ফেসবুকে পোষ্ট শেয়ার করলে বাড়বে জনপ্রিয়তা এধরনের একটা মিত প্রায় সবার মধ্যেই দেখা যায়, যার ব্যতিক্রম আমি নিজেও নই। একটি পোষ্ট শেয়ার করার পর থাতে লাইক ও কমেন্ট পাশাপাশি শেয়ারের জন্যও আবেদন করা হয়, যার বেশিরভাগ হয় জনসচেতনতামুলক এর মধ্যেও অনেক শেয়ারিং আছে যার সুক্ম উদ্দেশ্য ভারচুয়াল জগতে নিজেকে জনপ্রিয় জাহির করা।তাই আমাদের উচিত শেয়ার করার পুর্বে বিষয়টা নিয়া ভাবা প্রয়োজনে আরো তথ্য খোজা বিশেষ করে সাংবাদিক ভাইয়েরা নিউজ করার আগে আসল ঘটনাটা একবার হলেও যাচাই করা। আজ থেকে আমি বলতেই পারি নয়া দিগন্তের এম এ মজিদ ভাই আমার প্রিয় একজন সাংবাদিক জিনি সত্যকে খোজেন আর প্রকৃত তথ্যই আমাদের উপস্হাপন করলেন । আপনাকে দন্যবাদ ।
আরেকটি অফ টপিক যার মুল ঘটনার সাক্ষি আমার কিছু বন্ধু যারা অপরাদির সাথে জেলে ঘটনাটি ব্যক্তিগতভাবে জানতে পারেন। অনেক আগে আমাদের সিলেটে একজন শিক্ষক মার্ডার হন পরে এ নিয়ে অনেক লিখালিখি ও সমালোচনার জ্বর বয় যার বেশিরভাগ ছিল অপরাধি ছেলেটির বিরুদ্বে ও শ্রদ্বেয় স্যারের জন্য। প্রকৃতসত্য হলো শ্রদ্বেয় স্যার প্রকৃত অর্থে একজন ব্যক্তিত্বহীন মানুষ ছিলেন সে অপরাদি ছেলেটির ভালোবাসার মানুষটির বান্ধবির সাথে পড়ালেখাড় নাম করে অনৈতিক যৌনতায় মগ্ন হতেন । ছেলেটির ভালোবাসার মানুষ, প্রিয় বান্ধবির এই বিব্রতকর ও কষ্ঠের সময় আবেগিয় হয়ে ছেলেটিকে বলেন তার নিজের সাথে ওইরুপ হচ্ছে, স্বাভাবিক তার মাথা গরম হয় যা শুধুমাত্র আঘাতের ইচ্ছায় করা স্টেপটি বিধাতা ওই কুলাঙ্গার টিচারের মৃত্যুর কারন করেন। জেল খেটে তার অপরাধের প্রায়শ্চিত নিশ্চয় সে করছে কিন্তু আমাদের খেয়ালিপনা আর জনপ্রিয়তার বিড়ম্ভনায় আজও প্রকৃত ঘটনা কেউ জানে না হয়তো সেই অপরাধি ছেলেটির জীবন দুর্বিসহ কিন্তু সে যে কাজ করেছে তা যদি আমাদের জীবনেও ঘটতো ? তাই ব্যক্তিথ্যবান ও দায়িত্বশীল সাংবাদিক ভাইদের প্রতি রইলো আমার বিনম্র শ্রদ্বা । আমার পোষ্টে লাইক কমেন্টের প্রয়োজন নাই তবে একটা আবদার দয়াকরে পড়বেন ভালো বই , পত্রিকা ইত্যাদি সতর্কতার সাথে পড়ার তালিকায় স্হান দেবেন। লেখক যেমন উপন্যাসিক আছেন তেমনি অনেকে চটি লিখেও জনপ্রিয়তা কোরিয়েচেন। আমার কথাকে কেউ ব্যক্তিগতভাবে নেবেন না ।
এম এ মজিদ ভাইয়ের খবরটি পড়তে নম্র রাহুল যেভাবে অপরাধী হয়ে ওঠল ।

সর্বশেষ এডিট : ১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



