যে কোন দলের কিংবা রাজনীতি সচেতন বন্ধুরা কষ্ট হলেও একটু আমার পোষ্টটি পড়বেন প্লীজ।
হঠাৎ করে হাসিনা কেন নেদারল্যান্ড যাচ্ছে?কিছু দিন আগে হাসিনা লন্ডন হয়ে আমেরিকায় কেন গেলো?এই সময়ের মধ্যে পর পর পর্যায়ক্রমে এতোগুলো ঘটনা কেন ঘটলো?
গত কয়েক বছর নেদারল্যান্ড ফ্রিডম পার্টির নেতা গেরট উইলডারসকে অবজারভ করছিলাম তার চরম ইসলাম বিদ্বেষীতা নিয়ে,ইনফেক্ট টেক্সাসে গত বছরের এক্সট্রিমিস্ট হামলার ঘটনাস্থলে একটি এন্টি-ইসলামিক কনফারেন্সে বিশেষ অতিথি ছিল নেদারল্যান্ডের এই পার্টি লিডার।
হাসিনার গত ৪৫ দিনের এক্টিভিটিজ অবজারভ করলে বুঝতে পারবেন হাসিনা দেশকে জঙ্গি রাষ্ট্র বানানোর জন্যে যা যা করা লাগে তার চেয়েও অনেক বেশি করে ফেলেছে,আমি পিচ্ছি পোলা এখন হনফ করে বলছি হাসিনার আগামির টার্গেট গুলো এবং এগুলো এক্জাক্টলি একই ভাবে আমার চিন্তার সূত্র অনুসরন করেই হবে গেরান্টি দিলাম,জাষ্ট ওয়েইট এন্ড সি।
১)হাসিনার নেক্সট টার্গেট হচ্ছে নেদারল্যান্ডের ইসলাম বিদ্বেষী কূটনৈতিক চ্যানেল ব্যাবহার করে ফ্রান্সের সরকারের সাথে হাত করে সমগ্র ইউরোপকে বিশ্বাস করানো যে বাংলাদেশ একটি জঙ্গি রাষ্ট্র।
২)ফান্স সরকার বাংলাদেশের ব্যাপারে কোন কঠিন বিবৃতি দেওয়া মানে ব্রিটিশ সরকারের ও ১০০ ভাগ সমর্থন থাকা।যদিও ব্রিটিশ সরকার বাংলাদেশের রিয়েল অবস্থা ভালো করেই জানে বা বোঝে, আর লন্ডনে জামাত বিএনপির মোটামুটি স্ট্রং লবিং থাকায় এখানে কূটনৈতিকভাবে হাসিনা কূটচাল চালার সাহস পাচ্ছে না।
অবশ্য টেলিগ্রাফ,ডেইলিমেইল,ইন্ডিপেন্ডেন্ট,
ইকনোমিষ্ট সহ সকল মেইনস্ট্রিম প্রিন্ট মিডিয়াসহ,বিবিসি তে ইভেন গত পরশু দিনের ঘটনাটাও আলকায়দা রিলেটেড এক্সট্রিম ইসলামিষ্ট গ্রুপগুলোর দায় স্বীকারের বরাত দিয়ে ফলাওভাবে নিউজ প্রচার করায় হাসিনা সফল হয়েছে।
৩)অন্যদিকে নিউইয়র্ক পোষ্টসহ আরো অন্যান্য আমেরিকান ভিত্তিক জাতীয় দৈনিকগুলোতে হাসিনার তৈরি স্পেশাল টিমের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমিক রিপোর্ট করে পশ্চিমাদের খাওয়ানোর জোর চেষ্টা চলছে।
৪)কানাডার বতর্মান অপজিশন পার্টির সাবেক হোম সেক্রেটারিসহ জোর লবিং করেও তাদের হাত করা সম্ভব,(সাবেক হোম মিনিষ্টার চরম ইসলাম বিদ্বেষী,তার প্রমান ব্রিটিশ রিস্পেক্ট পার্টির এমপি ও ল মেকার সাবেক লেবার পার্টির এমপি জর্জ গেলোয়ে কে মুসলিম ও ফিলিস্তিনসহ মুসলিম বিশ্বের পন্থীদের কাতারে ফেলে কানাডায় ঢুকতে না দেয়া এবং কানাডিয়ান ন্যাশনাল টেলিভিশনে তৎপ্রাসঙ্গিক মুখোমুখি আর্গুমেন্ট।আর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জাষ্টিন ট্রুডো তো যেই দিকে মেঘ সেই দিকে ছাতা ধরে,যে লোক দখলদার ইসরাইলীদের পরম বন্ধু মনে করে নৈতিকভাবে তার কাছ থেকে কি আশা করা যেতে পারে?
