somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিপদ পড়তে হলে খারাপ কাজগুলো সবসময় দায়ী থাকে না। কিছু কিছু সময় ভাল কাজগুলো দায়ী থাকে।

০২ রা জুন, ২০২১ ভোর ৪:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বরাবর
প্রিয় আইনের রক্ষক ও বক্ষকগণ,
আমি জহিরুল ইসলাম সোহেল গত ২৪-১২-২০১৪ইং তারিখ হতে অদ্যবাদি নিম্নাক্ত মামলার মিথ্যে এজহার জনিত কারণে স্বাচ্ছন্দহীন জীবনযাপন ও মানষিক বিষন্নতার অন্তিম পর্যায়ে দাড়িয়ে রয়েছি। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য হয়েও আজ এমন নির্মম অভিযোগে নিজেকে দেখতে হচ্ছে। পারিবারিক দারিদ্রতার লেশ ধরে আমাকে হতদ্ররিদ্র অবস্থায় পারিবারিক মতামতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে হয়। দারিদ্রতার নির্মম ছোঁবল, আমাকে আমার জীবনের সকল চাহিদা ত্যাগ করেতে বাধ্য করে এবং হতদরিদ্র জীবন এতই নির্মম হয় যে, নিজে এবং নিজের পরিবারকে নিয়েও ঘর ছাড়া হতে হয়। নিজ শ্বশুর ও শাশুড়ি সহযোগিতায় ঢাকায় পোৗছে কোন রকম জীবন-যাপন শুরু করি। বাবা-মা, ভাই-বোন ছাড়া এই কষ্টের জীবন খুবই নির্মম ছিল। দৈনিক ১০০-২০০ টাকা ইনকাম করে জীবনকে কোন পর্যায়ে ঠেলে নিয়ে যাচ্ছিলাম। সেই নির্মম জীবনের পৃষ্ঠাগুলো কতযে রক্তক্ষয়ী ও কান্নাভরা ছিল উপরওলা ছাড়া আর কেউ ভাল জানেনা। সেই সাল-কে ভুলে যাওয়া যে কত কঠিন আজ এই সময়ে লিখতে বসেও ছোখের জল তা স্বরণ করে দেয়। এই সেই ২০০৬ সাল আমার জীবনের প্রথম পৃষ্ঠার সূচনা করে। সেই থেকে সত্যের ও কষ্টের জীবনকে খুব স্বাচ্ছন্দে উপভোগ করে আসছি। একদিন এই কষ্টের জীবন সুখের ছোয়া দেখতে শুরু করে শেখ-হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ স্লোগানের সুবাদে। অনলাইন-এ বসে গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন কাজ পাওয়ার আবেদন শুরু করি । আস্তে আস্তে অনলাইন-এ ছোট-খাটো জব করে নিজের পরিবারের বরণপোষণ যোগান দিতে সক্ষম হই এবং নিজের বাবা-মা ও ভাই-বোনের খোজ-খবর নিতে শুরু করি। তার পরিপেক্ষিতে নিজ গ্রামের পাশের বাড়ির এক ছোট ভাই (মহিন উদ্দিন মোহন) এর সাথে কথা বার্তা হয় তার মারপতে তার বড় ভাই মহসিন বিদেশে (সৈাদিআরব) অবস্থানরত আমার সাথে যোগাযোগ শুরু করে। তারা দু-ভাই মিলে দেশে ও বিদেশে টাকা লেনদেন এর ব্যবসা করে আসছে গত কয়েক বছর ধরে। পুরো রাত জেগে জেগে কাজ করে যখন ফজর এর সময় ঘুমাতে যাই তখন তার ভাই মহসিন ফোন করতে শুরু করে তাদেরকে একটা বিলিং বানিয়ে দেওয়ার অজুহাত নিয়ে। একদিন বিরক্ত হয়ে নাম মাত্র সামান্য টাকার পরিপেক্ষিতে তাদেরকে ফ্ল্যাক্সি লোড, বিকাশ ও রকেট হিসেব থাকার একটা বিলিং বানিয়ে দেই। তার লেশ ধরে মহিন আমার কাছে তাদের ব্যবসায়িক রিলেটেড কাষ্টমার পাওয়ার অনুরোধ করে বলে যে, কখন যদি এমন টাইপের কাস্টমার পেয়ে থাকি, তাহলে তাকে যেন দিয়ে থাকি। আমি তাকে এই ব্যপারে সর্তক থাকার কথা বলি এবং বলে থাকি অনলাইন যে কোন কাষ্টমার মানে বিপদ: হয়ত তোমার টাকা মেরে দিবে অথবা তুমি তার টাকা মেরে দিবা, তার পর আমার হয়রানি। তার পতিউত্তরে মহিন বলে আমি কথাবার্তা বলে যদি মনেকরি সে ভাল, তারপর ব্যবসা করব। তোমার এ-ব্যাপারে চিন্তা করার প্রয়োজন নেই। কুমিল্লার একটি ছেলে টাকা মেরে নেওয়ার একটি অভিজ্ঞতা আমার সাথে হয়েছিল সে ব্যাপারে তাদের পরিবারের সবাই অবগত রয়েছে। তাই তাকে আমি আরও বলি তুমিও জান আমার কতগুলো টাকা মেরে দিয়েছে। মহিন বলল: সমস্যা হলে তার সাথে ব্যবসা করব না। একজন মেরে দিয়েছে বলে কি সবাই ব্যবসা অপ করে দিয়েছে?

