somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এক দিনের রাজা

০৩ রা মার্চ, ২০০৬ রাত ২:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পাঠ্যপুস্তকবহির্ভুত বইয়ের কথা বলতে হবে ভেবেই আনন্দ লাগছে, নিজের পঠন জাহির করার একটা সুবর্ন সুযোগ হেলায় হারানোর মানুষ আমি না, তাই শর্ম ীর আকুল আবেদনে সাড়া দিয়ে আমি ঝাপিয়ে পড়লাম নিজের গল্প উপন্যাস পড়ার গল্প বলতে,
টুকটুক করে অনেক বই পড়া হয়ে গেলো। কখনও হিসেব করা হয় নি, কোথা থেকে শুরু করবো ভাবতেছি,
কোনো এক দিন পাশের বাসায় গিয়ে দেখলাম বারমুদা ট্রায়াঙ্গেল বইটা পরে আছে, তখন বোধ হয় 5ম শ্রেনীতে পড়ি, গোগ্রাসে গিলে ফেললাম, এর পর আরেক দিন পেলাম মাসুদ রানার হ্যালো সোহানা পড়ে ফেললাম, এর পর মাঝে মাঝে দুপুরে ঢু মারতে যেতাম সে বাসায়।
তেমন এক সময়ে বই মেলা হলো, আমার ছোটো চাচা কোনো এক অজানা কারনে সৈয়দ শামসুল হকের বই উপহার দিলো, নাম মনে পড়ছে না তবে বইয়ের সবগুলো চরিত্রের নাম মোঘল সম্রাটদের নামে, তখনও ঠিক তেমন জোড়ালো হয় নি বোধ, সেখানে হালকা বড়দের কথা ছিলো, এর সাথে পেলাম রাশিয়া আর আমেরিকার যৌথ মহাকাশ অভিযানের উপর লেখা একটা ছোটোদের বই, আমার জীবনে এটার প্রভাব এখনও বিদ্যমান, যার প্রভাবে আমি মহাকাশবিদ্যা পড়তে আগ্রহী, বিমানপ্রকৌশলবিদ্যায় ভর্তি হওয়ার লোভ সামলেছি অনেক কষ্টে,
দিন যায় বিভিন্ন স্থান থেকে বই সংগ্রহ করে পড়া অব্যাহত থাকে, তবে নিষিদ্ধ বই পড়ার প্রতি একটা দউর্নিবার আকর্ষন ছিলোই, বুদ্ধদেব বসুর প্রজাপতি নিষিদ্ধ হয়েছিলো, এক বন্ধু সেটা সংগ্রহ করেছিলো কোনো এক জায়গা থেকে, লেপের নীচে লুকিয়ে সে বই পড়লাম, কিসের কি? এক বর্ন বাজে কথা নেই কোনো রগরগে যৌনতা নেই, বুঝলাম না কেনো নিষিদ্ধ হলো এই বই।
তার পর দেখলাম অতীতে অশ্লিলতার দায়ে নিষিদ্ধ হয়েছে লেডি চ্যাটার্লিজ লাভার বইটা, লেখক ডি এইচ লরেন্স। বাসার পুরোনো আলমারি ঘেটে পাওয়া গেলো তার অনুবাদ, ঘোর গরমে মাথার উপরে লেপ টেনে সেই বই শেষ করলাম, সাধু বই একেবারে, এক বর্ন বাজে কথা নেই।
যাই হোক পরে বুঝলাম অনুবাদ করার সময় রগরগে বর্ননাগুলো এড়িয়ে গেছে অনুবাদক। সে কষ্ট বেশীদইন স্থায়ী হয় নি, অন্য এক প্রকাশনী শুধু সেই বাতিল অংশগুলোকে নিয়ে একটা চটি বই বের করে, লোলিটা লেডি চ্যাটার্লি এমন সব বইয়ের চুম্বক অংশ।
বই পড়ে কান্নাকাটি করার সুযোগ হয়েছে কম, শঙ্খনীল কারাগার পড়ে বা নন্দিত নরকে পড়ে বিষন্নতা এসেছে, কেটে গেছে , সিগারেটের ধোয়ার সাথে ভাসিয়ে দিয়েছি সে সব বিষন্নতা। অবশ্য আমার জীবনের অর্ধেকের বেশী সময় ধরে আমি ধুমপায়ি, সেই কবে শুরু করেছি মনে পড়ছে না,
বইয়ের সাথে অর্থনীতি জড়িত, 3 গোয়েন্দা কিনে পড়তাম, 85 পর্যন্ত নিয়মিত কিনেছিলাম, মাসুদ রানা কেনা হতো না তবে কেউ না কেউ কিনতোই সেখান থেকে ধারে পড়ে ফেলতাম, একটা সময় দিনে একটা করে বই কিনেছি, পরে আর পোষাতে পারি নাই, বিকল্পধারার অভিযান চালালাম, খোদ এক বই বিক্রেতার সাথে ভাব জমালাম, সেই বইয়ের দোকানে বসে অনেক অনেক বই পড়েছি, একটা ইই পড়তাম একটা কিনতাম, পরে দেখলাম আমি একটা আস্ত গাধা, বইতো পড়াই যাচ্ছে বিলকুল মুফতে, তাহলে কষ্ট করে বই কেনা কেনো? সেটাই কাল হলো, বই বিক্রেতা আমার প্রবেশ নিষিদ্ধ করে দিলো এক সপ্তাহের মধ্যে, অপমানে নীল হয়ে আপন অর্থনৈতিক হীনতায় আমি মরমে মরে গেলাম, অবশ্য তখন জীবনে নেশার সময় এসেছে, বইয়ের টাকা যেতো নেশার পিছনে, সেই গল্প পরে কড়া যাবে, আপাতত বইয়ের গল্প করি।
হুমায়ুন আহমেদের 2001 পর্যন্ত প্রকাশিত সবগুলো বই পড়া হয়ে গেছে কেমন কেমন করে, এর মধ্যে সবচেয়ে স্পশর্্ব করেছিলো জনম জনম, আমি সুদুর কৈশোরে ভেবেছিলাম এটা নিয়ে বেশ ফাটাফাটি একটা ছবি বানাবো, কয়দিন আগে শুনলাম কোনো এক পাবলিক ওটা নিয়ে সিনেমা বানানো শুরু করে দিয়েছে।
