somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দিশা রাভি.......

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
দিশা রাভি, বয়স ২১।



১৩ই ফেব্রুয়ারি দিল্লি পুলিশ দিল্লি থেকে ব্যাঙ্গালোরে উড়ে এসে দিশাকে বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেছে। ২১ বছরের মেয়েকে এত ভয়! দিশা পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন কর্মী।

গ্রেটা থুনবার্গ।
২০১৮ সনে ১৫ বছরের সুইডিশ স্কুল ছাত্রী গ্রেটা পৃথিবীকে চমকে দিয়েছিল। পরিবেশ পরিবর্তনের ভয়ঙ্কর বিপদ সম্পর্কে রাষ্ট্রনেতাদের উদাসীনতা ও ক্ষমাহীন গাফিলতি নিয়ে এই স্কুলছাত্রীটি সরব হয়েছিল পৃথিবীকে বাঁচানোর তাগিদে। শুরু করেছিল "Friday for future" । পরিবেশ রক্ষার জন্য এক অভিনব আন্দোলন। Global people's movement for climate justice । পৃথিবীর তাবড় রাষ্ট্র নেতারা ১৫ বছরের বালিকার পরিবেশ রক্ষার জন্য অসাধারণ ভূমিকার কাছে বামনে পরিণত হয়েছিল। থুনবার্গ এর আন্দোলন ক্রমে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে। পরিবেশ পরিবর্তনের বিপদ সম্পর্কে ছাত্রছাত্রীরা দেশে দেশে সোচ্চার হতে শুরু করে। বুড়ো খোকা-খুকীরা যখন লোভ-লালসা ও ক্ষমতার মদমত্ততায় পরিবেশ নিয়ে, পৃথিবীর ভবিষ্যৎ নিয়ে চূড়ান্ত অবিমৃষ্যকারী ও চরম দায়িত্বজ্ঞানহীন, তখন দেশে দেশে গ্রেটা থুনবার্গরা পৃথিবীকে বাঁচানোর জন্য জনমত তৈরী করে শাসকদের পরিবেশ ধ্বংস লীলা বিরুদ্ধে এগিয়ে এসেছে।
দিশা রাভি গ্রেটা থুনবার্গদের আন্দোলন থেকেই বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত হয়েছিল। কৃষক পরিবারে বড় হয়েছে দিশা। পিতামহ ও পিতামহি দুজনেই কৃষক। পরিবেশের পরিবর্তন কিভাবে কৃষিকে বিপন্ন করছে, কিভাবে কৃষকরা পরিবেশ বিনষ্টের খেসারত দিচ্ছে তা দিশা শৈশব থেকে দেখছে চোখের সামনে। পিতামহ ও পিতামহি দুজনেই পরিবেশ পরিবর্তন জনিত বিরূপ প্রভাবের হাত থেকে কৃষি ও কৃষকদের বাঁচাতে নিজেদের মত করে লড়েছেন। এসব দেখতে দেখতে বেড়ে ওঠা দিশার জীবনে মোড় পরিবর্তনকারী আলোড়ন তুলেছিল গ্রেটার "Friday for future" আন্দোলন।

