somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হাসিনা কেন নেদারল্যান্ড যাচ্ছে?

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৫ ভোর ৫:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যে কোন দলের কিংবা রাজনীতি সচেতন বন্ধুরা কষ্ট হলেও একটু আমার পোষ্টটি পড়বেন প্লীজ।
হঠাৎ করে হাসিনা কেন নেদারল্যান্ড যাচ্ছে?কিছু দিন আগে হাসিনা লন্ডন হয়ে আমেরিকায় কেন গেলো?এই সময়ের মধ্যে পর পর পর্যায়ক্রমে এতোগুলো ঘটনা কেন ঘটলো?
গত কয়েক বছর নেদারল্যান্ড ফ্রিডম পার্টির নেতা গেরট উইলডারসকে অবজারভ করছিলাম তার চরম ইসলাম বিদ্বেষীতা নিয়ে,ইনফেক্ট টেক্সাসে গত বছরের এক্সট্রিমিস্ট হামলার ঘটনাস্থলে একটি এন্টি-ইসলামিক কনফারেন্সে বিশেষ অতিথি ছিল নেদারল্যান্ডের এই পার্টি লিডার।
হাসিনার গত ৪৫ দিনের এক্টিভিটিজ অবজারভ করলে বুঝতে পারবেন হাসিনা দেশকে জঙ্গি রাষ্ট্র বানানোর জন্যে যা যা করা লাগে তার চেয়েও অনেক বেশি করে ফেলেছে,আমি পিচ্ছি পোলা এখন হনফ করে বলছি হাসিনার আগামির টার্গেট গুলো এবং এগুলো এক্জাক্টলি একই ভাবে আমার চিন্তার সূত্র অনুসরন করেই হবে গেরান্টি দিলাম,জাষ্ট ওয়েইট এন্ড সি।
১)হাসিনার নেক্সট টার্গেট হচ্ছে নেদারল্যান্ডের ইসলাম বিদ্বেষী কূটনৈতিক চ্যানেল ব্যাবহার করে ফ্রান্সের সরকারের সাথে হাত করে সমগ্র ইউরোপকে বিশ্বাস করানো যে বাংলাদেশ একটি জঙ্গি রাষ্ট্র।
২)ফান্স সরকার বাংলাদেশের ব্যাপারে কোন কঠিন বিবৃতি দেওয়া মানে ব্রিটিশ সরকারের ও ১০০ ভাগ সমর্থন থাকা।যদিও ব্রিটিশ সরকার বাংলাদেশের রিয়েল অবস্থা ভালো করেই জানে বা বোঝে, আর লন্ডনে জামাত বিএনপির মোটামুটি স্ট্রং লবিং থাকায় এখানে কূটনৈতিকভাবে হাসিনা কূটচাল চালার সাহস পাচ্ছে না।
অবশ্য টেলিগ্রাফ,ডেইলিমেইল,ইন্ডিপেন্ডেন্ট,
ইকনোমিষ্ট সহ সকল মেইনস্ট্রিম প্রিন্ট মিডিয়াসহ,বিবিসি তে ইভেন গত পরশু দিনের ঘটনাটাও আলকায়দা রিলেটেড এক্সট্রিম ইসলামিষ্ট গ্রুপগুলোর দায় স্বীকারের বরাত দিয়ে ফলাওভাবে নিউজ প্রচার করায় হাসিনা সফল হয়েছে।
৩)অন্যদিকে নিউইয়র্ক পোষ্টসহ আরো অন্যান্য আমেরিকান ভিত্তিক জাতীয় দৈনিকগুলোতে হাসিনার তৈরি স্পেশাল টিমের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমিক রিপোর্ট করে পশ্চিমাদের খাওয়ানোর জোর চেষ্টা চলছে।
৪)কানাডার বতর্মান অপজিশন পার্টির সাবেক হোম সেক্রেটারিসহ জোর লবিং করেও তাদের হাত করা সম্ভব,(সাবেক হোম মিনিষ্টার চরম ইসলাম বিদ্বেষী,তার প্রমান ব্রিটিশ রিস্পেক্ট পার্টির এমপি ও ল মেকার সাবেক লেবার পার্টির এমপি জর্জ গেলোয়ে কে মুসলিম ও ফিলিস্তিনসহ মুসলিম বিশ্বের পন্থীদের কাতারে ফেলে কানাডায় ঢুকতে না দেয়া এবং কানাডিয়ান ন্যাশনাল টেলিভিশনে তৎপ্রাসঙ্গিক মুখোমুখি আর্গুমেন্ট।আর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জাষ্টিন ট্রুডো তো যেই দিকে মেঘ সেই দিকে ছাতা ধরে,যে লোক দখলদার ইসরাইলীদের পরম বন্ধু মনে করে নৈতিকভাবে তার কাছ থেকে কি আশা করা যেতে পারে?
যাইহোক ,ইউরোপের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক শক্তি রিলাই করে ব্রিটেন,ফ্রান্স,নেদারল্যান্ডের উপর,রাজনৈতিকভাবে এই ৩ দেশ যা বলবে অন্যান্য দেশগুলো তা চরম লয়াল বা সুবোধ শিশুর মতোই মেনে নেবে জার্মানি ছাড়া।ইউরোপিয় ইউনিয়নসহ সেনজেনভূক্ত দেশগুলো ও ইইএ ভুক্ত দেশগুলো হাসিনার হাতের নাগালে প্রায় চলে আসছে।
৫)তারপর টার্গেট হলো অট্রেলিয়া।নিউজিল্যান্ডতো ইতিমধ্যেই দেখলেন।৬)বছর দুয়েক আগে ৮ লাখ মিলিয়ন ডলারের অস্ত্রতো রাশিয়া থেকে এমনে এমনে কেনেনি,সম্পর্ক উন্নয়নের নামে এক ঢিলে ৩ পাখি এই আর কি।আমার আপনার টাকা দিয়ে ১ টাকার জিনিস ২০,০০০ টাকা দিয়ে কিনলে রাশিয়ানরাতো সুদৃষ্টি আপনার দিকে দিতে বাধ্যই।
৭)তারপর দেশে গিয়েই মেক্সিমাম ৫ টা বড় ঘটনা ঘটাতে পারলেই আমেরিকা ও ইউরোপ জঙ্গি বিদ্যমানের কার্ডটি অনুমোদন করে দিলেই হাসিনার ২০০৮ থেকে ২০১৫ সালের মিশন ১০০ভাগ সফল হবে।
কষ্ট লাগে বিএনপির দিকে তাকালে,হায়রে বিএনপি,দল পূনর্গঠন,সৎ,যোগ্য,ত্যাগি,ও মেধাবী এবং রাজনৈতিক প্রজ্ঞা সম্পন্ন ইয়াংদের বাচাই করতে খুব বেশিই দেরি করে ফেলেছে মনে হয়।যে জায়গায় হাসিনার মতো মাফিয়ার সাথে টেক্কা দিতে চাল চালা উচিত ইবলিসের মতো,সেই জায়গায় নিস্ক্রিয়তার ভূমিকাও পালন করতে ব্যার্থ হচ্ছে বিএনপি।সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় প্রতিবাদের একমাত্র রাজনৈতিক প্লাটফর্মই বিএনপির অথচ বিএনপি বর্তমান মাফিয়া সরকারকে টেকল করতে ফাইনাল খেলায়ও ব্যার্থ হলে এজ এ মেম্বার অব পাবলিক আমি বিএনপিকে নৈতিকভাবে কোন দিন ক্ষমা করবো না।
যেই হাসিনা সাধারন মানুষের এতো ক্ষতি করে,সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করে,ভারতকে নিজের সয্যা সঙ্গি বানিয়ে আমার দেশের খেটে খাওয়া মানুষের পেটে লাথি মেরে,ক্ষমতায় থাকার জন্যে দেশকে জঙ্গিময়সহ দোযখ বানানোর সর্বশেষ প্রক্রিয়া গ্রহন করতে পারে,তার দ্বারা তার বাবার হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ হিসেবে পশ্চিমা কিংবা ভারতের কাছে আমার মাতৃভূমিকে তুলে দেওয়া একে বারেই অসম্ভবের মতো মনে হয়না আজকাল আমার কাছে।
বাংলাদেশ দির্ঘ্যজীবি হোক।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৫ ভোর ৫:০২
১৭টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বস্ত্রশিল্পের জন্য আমি সরকারের যথাযথ স্থানে থাকলে কি করতাম !!!