সুইস ফ্যামিলি রবিনসন পড়ে অনেক টুকরো টুকরো জিনিষ শিখেছি, হালকবেরি ফিন বা টম সয়্যারের অভিযান এসব পড়ে অনেক আনন্দ পেয়েছি, তারপর সেবা প্রকাশনী মোতাহার সাহেবের নাতি পুতি দিয়ে ভর্তি হয়ে গেলো, আমার মনে হয় সেই পরিবারের সবাই অবসরে বই লিখে,
এক সময় ওয়েস্টার্নের মুগ্ধ পাঠক ছিলাম, বাদ দিলাম কাজি শাহনুর ওয়েস্টার্ন লেখা শুরু করার পর, তখন বইয়ের মান পড়েছে, লেখকের মান পড়েছে, রওশন জামিল, রকিব হাসান, কাজি মাহবুব হোসেন এরা জটিল লিখতো এমন কি আলিমুজ্জামান ও জটিল একটা ওয়েস্টার্ন লিখেছিলো। তখন নতুন ওয়েস্টার্নের সামনের পাতায় এখন পর্যন্ত প্রকাশিত এ সিরিজের বই লিখা থাকতো, সেসবে দাগ দিয়ে রাখতাম, বিভিন্ন জায়গা ঘুরে বইটা পাওয়া মাত্র কিনে ফেলা বা পড়ে ফেলা, প্রকাশনা জগতে বিপ্লব আসার পর ক্ষতি হয়েছে আমার, কিছুতেই তাল মিলাতে পারলাম না, বাংলাদেশে এখন সেবা প্রাকাশনী ধরে লেখকের সংখ্যা প্রায় 1000, নিশাত চৌঢুরি বলে একজন আছে, যে নিজে নিজে লিখে একটা ছাপাখানা দিয়েছে, সেখান থেকে তার অখাদ্য যত লেখা ছাপা হয়, একদিন শুনলাম সে বেশ বিখ্যাত লেখক হয়ে গেছে, এ লজ্জায় আমি লেখালেখি ছেড়ে দেওয়ার কথা ভেবেছিলাম,
আঁতেল সব খানেই থাকে, আমার উচ্চ মাধ্যমিকে পড়ার সময় এমন এক জনের সাথে দেখা হলো কলেজের সামনের ছাপরা দোকানে, তসলিমা নাসরিন তখন ততটা ইসু্য হয়ে উঠতে পারে নি, মোল্লা সমপ্রদায় একটু নাখোশ তবে তেমন জোড়ালো প্রতিবাদ জানায় নি, লজ্জা লিখে ফাটিয়ে ফেললো তসলিমা, আমিও নিষিদ্ধ বিধায় পড়ে ফেললাম, বুঝলাম না কেনো নিষিদ্ধ করলো, এভাবে নিষিদ্ধ বই পড়ে নাজেহাল হওয়ায় আমি নিষিদ্ধ বই পড়ে হতাশ, িেস একই কারনে নারী পড়েছি, সেই একই কারনে দ্্বিখন্ডিত পড়লাম, হয়তো আবার কোনো বই নিষইদ্ধ হবে সেটা পড়বো হতাশ হবো।
আমার বন্ধু সংখ্যা একটু বেশী, তবে বিভিন্ন পঠ্যাভাসের বন্ধু থাকার একটা সুবিধা হচ্ছে অনেক লেখকের অনেক বই পড়া হয়,
প্রথম চুরি করা বই বুদ্ধদেব গুহ র অভিলাষ, চুরির মাল যাকতে গিয়েছে, কে মেরে দিলো জানি না,
রীতিমতো দোকানে গিয়ে চুরি করা, আমি সহায়কের ভুমিকায় ছিলাম, ভীতু মানউষ তবে নিপুন হাতে কাজটা করলো আমার আরেক বন্ধু, উত্তেজনায় ঘামতে ঘামতে দোকান থেকে রাস্তায় নামা, একটা সিগারেটে আগুন ধরিয়ে সামান্য দম নিয়ে নিষ্পাপ দাবি, বইটা দে? আমি ঝুঁকি ণিয়ে চুরি করেছি তাই প্রথম পড়ার অধিকার আমার। বন্ধু অকাট্য যুক্তিতে পরাস্ত হয়ে 2য় পাঠকের ভুমিকা, হোস্টেলে থাকার সময় সামনের বইয়ের স্টল থেকে প্রায় নিয়মিত বই চুরি করা ছিলো আমাদের পোলাপাইনদের প্রাত্যহিকতা, দওকানের সামনে মাছধরা জাল বিছিয়েও আমদের কুশলী হাত থেকে রক্ষা পায় নি তারা, সেখানে বসে চা খেতে খেতে উন্মাদ পড়তাম, ফেরার পথে একটা বইয়ের 13 তম পাঠক হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন হতো, মাঝে মাঝে 55তম, মাঝ মাঝে হাতের কাছে আসতে আসতে বইয়ের সামনের কয়েকপাতা হাওয়া হয়ে যেতো।
বেশীরভাগ বই পড়া হয়েছে বন্ধু বা অন্য মানুষের কল্যানে, আমি যে মেয়েকে পছন্দ করতাম সে আবার একটু সংস্কৃতিমনা ছিলো, আবৃতি, অভিনয়, হাবি জাবি কি সব করে কর অনেক বই পেয়েছিলো, আমি তাদের বৈঠকখানায় বসে, প্রেম ফাঁকি দিয়ে সব শেষ করেছি, তাদের আবার নিয়মিত বই কেনার অভ্যাস ছিলো, সুতরাং প্রেম জিন্দাবাদ।
বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে বন্ধুদের উৎসাহে, বন্ধুদের সংগ্রহ থেকে অনেক বই পড়া হয়েছে, তবে বই য়ের বিষয়ে আমার এখনকার অনুভব, কিনলে সমগ্র কিনা ভালো, একক বইয়ের খরচ বেশি।