যাইহোক, কিছুদিন যাওয়ার পর অনলাইন থেকে কল করা একজন কাস্টমার রুবেল নামে পরিছয় দানকারী মহিন উদ্দিন মোহনদের নেওয়া বিলিং-এর ন্যায় একটি বিলিং নেওয়ার কথা বার্তা বলে। কথাবার্তার এক পর্যায়ে সে বলে: আমার কাছে এখন বিলিং কিনার মত টাকা নেই, সবে মাত্র ব্যবসা শুরু করেছি। আপনার কাছে যদি কোন কাষ্টমার থেকে থাকে এমন ব্যবসার সাথে জড়িত তাহলে তাদের একটা যোগাযোগ এর নাম্বর আমাকে দিবেন। আমি তাকে মহিন উদ্দিন মোহনের মত নিদের্শনা দিয়ে থাকি সেও মহিনের ন্যায় একই উত্তর দিয়ে থাকে।

দুই-তিন দিন পর যে কোন এক পর্যায়ে আমি-মহিনকে অথবা মহিন-আমাকে মোবাইলে কল করে এবং কথা-বার্তার এক সময়ে আমি তাকে বিষয়টা জানাই। মহিন বলে, তার নাম্বার যেন তাকে না দিয়ে রুবেল নামের পরিছয়দানকারী ঐ লোককে দিতে। যদি সে কল করে এবং তার কথাবার্তা পছন্দ হয় তাহলে তারা ব্যবসা শুরু করেবে। অন্যথায় নয়। আমি তবুও তাকে সর্তক থাকতে বলি এবং আরো বলে থাকি যদি কোন সময়ে কোন সমস্যায় জড়িত হয়ে পড়িছ তাহলে এই ব্যপারে আমি দায়ী নয়। সে বলে, তোর কোন চিন্তার প্রয়োজন নেই।

এই হচ্ছে মূল বিষয়টি। এর সাথে বলে রাখা ভাল যে আমার সাথে মহিনের কোন ব্যবসায়িক সর্ম্পক নেই। সে আমাকে বিভিন্ন বার তার ব্যবসার সাথে যুক্ত হতে বলে থাকলেও আমি তাদের সাথে কোনভাবে ব্যবসার অংশিদার হইনি। কারণ আমি থাকি ঢাকায় আর সে থাকে গ্রামে এবং তাদের ব্যবসা আমার কাছে যথাযথ মনে হয় নাই । তাই তাদের সাথে ব্যবসায়িক সর্ম্পক গড়ে উঠার মন-মানষিকতা তৈরি হয় নাই।

