আমরা সবাই মিলে একটা কণ্ঠস্বর হতে পারতাম
যদি সবাই মিলে 'রব' হয়ে যেতে পারতাম
যদি আপন আঁধারে স্বপ্ন হাতড়ে বিষন্নতার দাস না হয়ে
যদি জ্বালতে পারতাম অবিনাশি আলো
ভালো হতো, চমৎকার হতো।
আমরা যদি আপনত্বভুলে
যদি ক্ষুদ্্রতা ভুলে
মতবিরোধ ভুলে
যদি
যদি কোনোদিন একসাথে একটা কণ্ঠস্বর হতে পারতাম
যদি বলতে পারতাম সংকোচ আর ভ্রান্তি ভুলে
উদ্যত কৃপান বা নাঙ্গা তলোয়ারের নীচে
নারা বা ওঙ্কারে , ধাবন্তউগ্রতায়
শুধু অন্ধকারের বাস
শুধু মানবতার মৃতু্য
যদি চিনে নিতে পারতাম সেই অচিন পাখি
যদি সেই অচিন পাখির পালকের ছোঁয়া লেগে
বদলে যেতো দৃশ্যপট
যদি সব শিশুর চোখের আকাশ হতো একই রকম নীল
যদি সব মায়ের হাসির মতোই অভয়াক আশ্বাস হতো
জীবনযাপন
তবে চমৎকার হতো।
সকালের রোদ আর সন্ধ্যের আবছায়া আর রাতের মৌন্যতায়
সবাই শান্তি খুজে পেতো
বেশ হতো
চমৎকার হতো।
এমনটা হয় না মোটেও
মানুষ ক্ষুদ্্রতার প্রতিপালক
মানুষ বিভেদের আগুনে দেু ঘি
মানুষ আপনিশ্রেষ্ঠতার গরল
আকণ্ঠ পান করে বুঁদ
এর বিপরীতে দাড়ানো একজন সাহসি মানুষ, হয়তো লিখিত ইতিহাসে ইশ্বরহীনতার দাবিতে প্রথম নিহত
সক্রেটিস
-----------------------------------
সৌর সরণি বেয়ে একদইন
জীবনের সারল্যে মুগ্ধ সক্রেটিস হেমলক হাতে তুলে নিলে
তিমিরহননের গান গেয়ে হাজর সূর্য ওঠে জ্বলে
বোধে আর বোধাতীত যত অনুভব
সময়ের অস্থির কূহক
আজ যা অতীত তা বর্তমান ছিলো কোনো দিন
যা কিছু অনাগত দিন সব ক্রমে অতীতে বিলীন
হয়ে যাবে একদিন
এভাবেই আলোড়ন থামে জলের
এভাবেই অস্থির বর্তমানে
মানুষের মিলিত প্রয়াসে
অন্ধকার ঘষে ঘষে জ্বলে উঠে আলো
জীর্নতা পুড়ে পুড়ে যায়----
পরাজিত হয় না মানুষ সামগ্রিক ভাবে কখনই
তাই
কোনোদিন সক্রেটিস হেমলক হাতে তুলে নিলে
তিমির হননের গান গেয়ে হাজার সূর্য ওঠে জ্বলে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