বঙ্কিম রচনাবলী, শরৎ রচনাবলী, রবি ঠেকুর সমগ্র, সুকুমার সমগ্র, এভাবেই ধাপে ধাপে সমগ্রপড়ার নেশা চাপে আমার,
এটা অনেক বাজ অভ্যাস, কারো বই ভালো লাগলে আমি সেই লেখকের সব বই সংগ্রহের কাজে লিপ্ত হই, এভাবেই সুনিলের কবিতা সমগ্র, জয় গোস্বামীর কবিতা সমগ্র, আবুল হাসান , শামসুর রহমান, রফিক আজাদ, আহসাব হাবিব, সবার কবিতা সংগ্রহ কেনা হয় আয়োজন করে, কিন্তু জীবিত লেখকদের সমস্যা হলো, একটা বই কিনে শেষ করতে না করতেই তারা আরও একটা বই ছাপিয়ে ফেলেন,
গৈরি কিশোর ঘোষ, আখতারুজ্জামান ইলিয়াস, হাসান আজিজুল হক, জীবনানন্দ, কায়েস আহমেদ চৌধুরি, আবুল বাশার, নাসরিন চৌধুরি, সত্যজিত, উপেন বাবু, এত এত লেখক বাংলাদেশের কাউকেই বাদ দিতে পারি না, শাহরিয়ার কবির সমগ্র ছাপা হওয়ার কথা ছিলো, আমি প্রথম খন্ড পড়েছিলাম, এর পর আর খোজ রাখা হয় নি,
বইয়ের নেশায় পুজা বার্ষিকি নিয়ে দুপুরে শুয়ে থাকা, তবে বার বার পড়া হয়েছে গীতবিতান, অনেক পড়ে পড়েছি নিরোদ সি চৌধুরি, পড়ে বুঝলাম লোকটার সাথে আমার জমতো ভালোই শুধু 2 ভুবনের 2 বাসিন্দা হয়ে রইলাম চিরকাল,
একটা সময় ছিলো জখন টাকার অভাবে বই কিনতে পারি নি মনের মতো, এখন সে সমস্যা নাই, কিন্তু বই কেনার পর বই আনানোর খরচ চিন্তা করলে বই কেনার আগ্রহ চলে যায়, বারো হাত কাকুরের তেরো হাত বীচি অবস্থা হবে, বই মেলা আসে বই মেলা যায়, বইয়ের খবর পড়ি মন উতালা হয়,
এবারে প্রকাশিত হাজার বছরের বাঙালির ইতিহাস বা এরকম নামের একটা বই গোলাম মুরশিদের কেনার ইচ্ছা ছিলো, কেনার ইচ্চা যাবতী য় স্মৃতিকথা, কেনার ইচ্চা বাংলায় লেখা প্রবন্ধের বই, অনেক কিছুই ইচ্ছা আছে, কেনা হচ্ছে না।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মায়ের বুকের ওমে শেষ ঘুম