যাইহোক ,ইউরোপের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক শক্তি রিলাই করে ব্রিটেন,ফ্রান্স,নেদারল্যান্ডের উপর,রাজনৈতিকভাবে এই ৩ দেশ যা বলবে অন্যান্য দেশগুলো তা চরম লয়াল বা সুবোধ শিশুর মতোই মেনে নেবে জার্মানি ছাড়া।ইউরোপিয় ইউনিয়নসহ সেনজেনভূক্ত দেশগুলো ও ইইএ ভুক্ত দেশগুলো হাসিনার হাতের নাগালে প্রায় চলে আসছে।
৫)তারপর টার্গেট হলো অট্রেলিয়া।নিউজিল্যান্ডতো ইতিমধ্যেই দেখলেন।৬)বছর দুয়েক আগে ৮ লাখ মিলিয়ন ডলারের অস্ত্রতো রাশিয়া থেকে এমনে এমনে কেনেনি,সম্পর্ক উন্নয়নের নামে এক ঢিলে ৩ পাখি এই আর কি।আমার আপনার টাকা দিয়ে ১ টাকার জিনিস ২০,০০০ টাকা দিয়ে কিনলে রাশিয়ানরাতো সুদৃষ্টি আপনার দিকে দিতে বাধ্যই।
৭)তারপর দেশে গিয়েই মেক্সিমাম ৫ টা বড় ঘটনা ঘটাতে পারলেই আমেরিকা ও ইউরোপ জঙ্গি বিদ্যমানের কার্ডটি অনুমোদন করে দিলেই হাসিনার ২০০৮ থেকে ২০১৫ সালের মিশন ১০০ভাগ সফল হবে।
কষ্ট লাগে বিএনপির দিকে তাকালে,হায়রে বিএনপি,দল পূনর্গঠন,সৎ,যোগ্য,ত্যাগি,ও মেধাবী এবং রাজনৈতিক প্রজ্ঞা সম্পন্ন ইয়াংদের বাচাই করতে খুব বেশিই দেরি করে ফেলেছে মনে হয়।যে জায়গায় হাসিনার মতো মাফিয়ার সাথে টেক্কা দিতে চাল চালা উচিত ইবলিসের মতো,সেই জায়গায় নিস্ক্রিয়তার ভূমিকাও পালন করতে ব্যার্থ হচ্ছে বিএনপি।সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় প্রতিবাদের একমাত্র রাজনৈতিক প্লাটফর্মই বিএনপির অথচ বিএনপি বর্তমান মাফিয়া সরকারকে টেকল করতে ফাইনাল খেলায়ও ব্যার্থ হলে এজ এ মেম্বার অব পাবলিক আমি বিএনপিকে নৈতিকভাবে কোন দিন ক্ষমা করবো না।
যেই হাসিনা সাধারন মানুষের এতো ক্ষতি করে,সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করে,ভারতকে নিজের সয্যা সঙ্গি বানিয়ে আমার দেশের খেটে খাওয়া মানুষের পেটে লাথি মেরে,ক্ষমতায় থাকার জন্যে দেশকে জঙ্গিময়সহ দোযখ বানানোর সর্বশেষ প্রক্রিয়া গ্রহন করতে পারে,তার দ্বারা তার বাবার হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ হিসেবে পশ্চিমা কিংবা ভারতের কাছে আমার মাতৃভূমিকে তুলে দেওয়া একে বারেই অসম্ভবের মতো মনে হয়না আজকাল আমার কাছে।
বাংলাদেশ দির্ঘ্যজীবি হোক।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


