somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ব্যাক্তিগত স্বাধীনতার চর্চা

০৭ ই এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৯:০৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কেউ হাত মেরে শান্তি পায় কেউ কোরান পড়ে শান্তি পায়, বিষয়টা একজনের ব্যাক্তিগত অনুভবের বিষয়, সে কি করবে না করবে এটা ব্যাক্তির নিজস্ব বিবেচনায় ছেড়ে দিলেই মনে হয় ভালো।
কেউ হীরক রাজার দেশে দেখে ভাবে এটা শিশুটোষ কোনো রূপকথা আবার কেউ এর পিছনে রাজনীতি খুঁজে পায় বলে এটা মেটাফোর, এর পিছনে সত্যজিতের জটিল রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং রাজনৈতিকদের প্রতি ব্যাঙ্গ বিদ্যমান, আমরা কারটা গ্রহন করবো এটার স্বাধিনতাও আমাদের উপরে ছেড়ে দিলেই ভালো।
যার যেভাবে ইচ্ছা দেখবে, যার যেভাবে ভাবার ইচ্ছা ভাববে, কিন্তু এখন এমন জঘন্য অবস্থা অন্যকে আহত না করে কোনো কিছু করার উপায় নেই। সবাই মতবাদের হাড়ি ঝুলিয়ে বসে আছে, সেই মতবাদের হাড়িতে হাড়িতে ঠোককর লাগে, গেলো গেলো রব উঠে চারদিকে,
রোমান্টিসিজম সম্পর্কে আমার এক বন্ধুর মতামত এমন যে তার পরিচিত এক ছেলে খুব রোমান্টিক, সে কক্সবাজারের সমুদ্্র সৈকতে গেছে কারন সে সমুদ্্রের মুখুমুখি বসে একবার বাল ফেলতে চায়। কিন্তু অন্য এক বন্ধুর রোমান্টিসিজমের অনুভব, পাশে সুন্দরি সাকী থাকবে, থাকবে মদের পেয়ালা, হাতে থাকবে রুবাইয়াতে ওমর খৈয়াম, আকাশে আলুথালু চাঁদ থাকবে, কিছু শৃঙ্গার অএবং কিছু দর্শন কিছু সাহিত্য কিছু চর্বিতচর্বন হবে ,সাথে সাধকের গাঞ্জা থাকবে কয়েক ছিলিম, মাঝে মাঝে কলকিটে কষে টান হবে। এই হলো জীবন, যদি প্রেমবোধ জাগে তবে এমন মেয়ের প্রতিই জাগাতে হবে। বড় জটিল চিন্তা।
আরও একটা নতুন মতবাদ মাথাচাড়া দিয়েছে যেভাবে প্যান্টের গোপন খাঁজে মাথা চাড়া দেয় যৌবন, প্রকৃতিবাদ, বিষয়টা কি? দলবেধে ন্যাংটা হয়ে ঘুরাঘুরি। এদের জন্য আলাদা সমুদ্্রসৈকত আছে, ওখানে গিয়ে এরা আধুনিক আদম হাওয়া মোবাইল হাতে ঘুরাঘুরি করে, ন্যাংটা হয়ে টেনিস খেলে, এদের কোনো কোনো পরিবার এবং ভক্ত বাংলাদেশেও আছে, তারা আবার জননাঙ্গ ঘরের ভিতরে উন্মুক্ত রাখার চেষ্টা করেন।
কথা হচ্ছিল মানুষের স্বাধীনতার পরিধি নিয়ে। আমি মাঝে মাঝেই স্বপ্নে হলিউড বলিউড এক করে ফেলি, অনেক অনেক বিশ্বসুন্দরির দেহের গোপন খাঁজ উন্মুক্ত হয় আমার স্বপ্নে, এর জন্য আমাকে কখনই কেউ ধর্ষনের দায়ে অভিযুক্ত করলে আমি কি করবো?? এটা আমার গোপন বাসনা, গোপন স্বাধীনতা।
একটা গল্প মনে পড়লো, বাস্তব ঘটনা।
কোনো এক মনিহারি দোকানে এক লোক আসছে বক্ষবন্ধনী কিনতে। দোকানদার বন্ধু মানুষ, এসে বললো, আপনাদের এখানে সবচেয়ে বড় মাপটা কত- দোকানি হাসতে হাসতে বললো 38, ধরেন এর চেয়ে বড় আছে,
দোকানি বললো 40
লোকটার পরবর্তি প্রশ্ন আচ্ছা এর চেয়ে বড় হয় না। দোকানি হাসি মুখে বললো ভাই আপনি বরং একটা গামছা কিনে নিয়ে যান, গামছায় বেঁধে রাখতে হবে ও জিনিষ।
কিন্তু বন্ধনী মোটেও খারাপ কিছু না, একটা সীমারেখা আঁকা থাকে বন্ধনীতে, আমাদের সবারই এখন কিছুটা বন্ধনী ব্যাবহারের সময় এসেছে।
হজরত ওয়ালি তার পোষ্টে আমার কুমারি কবিতাকে টেনে নিয়ে গেছেন, এটা ঠিক হয় নি, আমার কবিতা লাজুক, শর্মিলী কবিতা আমার, তার মাথায় হিজাব বান্ধা না থাকতে পারে কিন্তু সেও শালীনতা চর্চা করে, সেখানে শান্তাকে ধন্যবাদ দেওয়ার আগে আমাদের কতিপয় সাংবাদিকের হলুদ সাংবাদিকতার চর্চার কথা পরিস্কার করে বললে হতো না।
আমাদের হজরত সালেহি যখন একজনকে খুন করে ফেললো তখন কোনো একটা পত্রিকায় ষড়যন্ত্রের বিশাল রিপোর্ট বাহির হলো, জামায়াতের লোকজন জোট ত্যাগের হুমকি ধামকিও দিলো, এখন সালেহী বাঞ্চোত কে পুলিশ খুঁজতেছে, জামায়াত এখন চুপ,ক্ষমতার মাদক আদর্শটে টয়লেট পেপার বানিয়ে ফেলে। হোগা মুছে ফ্ল্যাশ করে দাও। সালিহীর কিছু সম্পদ ক্রোক করা হয়েছে, আশা রাখি রাজশাহীর সাধক শিবির কর্মিরা চাঁদাবাজির টাকা জমিয়ে সালেহী ভাইয়ের ক্রোক করা সম্পদের সমপরিমান অর্থ ফিরিয়ে দিবে, কিংবা সালেহী কে বায়তুল মাল থেকে মাল দেওয়া হবে, বলা যায় না, বিভিন্নপ্পত্রিকায় শান্তাকে খবর এসেছে, শান্তার বিরুদ্ধে পুলিশী হয়রানির তদন্তের নির্দেশ এসেছে, কারন দর্শাও নোটিশও জারি হয়েছে, ঠিক এর পরে হজরত ওয়ালি হঠাৎ মাঠে এসে পরলেন শান্তা বিষয়ক বিভ্রান্তির খবর নিয়ে। উদ্দেশ্য কি?
আর হজরত ওয়ালির তাবেঈ তাবেঈন গোষ্ঠিও হুককা হুয়া হুককা হুয়া করে উঠলো, আমার বড় আশ্চর্য লাগে শরীফ আব্দুল্লাহ সাহেবের আদরের ছোটো ভাইকে দেখে, ওটা দিন দইন রাম ছাগলে পরিনত হচ্ছে অথচ বুয়েটে পড়া আব্দুল্লাহ বাবাজির কোনো চেতনা হচ্ছে না। ভাই শিক্ষার লক্ষ্য অন্ধকার দুর করা, আগে নিজের ঘরের অন্ধকার দুর করেন পরে বিক্রমপুরের আলোকিত সন্তানদের হোগা মারামারি করবেন। পিছন দিয়ে ট্রেন ঢুকে যাচ্ছে যেখানে খবর নাই সামনে দিয়ে মাছি যেতে দেয় না।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রুবা