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৩ রা মে, ২০২৬ সকাল ১০:৪৯



আমার নাম তৃশান। সবে তো স্কুলে যাওয়া শুরু করেছি। আজ আমার খুব আনন্দ! বাবা-মা, দিদি আর দাদু-দিদুন মিলে আমরা মস্ত বড় একটা নৌকায় ঘুরছি। দিদি বলছিল এই জায়গাটার নাম জবলপুর।... ...বাকিটুকু পড়ুন

হিন্দু মুসলমান ভুলে গিয়ে, আমরা সবাই মানুষ হই

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা মে, ২০২৬ দুপুর ১:৫৭

আমি জন্মগত ভাবে মুসলমান।
অবশ্য ধর্মীয় নিয়ম কানুন কিছুই মানতে পারি না। মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয় সে মানুষ। এখন তো আর এটা ফকির লালনের যুগ না। মানবিক এবং সচেতন মানুষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

নান্দাইলের ইউনুস ও স্বপ্নভঙের বাংলাদেশ

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৩ রা মে, ২০২৬ বিকাল ৩:৪০


নব্বইয়ের দশকে বিটিভিতে প্রচারিত হুমায়ূন আহমেদের জনপ্রিয় একটি নাটকে একজন ভাড়াটে খুনীর চরিত্র ছিল। খুনীর নাম ইউনুস - নান্দাইলের ইউনুস। গ্রামের চেয়ারম্যান তার প্রতিদ্বন্দ্বী একজন ভালো মানুষ স্কুল শিক্ষককে হত্যার... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্বনির্ভর অর্থনীতি থেকে ঋণনির্ভর, আমদানিনির্ভর, পরনির্ভর রাষ্ট্রে পরিনত হতে যাচ্ছি।

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৩ রা মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৪




মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের কাছে নতজানু হয়ে যে রাষ্ট্রগুলো নিজের অর্থনীতি, কৃষি আর ভবিষ্যৎ বিক্রি করে দেয়- তার পরিণতি কী, তার জীবন্ত উদাহরণ পাকিস্তান। কোটি কোটি মানুষকে ভিক্ষুক বানানোর সেই পথেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

এরা খুবই বিপদজনক

লিখেছেন শ্রাবণ আহমেদ, ০৩ রা মে, ২০২৬ রাত ১১:০১

যে তোমার সাফল্য দেখে হিংসে করে,
যে তোমার বিপদ দেখে খুশি হয়,
যে তোমার সামনে এক আর পেছনে আরেক।
তাকে তোমার গোপন কথা কিংবা তোমার কোনো পরিকল্পনার কথা বলতে যেও না।
সবসময় তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×