পরিশেষে, ব্যাংক যে দিন তাকে কল করে এবং ছয় লক্ষ টাকা লেন দেন শেষ হয়। ঠিক একই দিন আমি দেশের বাড়িতে যাই এবং বাড়িতে পৌছেই মহিনকে কল দিয়ে জানাই, আমি বাড়িতে আসছি। তার কিছুক্ষন পর মহিন আমাকে পূনরায় কল দিয়ে থাকে এবং বলে চাটখিল যেতে একটা বিশেষ কাজে। তখন আমি জিঙ্গেস করি তুই কোথায় আছো। মহিন বলে আমিও চাটখিল আছি। আমি দেরি না করে সাথে সাথে চাটখিল এর পথে রওনা করি। চাটখিল পৌছে যখন আবর জিঙ্গেস করি কোথায় আছো? সে বলে প্রাইম ব্যাংকে যেতে। তখনও আমি জানিনা যে ব্যাংকের এই জামেলায় জড়িত আছে। আমি ব্যাংকে গিয়ে দেখি মহিন বসে আছে ও ব্যাংকের লোকদের সাথে কথাবার্তা বলতেছে। আমাকে দেখে মহিন বলে উঠে, এই সেই লোক যে আমাকে এই কাষ্টমার দিয়েছে। আমি ব্যাংকের কর্মমর্তাদের সাথে প্রায় অনেকক্ষন তর্কবির্তক করে থাকি এক সময় ব্যাংক আমার কাছ থেকে ঐ লোকের ঠিকানা চায়। আমি বলি: এটা কিভাবে সম্ভব? আমি একজন ফ্রিলান্সার আমাদেরকে কেউ ঠিকানা দেখিয়ে কাজ করায় না। আর আমাদের কারো ঠিকানা দেখরা প্রয়োজন হয় না। বিশেষকরে মহিনের কাস্টমার আমার কাষ্টমারও না। তাহলে আমার পক্ষে তার পরিচয় বলা অথবা তার ঠিকানা দেওয়া সম্ভব হয় কিভাবে? মহিন যদি তার সাথে ব্যবসায় সংযুক্ত হয় তাহলে মহিন তার পরিচয় ও ঠিকানা নেওয়া মানায়। আমি তার ঠিকানা তো দুরের কথা তার পরিচয় জিঙ্গেস করারও অপশন এখানে থাকেনা। (এই একই বিষয়ে মহিনের বড় ভাই মহসিন আমাকে অনেক জেরা করে। যখন মহিনকে পুলিশ আটক করে থাকে)। এর মধ্যে ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা মহিনকে বলে তার ঐ কাস্টমারকে কল দিতে অতপর: মহিন তাকে কল দেয় এবং মহিনের মোবাইলে কথা বলার ধরণ দেখে কিছুটা সনেদহজনক মনে হয়, আর এটা ব্যাংকের কর্মকর্তারাও উপলব্দি করতে পারে। আরো কথাবার্তা বলে উপলোব্দি হয় যে, আমি রুবেল নামে যে ব্যাক্তিকে তার নাম্বার দিয়েছি সে নাকি হৃদয়খান নামে মহিনের কাছে পরিছয় দেয়।

পরিশেষে ব্যাংক একটি অঙ্গিকার নামা লিখে আমাকে স্বাক্ষী হিসেবে রেখে মহিনে বাড়ি চলে যেতে দেয়। তার কয়েকদিন পর আমি ঢাকায় ফিরে আসি এবং মহিনকে বলে আসি যেন ব্যাংকে এই ব্যাপারে সহযোগিতা করতে এবং কোন সহযোগিতার প্রয়োজন হলে আমাকে কল করতে। এর মধ্যে ব্যাংক আমাকে অনেকবার কল দিয়ে থাকে আমি ব্যাংকে বলি: ভাই আমি একজন তৃতীয় পক্ষ এখানে আমার দেওয়া লোক মহিনের সাথে ব্যবসা করতেছে এমন কিছু আমাকে জানায় নাই। মহিন বিপদে পড়ে এমন বলতেছে । নাকি, সে নিজেই কিছু করেছে তার ব্যপারে কোন কিছু বলা আমার পক্ষে সম্ভব না। আপনারা মহিনের সাথে কথা বলে দেখেন। এসব ব্যপারে মহিনকে জানালে মহিন আমাকে উল্টো বলে থাকে এবং ব্যাংকে বলতে বলে যে, এইগুলো হচ্ছে মহিন আর ব্যাংকের ব্যাপার যেন তারা আমাকে না কল করে।

