সংক্ষিপ্ত ভুমিকা হবে ভাই জানেরা পরে টেরে কেটে তা ধিক ধিনা বলে সোম আর ফাকে ফাঁক গলে আসল গম্ভ ীরায় আসবো।
গত বছর কোনো এক সকালে আমার এক জর্মন প্রবাসী বন্ধু কিছু শব্দ লিখে আমাকে উপহার দেয়। তার দাবি ছিলো এটাকে যেনো একটা হালকা ঘষামাজা দিয়ে কোনো একটা গানে রূপান্তরিত করি।
পরবাসি বলেই সেখানে দেশের প্রতি আকুতি ছিলো, ছিলো ফিরে যাওয়ার আকাংক্ষা, সেই কথাগুলোর ভাব ধরেই এ গানের জন্ম হয়, তবে সমস্যা একটাই
গানের দেহ তৈরি হয়েছে, এখনও মুখ হয় নি।
হিমু ভাই, সুমন, মুখফোড় ,যে যেখানো আছো বাবারা আমারে উদ্ধার করো, গানের মুখের সন্ধানে আবেদন রেখেছি এখানে।
ধুসর খরার বুকে ঝড়ে না শ্রাবন
মেঘলা আকাশ আজ একা জানালায়
পরাজিত স্বপ্নেরা খুঁজে নীলাকাশ
বাতাসের কড়ানাড়া শুন্য ভিটায়
আমি বুকের অন্তরালে স্বদেশ খুঁজে ফিরি
বাংলায় ফিরে আসি প্রতি কবিতায়
আবার আসবো ফিরে ধান শালিখের ভীড়ে
সুরের ভেলায়
আবার আসবো ফিরে রাখালি বাঁশির সুরে
ডাকবো তোমায়
আমার বুকের অন্ধকারে ভালোবাসা ঘাই মারে
বাংলা আমার চোখে স্বপ্ন সাজায়।
সুর করা হয়েছে কিন্তু মুখের অভাবে কিছুতেই সম্পুর্ন বলা যাচ্ছে না।
বন্ধুর দাবি যদি এটা মুখবিহীন থাকে তবে সে ভাবেই এটা থাকবে, মুখবিহীন গান শিরোনামে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