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:২৮




রুবার সাথে আমার বিয়েটা ওঠ ছেড়ি তোর বিয়ের মতোই হয়েছে । একদম সাধারন কোনরকম অনুষ্ঠান নাই । সেইদিন অফিসে অনেক কাজ ছিলো । চোখে তারা ফারা দেখছিলাম । বসের... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রথম .........।

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৪


আন্ডারগ্রাউন্ড শোতে এটাই আমার প্রথম ড্রামস বাজানোর একটা মুহূর্ত।

কিছু গল্প আসলে পরিকল্পনা করে শুরু হয় না।কিছু গল্প হঠাৎ করে একটা মুহূর্ত থেকে জন্ম নেয় আর তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

সমুদ্রের নীল খাম

লিখেছেন ডি এইচ তুহিন, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৪২


এই শহরে থাকি প্রায় সাতাশ-আটাশ বছর ধরে। তিন প্রেমিকার মায়া ছেড়ে যাওয়া যায় না এমন এক অদ্ভুত সুন্দর এই শহর। যার এক হাতে নদী, অন্য হাতে সমুদ্র, আর কপালে জায়গা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওয়ামী দুঃশাসনের পতন অনিবার্য ছিল, জুলাই তো স্রেফ উছিলা মাত্র!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৮



জুলাই নিয়ে অনেক বিতর্ক, সমালোচনা আছে। কিন্তু, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে জুলাই গণঅভ্যূত্থান না হলে আমরা দীর্ঘদিনের স্বৈরশাসন থেকে মুক্তি পেতাম না। জুলাই ঘিরে যত বিতর্ক, সমালোচনাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুমুখোচিন্তা

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:১৬

সব মৃত্যু গণনায় আসে না। রাজনৈতিক সহিংসতার একটি পুরনো নিয়ম আছে। মৃত্যু সমান মৃত্যু নয়। কোনো মৃত্যু পত্রিকার প্রথম পাতায় যায়, কোনো মৃত্যু জয়পুরহাটেই থেকে যায়। এই বাছাইটা দৈবাৎ হয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×