বাই ফিসফিস খেলা শুরু করে দিছে এ বান্দা বাদ যায় কেনো?
তবে আমি যে খেলা শুরু করবো এটার নাম ফঁ্যাসফঁ্যাস। কোনো রকম সারমেয় কেউ কেউ নয় একেবারে শাহানার বিড়ালের মতো রেগে ফঁ্যাচ করে উঠলে না পারলে এ খেলা বৃথা।
আর অন্য ফিসফাস খেলার চেয়ে এখানে নিয়ম একটু কড়া, আগে চরিত্র সূচি দেওয়া থাকবে আপনেরা যে কেউ যেকোনো চরিত্রের পক্ষ নিয়ে কথা বলতে পারবেন, একটা 2টা 3টা কোনো সমস্যা নাই কিন্তু নতুন চরিত্র আমদানি করা চলবে না, বেশী চরিত্র হয়ে গেলে সামলাতে কষ্ট/
চরিত্র সূচি:
কুদ্দুস আলি: ছিঁচকে চোর
হজরত আলি : একটা জুতার দোকানের কর্মচারী
বদরূল সাহেব: সূশীল সমাজের প্রতিনিধি।
শিপন: রাগী তরূন তবে রসবোধসম্পন্ন, মুখের ভাষা খারাপ,( সূমন মাঝে মাঝে মুখফোড়রে ভাগা দইয়েন এই চরিত্র)
জয়নব: কুদ্দুস আলির জানেমান।
শ্যামলি: হজরত আলির গোপন ভালোবাসা তবে হজরত এখোনো ভাও করতে পারে নাই, মনে ছওটো খায়েশ একদিন পার্কে গিয়া শ্যামলির লগে বইয়া বাদাম খাইবো।
নিহান: বদরূল সাহেবের ছোটো কন্যা, সূন্দরি, বেপর্দা তবে বেশরম না।
জামশেদ: কেরানি , বদরূলের অফিসের।
আর বাকি চরিত্রগুলো সব ছায়ামাত্র, এদের পটভুমিতে রেখে আমাদের সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা আগাতে থাকবে,
জামশেদ , ঐ বেটা জামশেদ কোথায় তুই?
বদরূল সাহেবের চর্চিত গলা করূন হয়ে বাজে, দুপুরের ওয়াক্ত, এখন পর্যন্ত কোনো মককেল আসে নি, সকাল থেকে হাতের তালু চুলকাচ্ছে কিন্তু কেউ তো পদধুলি দিলো না এখানে।
ঐদইকে জোহরের ওয়াক্ত হয়ে গেলো, আল্লা নাফরমান হবে এমনও তিনি চান না, তাই জামশেদকে ডাকা যেনো ইত্যবসরে কেউ তাকে খুজলে সে যেনো ক্যান্টিনে নিয়ে তাকে চা খাওয়ায়, খেদমতগিরি করে।
জামশেদ সরকারি অফিসের টানা বারান্দার একমাথায় বসে হালকা নেভি ফিলটারে সুখ টান দইয়ে ভাবছিলো কবে এমন দিন আসবে সমুদ্্র সৈকতে বিশাল বক্ষা নারী তার নেভির গন্ধভরা ঠোটে ঠোট ছুয়ে বলবে যাহ দুষ্টু।
শালার হাড় হারামি এই বদর বেটা, একটু সুখ সুখ আমেজের মধ্যেও তার তেলাওয়াত চর্চিত কোমল গলা যাহ দুষ্টুর পরের কল্পনাতে বাধা দিলো।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




