somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ফঁ্যাসফঁ্যাস

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ দুপুর ২:০৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাই ফিসফিস খেলা শুরু করে দিছে এ বান্দা বাদ যায় কেনো?
তবে আমি যে খেলা শুরু করবো এটার নাম ফঁ্যাসফঁ্যাস। কোনো রকম সারমেয় কেউ কেউ নয় একেবারে শাহানার বিড়ালের মতো রেগে ফঁ্যাচ করে উঠলে না পারলে এ খেলা বৃথা।

আর অন্য ফিসফাস খেলার চেয়ে এখানে নিয়ম একটু কড়া, আগে চরিত্র সূচি দেওয়া থাকবে আপনেরা যে কেউ যেকোনো চরিত্রের পক্ষ নিয়ে কথা বলতে পারবেন, একটা 2টা 3টা কোনো সমস্যা নাই কিন্তু নতুন চরিত্র আমদানি করা চলবে না, বেশী চরিত্র হয়ে গেলে সামলাতে কষ্ট/

চরিত্র সূচি:

কুদ্দুস আলি: ছিঁচকে চোর
হজরত আলি : একটা জুতার দোকানের কর্মচারী
বদরূল সাহেব: সূশীল সমাজের প্রতিনিধি।
শিপন: রাগী তরূন তবে রসবোধসম্পন্ন, মুখের ভাষা খারাপ,( সূমন মাঝে মাঝে মুখফোড়রে ভাগা দইয়েন এই চরিত্র)
জয়নব: কুদ্দুস আলির জানেমান।
শ্যামলি: হজরত আলির গোপন ভালোবাসা তবে হজরত এখোনো ভাও করতে পারে নাই, মনে ছওটো খায়েশ একদিন পার্কে গিয়া শ্যামলির লগে বইয়া বাদাম খাইবো।
নিহান: বদরূল সাহেবের ছোটো কন্যা, সূন্দরি, বেপর্দা তবে বেশরম না।
জামশেদ: কেরানি , বদরূলের অফিসের।

আর বাকি চরিত্রগুলো সব ছায়ামাত্র, এদের পটভুমিতে রেখে আমাদের সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা আগাতে থাকবে,


জামশেদ , ঐ বেটা জামশেদ কোথায় তুই?
বদরূল সাহেবের চর্চিত গলা করূন হয়ে বাজে, দুপুরের ওয়াক্ত, এখন পর্যন্ত কোনো মককেল আসে নি, সকাল থেকে হাতের তালু চুলকাচ্ছে কিন্তু কেউ তো পদধুলি দিলো না এখানে।
ঐদইকে জোহরের ওয়াক্ত হয়ে গেলো, আল্লা নাফরমান হবে এমনও তিনি চান না, তাই জামশেদকে ডাকা যেনো ইত্যবসরে কেউ তাকে খুজলে সে যেনো ক্যান্টিনে নিয়ে তাকে চা খাওয়ায়, খেদমতগিরি করে।
জামশেদ সরকারি অফিসের টানা বারান্দার একমাথায় বসে হালকা নেভি ফিলটারে সুখ টান দইয়ে ভাবছিলো কবে এমন দিন আসবে সমুদ্্র সৈকতে বিশাল বক্ষা নারী তার নেভির গন্ধভরা ঠোটে ঠোট ছুয়ে বলবে যাহ দুষ্টু।
শালার হাড় হারামি এই বদর বেটা, একটু সুখ সুখ আমেজের মধ্যেও তার তেলাওয়াত চর্চিত কোমল গলা যাহ দুষ্টুর পরের কল্পনাতে বাধা দিলো।


সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১৭টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জুলাই: বাঙালি জাতির জন্য এক অভিশাপ ও মূল্যায়ন

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:০১


জুলাই: বাঙালি জাতির জন্য এক অভিশাপ ও মূল্যায়ন

আমাদের দৃষ্টিতে, তথাকথিত "জুলাই" বাংলাদেশের জন্য কোনো গৌরবের অধ্যায় নয়; বরং এটি জাতীয় ঐক্য, স্বাধীনতা, অর্থনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে প্রশ্নবিদ্ধ... ...বাকিটুকু পড়ুন

জাপান যেভাবে মাত্র ৭ বছরে অর্থনৈতিক পরাশক্তিতে পরিণত হয়

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:২৭



জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হায়াতো ইকেদা ১৯৬০ সালের শেষভাগে তাঁর বিখ্যাত "ইনকাম ডাবলিং প্ল্যান" বা "আয় দ্বিগুণকরণ পরিকল্পনা" চালু করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো জাপানের অর্থনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাছে হেরে যাচ্ছি ০২

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৪


কাহিনীটা ৯০ এর দশকের শুরুতে। বুশ তখন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট- মার্কিনিদের আগ্রাসন চলছে তখন ইরাক জুড়ে। হাটে মাঠে ঘাটে আড্ডায় গল্প আলোচনা মিডিয়ায় এমনকি বাসর ঘরেও তখন নব পরিণীতার সাথে তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভাংগুক অচলায়তন

লিখেছেন মাসুদ রানা শাহীন, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৯


ভয় পাবেন না
আশার পিদিম জ্বালিয়ে রাখুন
প্রাণের ধুকপুকি জাগিয়ে রাখুন
হেরে যাবেন না।

ঘাবড়াবেন না
নতুন স্বর ও সাহসী উচ্চারণে অনবদ্য হোন
ক্ষুরধার সৃষ্টির ঔজ্জ্বল্যে উদ্ভাসিত হোন
থামবেন না।

নগদমূল্যে বিকোবেন না
ক্লান্ত শিরায় নতুন রক্ত বইয়ে দিন
তাতিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জাতিসত্তার পরিচয়ের বাজার

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০৪ ঠা জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:২১

ইতিহাসে কোনো আদর্শ সত্যিকার অর্থে মরে না। সে শুধু নাম বদলায়, পরাজিত আদর্শেরও পুনর্জন্ম হয়।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে মুসলিম লীগ একটি আসনও পায়নি। কিন্তু সেই রাতে মুসলিম লীগ মরেনি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×