আজ ৮ মাস ধরে আমি ওকে পড়াই । হ্যা আমি একজন গৃহশিক্ষক । বাড়ি গিয়ে টিউশনি করি ।
আমার জীবনের প্রথম টিউশনি ছিলো এটা ।
সেই ফেব্রুয়ারী থেকে পড়াতাম ওকে । আমার জীবনের প্রথম ছাত্রী
হ্যা ওর নাম ছিলো ফারিয়া । এখনো মনে আছে ঐ ফেব্রুয়ারীর ভেজা সকালের কথা , যেদিন ওকে প্রথম পড়াতে যাই ।
ক্লাস নাইনে পড়ত , তবে মুখের নিঃস্পাপতা দেখে কিন্তু তা বোঝার উপায় ছিলো না । ভারি একখানা সাদাসিধা মুখ, সাদাসিধা দুটি চোখ এবং সাদাসিধা একটি জামা ।
চুলগুলি ওর হাটু সমান থাকলেও বাঙালী বেনী করায় , তখন ঠিক মতো বুঝিনি । আর প্রথম দেখায় ওর কাপা কাপা গোলাপি ঠোট দুটি আমার নজর কেড়ে নেয় ।
সেদিন থেকে শুরু প্রত্যেকদিনই তাকিয়ে থাকতাম ঐ পাগল করা কাপানির দিকে । বুঝতে চেস্টা করতাম কাপুনিটা ভয়ের ছিলো নাকি লজ্জ্বার , নাকি ভালোবাসার ??
অবশ্য আদৌ তা বুঝতে পারনি , ওর চোখের ভাষা , ঠোটের ইঙ্গিত । যদি বুঝতে পারতাম তাহলে কি আর আজ এ পরিণতি হতো মেয়েটার
যাইহোক , আজাইড়া পেচাল বন্ধ করি এইবার ।
অনেকদিন ধরেই ওকে দেখতেছি । খুবই লাজুক একটা মেয়ে , চোখে চোখ রেখে এখনো একটা কথাও বলতে পারেনি ও । শুধু থাকে একটু মুচকি হাসি
কি আর করমু কন ?? আমারোতো একটা পাথরের মত মন আছে , এইরাম হাসি দেখলেতো পাথরের মনও গলে যায় ।
আমার মন গলতে অবশ্য পুরো ৮মাসই লাগলো । তাই ভাবলাম আর দেরি না করে ওর চোখে চোখ রাইখা মনের কথাগুলা সব বইলাই দেই ।
ভাবনা মতো , বিকাল থেইকাই সেইরকম ভাবে জামাই সাজা শুরু করলাম । সন্ধ্যায় ওকে পড়াতে গিয়েই বলে দিবো সবকথা । এক্স টেক্স যা আছে শরীরে সব লাগিয়ে বারুদের গন্ধ ছুটাই ফেললাম । তারপর সন্ধ্যার সময় নতুন চটিজোড়া পায়ে দিয়ে হবু শশ্বুড়বাড়ীর উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলাম ।
অবশেষে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ এসেই পড়ছে ভেবে মনের কুন্জভবনে বসন্দের কড়া নাড়া শুরু করে দিলো ।
ওদের বাসায় গিয়ে একটু ছোট্ট হট্টগোল শুনতে পেলাম ।
একটু কান দিয়েই কার কাছ থেকে জেনো শুনতে পেলাম আমার নিস্পাপ ফারিয়াটা নাকি প্রেগনেন্ট ।
আপাতত আমি আত্মগোপনে আছি , গোপনসুত্রে খবর পেলাম যে সন্দেহজনক কুলাঙ্গারের লিস্টে আমার নামটা নাকি টপেই আছে
লিখাটি আগে ফেইসবুকে প্রকাশিত
ফেইসবুকে আমি
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




