somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভবিষ্যতে ঘটতে যাওয়া একটি সত্যি ঘটনা

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


(সকল চরিত্র ও ঘটনা কাল্পনিক,বাস্তবের সাথে যদি কোন প্রকার মিল খুঁজে পান তবে তা কাকতালিয় ভেবে চুপ মেরে যাবেন, আমাকে দুষবেন না প্লিজ)

সোনিয়ার দোকানে বিশালবক্ষা সোনিয়া অনেক দিন ধরেই অনুপস্থিত, তবুও একদল মাতাল নামসর্বস্ব সোনিয়ার দোকানের সামনে গাঞ্জা স্ট্রিট এ অযথাই হাউকাউ লাগিয়ে দেয়। যদিও তাদের হাউকাউ করার যথেষ্ট কারন আছে তবুও আশেপাশের গাঞ্জা পিয়াসী মানুষরা এতে কিঞ্চিত বিরক্ত হন।
দেঁতো বুদ্ধিজীবী হটাত চিৎকার করে বলে ওঠে “বলছিলাম না দাদারা টুকরা টুকরা হয়ে যাবে। হইল তো এখন, আরে খালি ক্রিকেট আর সিনেমা দিয়া কি পাবলিক রে ভুলায়া রাখা যায় ?’’।
রোদেলা বলে ওঠে “ভাই আমাগো অহন কি করতে হইব জানেন?”
যারা করনীয় সম্পর্কে বিভ্রান্ত ছিল তারা সমস্বরে জানতে চায় তাদের কি করা উচিৎ।
রোদেলা কিছুক্ষণ হেসে নিয়ে বলে, “ওরা আমগো লগে ওরা যে সব বালছিঁড়া চুক্তিগুলা করছে অগুলার কপি এক লগে কইরা আগুন ধরাইয়া দেই,এর পর সবাই মিলা মুইতা অই আগুন নিভাই”।
চঁদু ফাহিম বিভ্রান্ত হয়, বলে “ভাই কষ্ট করে আগুন লাগাবো, তারপর আবার মুতে নিভাবো‌ ,ঠিক বুঝলাম না।
“মাইনসে কি তোমারে হুদাই চদু ডাকে? আরে চুক্তিগুলাতে আগুনও ধরানো হইল মোতাও হইল”, রোদেলা ক্ষ্যাপাতে স্বরে জবাব দেয়।
চদু ফাহিম বলে, “জি, ভাই আমি আসলে এইটাই বলতে চাচ্ছিলাম। আমাদের এখন এক ঢিলে দুই পাখি মারা উচিৎ”।
সকলে রোদেলার বুদ্দির প্রশংসা করে। কিন্তু পরক্ষনেই তারা নিভৃত হয় কারন এত রাতে চুক্তিগুলার কপি জোগাড় করতে যাওয়া এক প্রকার আহাম্মকী।
নিরবতা ভাঙ্গেন মৃণাল দা। সহসা বলে উঠেন, “আরে তিন কেবলার এক কেবলা শেষ।এখন দেখবো পশ্চিমবঙ্গের আকাটা ইন্টালেকচুয়াল গুলা কেমনে আমাদের উপর পোদ্দারি করে”।
“ভাই বাদ দেন, আমরা সবাই একটা ধর্ম নিরপেক্ষ পরিবেশ বজায় রাখি, আমরাতো আবার ধর্মের কোন পক্ষেই নাই। তাই আমরা ধর্ম নিরপেক্ষ , হা হা হা ... তামুক খাইবেন নাকি? খারান একটা এক্স এল সাইজের একটা রিজলা বানাই”।
পত্র ভাই এর অপরিণামদর্শী টাইপ কথাগুলো মৃণাল দা বুঝে উঠতে পারে না হয়তো বুঝতেই চান না, তাই তিনি বলেই চলেন, “ওদের অন্ধ জাতীয়তাবোধ তাই ওদের শেষ করে দিল, ওদের ভাষা গুলাই তো ওদের জন্য বেরিয়ার ছিল। আর প্রতেক রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময় নেতাদের ভয়ে অণ্ডকোষ শুকিয়ে যেত, ভাবত সকালে উঠে না জানি দেশটাকে কয় টুকরা দেখতে হয়। এইটা তো জানা কথা যে প্রদেশ গুলা একসাথে বেশিদিন থাকতে পারবে না...” তিনি হয়ত আরও কিছুক্ষণ জ্ঞান বিলাতেন যদি ধমক দিয়ে আনন্দের বেসুরা গান বন্ধ না করতে হতো।
কবি তার সদ্য লেখা গান গাইতে আরাম্ভ করলে সকলে একত্রিত হলেন।
কবি গাইলেন ( কবি গান গাইতে ভালবাসেন)

“ দুধ থেকে বাটার তুলে শুধু ঘোলটা রাখতে পাতে
দুধেভাতে ছিলে তোমরা আর আমরা হাড়হাভাতে...”
তার গানের বাকি অংশটুকু ঢাকা পরল প্রচণ্ড বিস্ফরনের শব্দে, সকলে ভীষণভাবে চমকিত হল,
রোদেলা বলে উঠে, “ ভাই তিন কেবলার এক কেবলা আয়া পরল নাতো?”
আনন্দ বলে উঠল, ভাই কওয়া যায় না , আমেরিকার তো আবার চুলকানি বেশি, আফটার অল সিচুয়েশন কন্ট্রোল করাতো অগো দায়িত্বের মধ্যে পরে, হইতেই পারে পশ্চিমা ড্রোন বাংলাদেশ রে ইঙ্কিডেবল ইন্ডিয়া ভাইবা বোমাইতাছে।

পত্র ভাই বলে উঠল আরে না বি এন পি বহুত দিন পর আওয়ামীলীগ রে বাটে পাইছে তো, তাই মনে হয় অগো রে একটু লোউরাইতাছে, মামাগো তো অহন আবার কোন ব্যাক আপ নাই... হা হা হা ..
অনি পত্র ভাইয়ের বানানো রিজলায় কষে একটা টান দিয়া বলল , “ হ ভাই, যা কইছেন ঠিকিই কইছেন”।
(ভারত সম্পর্কে আমি খুব বেশি জানি না । শুধুমাত্র আবেগের বশবর্তী হয়ে ঘটনাটি লিখলাম)
৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

লিখেছেন নতুন নকিব, ১১ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০৩

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

মানুষের জীবন মূলত অসংখ্য ছোট-বড় সিদ্ধান্তের সমষ্টি। প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি মোড়ে আমাদের কোনো না কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

লিখেছেন আঘাত প্রাপ্ত একজন, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

[সম্ভাবনার ক্রমানুসারে নয়ঃ]

আর্জেন্টিনা: আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ তার ডিফেন্স আর ইনজুরি । ৩৮ বছরের তরুণ(!) সেন্টারব্যাক ওতামেন্দি আর কমপক্ষে এক হালি হাফ-ফিট ফুটবলার নিয়ে ১৯ জুলাই পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×