক ভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ইচ্ছা ও প্রচেষ্টা রয়েছে।উদ্দেগ্যতা জন্য আমি তৈরি কিন্তু ব্যবসায় কেমন জানি গোছানো না ! nnসামাজিক ভাবে সংগঠনিক ভাবে মানুষের কাছে পৌছানোর জন্য কাজ করে যাচ্ছি। রাজনৈতিকভাবে স

মায়নমার মুসলিম সাথে হচ্ছে কি?????

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

৬ই September পোস্ট-এ এক ভাই আমার ভাবনা রোহিঙ্গা লেভেলের বলে মন্তব্য করেছেন.
আরকান রাখাইন গ্রুপ যাদের নিরাপদ করার জন্য চেষ্টা করছেন তাদের কারনে রাখাইন মুসলিম হত্যা হচ্ছে এবং তারা হারিয়ে যাচ্ছে?
আমার কাছে প্রশ্ন রইলো উনার জন্য।

বেশ কয়েক মাস মায়ানমার আর্মি, পুলিশ, Border পুলিশ যে হারে মায়ানমার রোহিঙ্গা দমনরত রয়েছে, তার বিপরীত ৯ জন পুলিশ হত্যা বিদ্রোহীদের হাতে,যেখানে মায়ানমার নিরাপত্তা বাহিনী হাতে হত্যা রেপ,নির্যাতিত হচ্ছে।

যেখানে নির্বাহী পরিচালক এশিয়া Society পুলিশ Institution (ASPI), মায়নমার ইনোসেয়েটিভ পরিচালক (Debra Eisemen) তিনি এই সমস্যাবলী প্রথম ধাপ হতে বলা চেষ্টা করেছে।
উপরের মন্তব্য যিনি করেছেন সেখানে সম্প্রদায়িক ও জাতিগত সমস্যাটা কিভাবে সমর্থন করেন।
আমার মতে আমার মত আপনারও জানার বাকি রয়েছে।
ডেব্লা এসেনম্যান বলেন,
তারা ভূমিহীন, প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ রাখাইন রাজ্যে বসবাসকারী, তার মধ্যে রাখাইন সম্প্রাদায় ১৩৫ গ্রুপকে মায়নমার সরকার মেনে নিতে চাই না।

আসলে রোহিঙ্গা কারা? কেন এই সাম্প্রতিক সময়ে এত হত্যা যজ্ঞ শুরু করল মায়নমার সরকার?

১৯৮২ সালে মায়ানমার সরকার রোহিঙ্গা দের নাগরিকত্ব ছিনিয়েনে।
৮২ সালে একটি আইন পাশ করে,যেখানে রোহিঙ্গাদের অস্থায়ী একটি "সাদা কার্ড "প্রদান করেন। এই কার্ড টি তাদের নাগরিক হবার প্রমান করে। রোহিঙ্গাদের ভোটাধিকার ক্ষমতা প্রদান করে,এবং ২০০৮ সালে সাংবিধানিক গণভোট রোহিঙ্গারা অংশগ্রহণ করে। ২০১০ সালে নির্বাচন রোহিঙ্গা ভোট প্রদান করেন।
কিন্তু ২০১৫ সালে নির্বাচন আগে রোহিঙ্গা হতে তাদের সাদা কার্ড সমূহ আবার ছিনিয়ে নেই।

তৎকালীন সময়ে যে সহিংসতা শুরু হয় তা খুবই দু:খদায়ক ঘটনা প্রকাশ করে।
২০১২ সালে দিকে রোহিঙ্গা সম্প্রদায় কিছু মানুষ বৌদ্ধ এর নারীকে রেপ ও হত্যা করে। এই হতে সাম্প্রদায়িক হিংস্রতা ধীরেধীরে বাড়তে থাকে।
১০০ অধিক ঘরবাড়ি, হত্যা ও হতাহতে সংখ্যা বাড়তে থাকে।
২০১২ সালে অনেক রোহিঙ্গা সরাণথি হয়ে পড়ে এবং Squalid IDP কেম্প UN সহায়তা এ আশ্রিত হয়। প্রাই ১০ হাজার অধিক মানুষ নৌকা যোগে এশিয়ান বিভিন্ন দেশে পালিয়ে যায়।

সাম্রদায়িক হিংস্রতা ও জাতিগত সমস্যা শুধু তাদের একমাত্র সমস্যা নই, এই সমস্যা বড় কারণ হল তারা মুসলিম।যেখানে সামান্য সংখ্যা বৌদ্ধ রয়েছে।
মায়নমান জাতীয় আইন ঘোষণা করে,এই আইনে আন্তঃধমীয় বিবাহ,ধম পরিবর্তন, এক বিবাহ বিষয়ক বলা হয়েছে।
এখন মায়ানমার একটি বৌদ্ধধম দেশ, তাদের জাতীয় চেতনা সমূহ তাদের ধম রক্ষা ব্যাপারে এবং
বৌদ্ধ এর যাজক তাদের মানুষদের মুসলিমদের বিপরীত ফুসলিয়ে তুলে।
সবচেয়ে বড় ব্যাপার হল মায়ানমার সরকারে কোন বিভাগে কোন রোহিঙ্গা নাই, তাদের সংসদ এ রোহিঙ্গা কে প্রতিনিধিত্ব করেনি।