মামলার এজহার:
প্রাইম ব্যাংক দায়েরকৃত মামলা নং ১৯/২২৪ -১২-২১০৪ পুরাতন এবং ১৫৪/২০১৭ নতুন -এর জের ধরে মিথ্যে ও বানোয়াট অভিযোগে আজ পযর্ন্ত আইনের ছোখে অপরাধী হয়ে আছি। ব্যাংক আমাকেও অপরাধী বানিয়ে ৩নং আসমী হিসেবে চালিয়ে দিয়েছে। মহিনকে ধরে ব্যাংকের টাকা ফেরত ও পেয়েছে। অবশেষে আমি আছি বড় চিন্তায়। কখন পুলিশ আমাকে ধরে জেলে ঢুকিয়ে দেয়। জীবনে কখন কোন মামলায় পড়িনি কোন জামেলায় ও যায় নি। তাই দিশেহারা হয়ে বসে বসে দিন গুনতেছি কখন যে ধরা পড়ি। কি করব, কার কাছে যাব, কার কাছে গেলে কোন উপকার পাব সেই চিন্তায় চিন্তায় রাত-দিন সমান হয়ে পড়েছে।
এর মাঝে বিভিন্ন লোকের সাথে আলাপ করা হয়েছে। কেউ ভয় দেখায়, কেউ সাহস দেখায়, কারও হাসী পায় আবার কারও আপসোসও হয়। এক উকিলকে ২০ হাজার টাকা দিয়েও কোন কাজ হয় নাই। তাই এই মামলার অগরোসর হয় নাই। কারন সে বলে মিথ্যে বলতে হবে। আমি বলি, মিথ্যে এখানে কেন? এখানে আমি এমন কিছু করি নাই যে আমাকে মিথ্যেই বলতে হবে। বুঝিনা এই দুনিয়ার হিসেব কাকে দিয়ে উপকার হবে। আর কাকে দিয়ে অপকার হবে।

আপনি যদি উপরোক্ত বিষয়গুলো পড়ে থাকেন আর মনে করেন কিছু করা সম্ভব দয়াকরে আমাকে রিপ্লাই দিবেন।

ধন্যবাদ পড়ার জন্য
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জুন, ২০২১ ভোর ৪:২৪
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Victims of enforced disappearances পার্সন হিসেবে আমার বক্তব্য.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৫ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১২:২১

গত ২৫ এবং ২৬ এপ্রিল ২০২৬ এ মানবাধিকার সংগঠন 'অধিকার' এবং World Organization Against Torture (OMCT) এর যৌথ উদ্যোগে ঢাকায় “The Prevention of Torture and the Implementation of UNCAT and... ...বাকিটুকু পড়ুন

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির উত্থান বাংলাদেশের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব

লিখেছেন ওয়াসিম ফারুক হ্যাভেন, ০৫ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১:২৯

পশ্চিমবঙ্গের বিধান সভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) জয় এবং এর ফলে উদ্ভূত আদর্শিক পরিবর্তন কেবল ভারতের একটি প্রাদেশিক বিষয় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের খারাপ দিনের পর

লিখেছেন সামিয়া, ০৫ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৪




আমার মাথা যেন আর কাজ করছিল না। বাইরে থেকে আমি স্বাভাবিক হাঁটছি, চলছি, পড়ছি, বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিচ্ছি কিন্তু ভেতরে ভেতরে আমি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছিলাম মায়ের কথা ছোট বোনটার... ...বাকিটুকু পড়ুন

গেরুয়া মানচিত্রে পশ্চিমবঙ্গ: একটি রাজনৈতিক বিশ্লেষণ ও শিক্ষা।

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৫ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:৩৮


দীর্ঘ ১৫ বছরের টিএমসির শাসনের সমাপ্তি ঘটিয়ে অবশেষে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতীয় রাজ্য পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে। গেরুয়া শিবিরের এই ভূমিধস জয়ের পেছনে অবশ্য মোদি ম্যাজিকের চেয়ে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতার ব্যর্থতার... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিজের দোষ দেখা যায় না, পরের দোষ গুনে সারা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৬ ই মে, ২০২৬ রাত ২:১০


ভারতের বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পতন নিয়ে বাংলাদেশে যে পরিমাণ চুলচেরা বিশ্লেষণ হচ্ছে, তা দেখে অবাক না হয়ে উপায় নেই। সোশ্যাল মিডিয়ায় ঢুকলেই দেখা যায় অদ্ভুত সব তত্ত্ব। ফেইসবুক... ...বাকিটুকু পড়ুন

×