somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পানি ছাড়া কঠিন কিন্তু সুখকর কিছু সময়...!

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বলতে গেলে গত দুইদিন এপার্টমেন্ট বিল্ডিং এ পানি নাই! পাশের একটা কন্সট্রাকশন কাজ চলার সময় দুর্ঘটনায়
আমাদের বিল্ডিং এর পাইপ লাইন ভেঙ্গে গেছে! সঙ্গে সঙ্গে ওরা নোটিস দিয়ে সবাই কে জানিয়ে দিয়েছে এবং সবসময় আপডেট দিচ্ছে।
গত রাতে তবুও সামান্য ট্যাঙ্কের পানি পেয়েছিলাম। তাছারাও গতকাল ফায়ার সার্ভিস দিয়ে
কিছু পানির ব্যাবস্তা করেছিল। কিন্তু ৩৬ তলা এপার্টমেন্ট বিল্ডিং এর সবার জন্য এভাবে পানির ব্যবস্তা করা কতক্ষন সম্ভব! তাই আজ রাতে কিছুই
পেলাম না। গত সন্ধ্যা বেলায় জিজ্ঞেস করেছিলাম, কখন সব কিছু ঠিক হবে! বলেছিল আজ সকাল ৫:৩০ মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে,
তারা রাত দিন কাজ করছে! শুনে অন্তত খুশি হলাম এবং ভাবলাম ঠিক আছে, আমার হয়ত রাতে পানির দরকার পড়বে না,
সকালে পেলেই চলবে। কিন্তু সকালে উঠে দেখি, কোন পানি নাই! সর্বনাশ ! এখন কি হবে! গেলাম নিচে...রিসেপশনে, জিজ্ঞেস
করলাম, কি ঘটনা! বলল সকাল ৯ টার মধ্যে ঠিক হবে, এখনো ঠিক করতে পারে নাই। এদিকে আমার মাথা ধরে গেছে,
গোছল করতে হবে, ব্রাশ আরও অনেক কিছু! ৯ টা পর্যন্ত অপেক্ষা করা অসম্ভব। কি করা যায়...কি করা যায়...ভাবছি।
দেখলাম কয়েকজন ছাদের মাথা থেকে ২-১ বালতি করে পানি আনছে। এগিয়ে গিয়ে দেখলাম, ছাদের সুইমিং পুল থেকে পানি আনা হচ্ছে!
যাক বাবা, বাচা গেল! কিছু পানি হয়ত এবার পাওয়া যাবে! গেলাম বালতি নিয়ে, হাফ বালতি আনলাম, ব্রাশ ও আরও কিছু সারলাম।
আবার গেলাম, ১ বালতি আনলাম। গোসলও সেরে ফেললাম। বুঝলাম কম থাকলে মানুষ কিভাবে অল্পতে ম্যনেজ করে! আমার
মাত্র দেড় বালতি পানিতে সব কিছু সুন্দর ভাবে হয়ে গেল কিন্তু অন্যদিন ৫ বালতিতেও হয় না!যদিও এই রকম দুর্দশার অভিজ্ঞতা
আমার আগেও ছিল। ঢাকাতে ২-৩ বার এবং ইন্ডিয়াতে ১-২ বার।

বিদ্যুত আর পানির প্রোয়জনীয়তা ভিন্ন রকমের। বিদ্যুত ছাড়া তবুও একটু চলা যায় তবে পানি ছাড়া চলা একেবারেই অসম্ভব!
একানে অন্ধকারে মোমবাতিতে থাকার অভিজ্ঞতা ২-৩ বার আছে। বক্স থেকে সময়মত বিদ্যুত বিল কালেক্ট করতে ভুলে গিয়ে বিপত্তি।
অফিস থেকে রুমে ফিরে দেখি বিদ্যুত নাই! কারন, সময় মত বিল দেওয়া হয়নি। আমার বিল অফিস থেকেই দেয় কিন্তু আমাকে বিলের
কাগজ বক্স থেকে কালেক্ট করে অফিসে জমা দিতে হয়। এই রকম ২-৩ বার হবার পর থেকে অফিস থেকে বুঝে গেছে তাই আমাকে বার বার বিল কালেক্ট করার কথা মনে করিয়ে দেয়।
তাই এখন আর সমস্যা হয় না। :)
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কি আছে কারবার

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৪৩


ঐ যে হেঁটে যাচ্ছিলাম- দেখলাম
ভণ্ডামি আর প্রলোভন কাণ্ড;
ক্ষমতায় যেনো সব, ভুলে যাচ্ছি অতীত-
জনগণ যে ক্ষেতের সফল ভিত
অবজ্ঞায় অভিনয়ে পাকাপোক্ত লঙ্কা;
চিনলাম কি আর খেলেই ঝাল ঝাল
তবু ভাই চলো যাই, হেঁটে- হেঁটেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিংহাসনের লড়াই: নেকড়ের জয়ধ্বনি ও ছায়ার বিনাশ

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৪৮



“Game of Thrones: Winter is coming” - এর ছায়া অবলম্বনে।

বাংলার আকাশে এখন নতুন সূর্যের আভা, কিন্তু বাতাসের হিমেল পরশ এখনো যায়নি। 'পদ্মপুর' দুর্গের রাজকীয় কক্ষের একপাশে বিশাল মানচিত্রের দিকে তাকিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

৭১ পরবর্তি বাংলাদেশ ( পর্ব ০৮)

লিখেছেন মেহেদী আনোয়ার, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:২৩


মুক্তিযুদ্ধে ‘ত্রিশ লাখ শহিদ হয়েছে'— এই দাবি বিশ্ববাসী প্রথম জানতে পারে ৩ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে সোভিয়েত রাশিয়ার কমিউনিস্ট পার্টির পত্রিকা ‘প্রাভদা'তে প্রকাশিত এক সংবাদ নিবন্ধে। দু'দিন পর চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ শবে বরাত!!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:২০



ইসলামি বিশ্বাস মতে,
এই রাতে আল্লাহ তার বান্দাদেরকে বিশেষ ভাবে ক্ষমা করেন। ফারসি 'শবে বরাত' শব্দের অর্থ ভাগ্য রজনী। দুই হাত তুলে প্রার্থনা করলে আল্লাহ হয়তো সমস্ত অপরাধ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফেলে আসা শৈশবের দিনগুলি!

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:২১


চট্টগ্রামে আমার ছোটবেলা কেটেছে নানুর বাড়িতে। চট্টগ্রাম হলো সুফি আর অলি-আউলিয়াদের পবিত্র ভূমি। বেরলভী মাওলানাদের জনপ্রিয়তা বেশি এখানে। ওয়াহাবি কিংবা সালাফিদের কালচার যখন আমি চট্টগ্রামে ছিলাম তেমন চোখে পড়েনি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×