somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পেশোয়ার হত্যাকান্ড ইসলামের উপর এক বড় আঘাত

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ১১:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


বছরটা ভালোই যাচ্ছিল। হঠাৎ ১৬ ডিসেম্বর ইসলামী লেবাসধারী জঙ্গীরা পেশোয়ারে একটি স্কুলে হামলা করে নিষ্পাপ অসংখ্য শিশু ও অনেক নিরীহ মানুষকে হত্যা করে। যা সত্যিই মর্মান্তিক। আমি মনে করি- এ হামলা শুধু পেশোয়ারের কিছু মানুষের উপর হামলা নয়, বরং এ হামলা সমগ্র মানুষের উপর বিশেষ করে ইসলাম ও মুসলমানের উপর করা হয়েছে। কারণ, এ হামলার পর থেকে তথাকথিত নিন্দুক ও মানবতাবাদীরা ইসলামকে জঙ্গী ধর্ম এবং মুসলমানদের জঙ্গী বলে গালাগাল করতে শুরু করেছে।
অথচ পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে- যে একজন মানুষকে হত্যা করল, সে যেন সকল মানুষকে হত্যা করল, আর যে একজনকে জীবিত রাখল, সে যেন সকল মানুষকে জীবিত রাখল।(সূরা মায়িদা:৩২)
অন্য আয়াতে ইরশাদ করা হয়েছে- তোমরা তোমাদের সন্তানদের দারিদ্রের ভয়ে হত্যা করো না। (সূরা বনি ইসরাইল:৩১)
আরেক আয়াতে বর্ণিত হয়েছে- যখন জীবন্ত প্রথিত কন্যাকে জিজ্ঞেস করা হবে, কি অপরাধে তাকে হত্যা করা হয়েছিল? ( সূরা আত তাকবির:৮-৯)
মক্কা বিজয়ের পর রাসুল (সা.) সকল অপরাধীকে মাফ করে দিয়েছিলেন। সেদিন তিনি ইচ্ছা করলে অপরাধীদের হত্যা করতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা করেন নি, বরং উদারতা শিখিয়েছেন তার উম্মতকে।
অথচ কিছু মানুষ ইসলামের লেবাস পরে, ইসলামের রূপ ধারণ করে, কুরআন ও হাদীস অমান্য করে নির্বিচারে মানুষকে হত্যা করে চলেছে। একেকবার একেক স্থানে তারা তাদের হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে।
ইসলাম শিশুদেরকে হত্যা করতে কঠোরভাবে নিষেধ করেছে। যা আমরা উপরিউক্ত কুরআনের আয়াতে দেখতে পাই। অথচ জালেমরা নিষ্পাপ শিশুদেরও রেহাই দিচ্ছে না, তাদেরকেও হত্যা করছে। পেশোয়ারে তারা শতাধিক শিশুকে হত্যা করেছে। তাদের কারণে ইসলামকে আজ কলঙ্কিত, দাঁড়ি টুপিওয়ালারা সন্ত্রাসীর মিথ্যা অপবাদে অপদস্থ।
অবুঝ সেসব মানুষ যেন এ জঘন্য কাজগুলো আর করতে না পারে এবং আর একজন মানুষও যেন হত্যা করতে না পারে, সর্বোপোরি ইসলাম ও মুসলমানদের গায়ে সন্ত্রাসের কালিমা লেপন করতে না পারে, সেজন্য উলামা মাশায়েখ সহ সকল মুসলমানদের এখন থেকেই ইসলামের সঠিক আদর্শ বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে হবে এবং লেবাসধারী এসব জঙ্গীদের প্রতিরোধে সোচ্চার হতে হবে।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেয়ালের ছবি আর বই এর পাতায় আধিপত্য দেখে ! অথচ বন্দর আর কড়িডোরের অসম চুক্তিতে সব শিয়ালের এক রা॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:১২


দেশ বিক্রির পরীক্ষিত ঠিকাদার....



দেয়ালের ছবি দেখলেই ভারতীয় আধিপত্য, আর বন্দর বেচে দিলে নীরবতা কেন?

দেয়ালে একটা ছবি আঁকা দেখলেই যাদের মুখে ফেনা উঠে যায় - "বাংলাদেশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মার্কিন সেনা কর্মকর্তা কর্মকর্তার মেজর নিদাল্ল হাসানের মৃত্যুদণ্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



নিদাল হাসান (পুরো নাম: নিদাল মালিক হাসান) হলেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর একজন সাবেক মেজর এবং মনোরোগ বিশেষজ্ঞ (Psychiatrist)।

২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটিতে সংগঠিত এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপার ফিরে আসার পদ্ধতি কি?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩



আপা কেন ভারতে বেড়াতে গেলেন সেটা সবাই জানে। আগামী ডিসেম্বরে আপা দেশে ফিরে আসার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন সেটাও সবাই জানে। আপা কিভাবে দেশ থেকে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে গেলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×