লিখেছেন অপলক , ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৬



গত ১০ দিন হল দেশের বস্ত্র শিল্পের উপর আঘাত খুব চিন্তার বিষয়। অনেক আগে বিচ্ছিন্নভাবে বস্ত্রশিল্প নিয়ে কথা বলেছিলাম। আজ সব মিলিয়ে কিছু চিন্তা করলাম। তার কিছু এখানে নোট... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য নির্মূলে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি সমন্বিত নগর পরিকল্পনা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭


প্রস্তাবিত প্রকল্প: স্বাবলম্বী বাংলাদেশ - দারিদ্র্যমুক্তির নতুন নগর

আমি যদি সরকারের দারিদ্র্য নির্মূল বিভাগের প্রধান হতাম, তাহলে আমার প্রথম লক্ষ্য হতো বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করা ১ কোটি ৭০... ...বাকিটুকু পড়ুন

Sajna

লিখেছেন আরমান আরজু, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১



Sajna
Love is sacred;
Commences from the intense mystery of pure souls.
Has a beginning, but no end;
Here, only peace prevails.
So, love—
Solely for the sincere and the disenchanted,
Not for the pharisaic.
...বাকিটুকু পড়ুন

বিপ্লব সংহতি দিবস সফল ও সার্থক হোক.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:১১



আজকে নাকি বিপ্লব সংহতি দিবস। দল ক্ষমতায় থাকলে অনেক রকমের দিবস পালিত হয়। আওয়ামী লীগের সময় শেখ জামাল-কামালের বিবাহ দিবস, শিশু শহীদ শেখ রাসেলের সুন্নাতে খৎতা দিবস আরো কতো কি?... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝাল্লাগে ভাল্লাগে- ২

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৯


"যে-রাঁধুনী জানে তার তরকারিতে স্বাদ হয়নি, সে নিমেষে লঙ্কার কৌটো উপুড় করে দেবে। তারপর অতিথি যখন কান দিয়ে ধোঁয়া ছেড়ে হাঁউমাউ করবে, রাঁধুনী তখন মিটিমিটি হেসে বলবে—‘একটু ঝাল বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×