সংগ্রহঃদৈনিক ইনকিলাব
প্রাইমারি থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত অমুসলিম
শিক্ষকদের গড় হার ৫৮ ভাগেরও বেশি। কোনো
কোনো বিদ্যালয়ের ৮৫ ভাগ শিক্ষকই বিধর্মী।
একটি শিশু কোমল মন নিয়ে যখন শিক্ষালাভ শুরু
করে তখন তার শিক্ষক বা গুরুর ধর্মবিশ্বাসের
প্রতি সে আসক্ত হয়ে পড়ে। তার মিস, ম্যাডাম
বা টিচারের ধর্মীয় ভাবধারা, রীতি সংস্কৃতি,
চিন্তা-চেতনার প্রভাব শিশুটির উপর পড়বেই।
তাহলে মুসলিম শিশুরা ছোটবেলা কী শিখবে?
৭% জনগোষ্ঠীর কৌশলগত নিযুক্তির ফলে আজ
তারা প্রায় ৬০ ভাগ শিক্ষকতার পদ দখল করে
আছেন। দেশটির রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। সে দেশে
শিক্ষাব্যবস্থার ১ম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ
শ্রেণী পর্যন্ত পাঠ্যপুস্তকে বিধর্মী লোকদের
লেখা গল্প, কবিতার পরিমাণ ৫৭ থেকে ৮০
ভাগ। এসব লেখার মাধ্যমে ১৫ কোটি
মুসলমানের ছাত্রসমাজকে তাদের আত্মপরিচয় ও
ধর্মীয় ভাবধারা ভুলিয়ে দেয়া হচ্ছে। এসব
লেখায় ‘‘নেমন্তন্ন, ভজন, বাবু, প্রসাদ, পূজা,
পার্বণ, বৈষ্ণব, চ-ীম-প, প্রায়শ্চিত্ত, ভগবতী,
শ্মশান’’ ইত্যাদির ন্যায় বহু বিশেষ অর্থ ও
মর্মবোধক শব্দ ব্যবহার করে এবং শিক্ষাঙ্গনে
ধর্মীয় সঙ্গীত শ্রবণের উৎসাহ দিয়ে মুসলিম
ছাত্রছাত্রীদের নিজ ধর্মবিশ্বাস দুর্বল করে
ভিন্ন ধর্মের দিকে (নাউজুবিল্লাহ) ধাবিত
করার সূক্ষ্ম প্রয়াস চালানো হচ্ছে। অনেক
শিক্ষাঙ্গনে এখন সকল ছাত্রকেই সরস্বতী পূজায়
উৎসাহিত করা হয়ে থাকে। অথচ মুসলমানের জন্য
দেব-দেবীর পূজা করা সম্পূর্ণ অবৈধ, হারাম ও
শিরক।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।