কিছুদিন আগে UN একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে যেখানে ১০০ জন রোহিঙ্গা সাক্ষাতকার নিয়া হয়,এই রিপোর্ট এ গুলি,হত্যা,নির্যাতন,যৌন নির্যাতন, রেপ সহ অনেক বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।

কিছুদিন আগে ১২ জন শান্তিতে নোবেল জয়ী মায়ানমার উদ্দেশ্য একটি খোলা চিঠি লিখে যেখানে গণহত্যা বন্ধ করার জন্য মায়েনমারে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করে।
কারা বেশী সংশয়িতা করছে।
যেখানে মায়ানমার সরকার আর্মি ভয়াবহ অবস্থা তৈরি করেছে

মায়নমারে জাতীগত সমস্যা সমধানের উদ্দেশ্য এ কপি আনানকে নিয়ে একটি দল গঠিত,

কিন্তু দুখের বিষয় তাদের অবস্থা হতে পরিপূরণ সমাধান উদ্দেশ্য কে সঠিক ভাবে এগিয়ে আসছে।

আমার দেশে তাদের বহন করে আশ্রিত যুক্তি যোগ্য নই।
তাদের রাখাইন রাজ্যে সঠিকভাবে জীবন যাপন এর সরকারে সাথে আমরা সাধারণ মানুষ এক হয়ে কাজ করতে পারি।

৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ভেষজ চায়ের সঙ্গে আমার অব্যাহত প্রেম!

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১২ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:৫৩



ভেষজ চায়ের সঙ্গে আমার অব্যাহত প্রেম!

জীবনে অনেক কিছুই শেষ করেছি- কিন্তু ভেষজ চায়ের পরীক্ষা-নিরীক্ষা এখনও শেষ হয়নি!
সবুজ চা, লেবু-আদা-তেজপাতা, দারুচিনি, এলাচ-লবঙ্গ, গোলমরিচ, পুদিনা-রোজেলা, জাফরান, জেসমিন থেকে শুরু... ...বাকিটুকু পড়ুন

আশা রাখি: কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ রাষ্ট্রপতি হবেন

লিখেছেন অপলক , ১২ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:৪০



আমার দেখা সকল রাষ্ট্রপতিগন ছিলেন ডায়াবেটিকস রোগীদের মত। যাদের রাজনৈতিক জীবনীশক্তি ছিল না বললেই চলে। প্রধানমন্ত্রীর অলিখিত আজ্ঞাবহ মাত্র। ফর্মালিটি আছে কিন্তু কাজের স্বকীয়তা ছিল না। কোন আইকোনিক ডিসিশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৫৬৩৫-৩৬

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১২ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:৪৯

মন কথনিকা-৫৬৩৫
খেতে খেতে গেল জীবন, নজর যে নাই স্বাস্থ্যের পানে
খেয়ে গেছি যা পেয়েছি, যা পেয়েছি বামে ডানে
বাড়লো চর্বি, কমলো যে জোর, শান্তি হারাই পদে পদে
এই না জীবন পার করতে চাই,... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাত ৮ টায় বিপণিবিতান-দোকানপাট বন্ধের নির্দেশ | দেশজুড়ে বইছে গণতন্ত্রের সু-বাতাস

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:৩৫



দেশজুড়ে বহু বহু করে বয়ে যাচ্ছে গণতন্ত্রের সু-বাতাস, চারিদিকে পতপত করে উড়ছে গণতন্ত্র নামক শান্তির পতাকা- সারা বংলায় এমন শান্তিময় পরিবেশ স্বাধীনতা পরবর্তীকালের ইতিহাসে আর দেখা যায়নি কখনো; এরই ধারাবাহিকতায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০০১ সালেও বিএনপিকে ডোবানোর দায়িত্ব নিয়েছিল টুকু!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৫১


ভয়াবহ লোডশেডিং। মধ্যরাতে ঢাকবাসীর হাঁসফাঁস। হঠাৎ করে এতো লোডশেডিং হওয়ার কোন কারণ নেই অথচ মধ্যরাতে ভয়াবহ লোডশেডিং। গ্রামে বিদ্যুৎ থাকেনা বললেই চলে। গ্রামে বিদ্যুৎ যাওয়ার সময় আছে কিন্তু আসার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×