গতকাল,
বিশ রানের মাথায় বোলড হয়েছিলো শচীন
কিন্তু নালায়েক আম্পায়ার বলকে না বললো।
শচীন তো ব্যাটখানা বগলে নিয়ে হাঁটা শুরু করেছিলো প্যাভিলিয়নের দিকে, আম্পায়ারের বগল দেখে আবার তিড়িংবিড়িং করে ফিরে এলো ক্রিজে।
তারপর কী যে খেল দ্যাখালেন দাদা
একেবারে সেঞ্চুরিতে গিয়ে ঝরলেন।
ব্যাটে ফুঁ দিতে দিতে ফিরে এলেন কোটরে, দর্শক জনতা কেউ বললো দুয়ো, কেউ পড়লো দুয়া।
তিনিও, একাত্তরে ওরকম লুঙ্গি মালকোঁচা মেরে আজিমপুরের চায়না বিলিডঙের পেছনে টাট্টুদের বাড়ির বারান্দায় হুমড়ি খেয়ে পড়ে হাঁপাতে হাঁপাতে বলেছিলেন, আমার জানটা বাঁচান, আমার জানটা বাঁচান!
টাট্টুর বাবা কিছু বুঝতে না পেরে হাঁ করে তাকিয়ে ছিলেন, লাভ নেই বুঝে গাই মাওলানা দেয়াল টপকে ছুটেছিলেন কোন গহীনের দিকে।
কিন্তু কোন এক আম্পায়ারগোষ্ঠীর বগলতলায় ঠাঁই পেয়ে গাই মাওলানা একে একে পার করেন আরো পঁয়ত্রিশ বছর,
কত কী করলেন তিনি এই সাড়ে তিন দশকে
সেঞ্চুরিই বলা যায়।
গতকাল প্যাভিলিয়নে ফিরে গেছেন তিনি।
আলীম চৌধুরীরাই শুধু লাশ হয়ে পড়ে থাকেন পাঁককাদার মধ্যে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