Friday for future India. ভারতীয় কৃষকরা ঐতিহাসিক আন্দোলন করছেন কয়েক মাস ধরে তিনটি কৃষি আইনের বিরুদ্ধে। এই আন্দোলনের সমর্থনে দেশবাসী যেমন এগিয়ে এসেছেন তেমনি বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের মানুষ, বুদ্ধিজীবীরাও কৃষকদের আন্দোলনের সমর্থনে সোচ্চার হয়েছেন। অন্যায় যেখানেই হোক না কেন তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সবাই শামিল হয়-এটাই নিয়ম। ন্যায়ের জন্য লড়াইকে প্রাচীর দিয়ে / সীমানা দিয়ে আটকে রাখা যায় না। ভারতবর্ষে কৃষকদের চলমান এই আন্দোলনের সমর্থনে সোচ্চার হয়েছেন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন পেশার মানুষ। পপস্টার রিহানা, গ্রেটা থুনবার্গরা কৃষক আন্দোলনের সমর্থনে টুইট করেছেন। দিশা রাভি ও তার বন্ধুরা চলমান কৃষক আন্দোলন সম্পর্কে সবাইকে সম্যকভাবে অবহিত করার জন্য স্থাপন করেছেন "tool kit". Tool kit is a term which activists use for a campaign information document. এর উদ্দেশ্য হলো ভারতের চলমান কৃষক আন্দোলনের সামগ্রিক প্রেক্ষাপট সবার কাছে তুলে ধরা।
গ্রেটা থুনবার্গ কৃষক আন্দোলনের পক্ষে টুইট করার পর মোদি সরকারের মাথা ঘুরে গেছে। শাসক দলের উর্বর মস্তিষ্ক আবিষ্কার করেছে ভারতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকে। বলিউডের কিছু পোষা ময়নাকে দিয়ে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। দিশা রাভিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তথাকথিত ভারতবিরোধী বিশ্বব্যাপী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার অভিযোগে। দিশার অপরাধ তিনি গ্রেটা থুনবার্গকে কৃষক আন্দোলন সম্পর্কে বিশদভাবে অবহিত করেছিলেন।

যুগে যুগে, দেশে দেশে জনবিচ্ছিন্ন শাসকরা এক ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। প্রতিবাদ করলেই দেশদ্রোহিতার অভিযোগ, ষড়যন্ত্রী হিসেবে চিহ্নিত করা।
ভিয়েতনামে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সারা পৃথিবীব্যাপী আন্দোলন হয়েছিল। তখন কিন্তু মার্কিন সরকারও বলেনি যে পৃথিবীর দেশে দেশে ভিয়েতনামের সমর্থনে প্রতিবাদের অর্থ হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী ষড়যন্ত্র। কৃষ্ণাঙ্গদের বিরুদ্ধে যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিপীড়ণ হয়, যখন প্রকাশ্য রাস্তায় শুধু কৃষ্ণাঙ্গ হওয়ার অপরাধের জন্য গলা টিপে পুলিশ খুন করে একজন মানুষকে তখন সেটা মার্কিন দেশের নিছক আভ্যন্তরীণ বিষয় থাকে না। মানুষের চরম অপমানে ও বর্ণ বৈষম্য জনিত রাষ্ট্রীয় হত্যায় সারা পৃথিবী কেঁদে উঠে, প্রতিবাদে গলা ফাটায়। Black lives matter তাই শুধু মার্কিন দেশের আন্দোলন নয়, সারা পৃথিবীর আন্দোলন। বিশ্ব বিবেকের কণ্ঠস্বর।

মূর্খরা জানেনা প্রতিবাদকে থামানো যায় না। সমুদ্রের ঢেউকে যেমন কোন রাজা শাসন করতে পারে না, তেমনি প্রতিবাদীদের গ্রেফতার করে ন্যায়ের আন্দোলনকে থামানো যায় না। কৃষক আন্দোলনকে দমানোর জন্য একদিকে চলছে ষড়যন্ত্র, একদিকে কুৎসার বন্যা, অন্যদিকে পুলিশি দমন-পীড়ন, সাংবাদিকদের মুখ বন্ধ করা, হেনস্থা করা।
দিশা রাভির গ্রেফতার রাষ্ট্রীয় জুলুমের আরেকটি নগ্ন নজীর। বিচার বিভাগের ওপর আস্থা দিনদিন মানুষ হারাচ্ছে। দিশা রাভিকে ৫ দিনের পুলিশ রিমান্ডে দিয়েছে নিম্ন আদালত। কি অদ্ভুত অবস্থা। এই অভিযোগে তো একদিনও আটকে রাখা যায় না। গণতন্ত্র নিধনে ও ব্যক্তি স্বাধীনতা হরনে বিচার বিভাগের ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠছে প্রতিদিন। ওরা ভয় পেয়েছে প্রতিবাদে।
ওরা ভয় পেয়েছে সংঘবদ্ধ শক্তিকে। ওরা দিশাদের ভয়ে দিশাহারা- তাই মরিয়া। সম্বল ওদের পুলিশি সন্ত্রাস। অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইকে আরো তীব্র করতে হবে। দিশা রাভিরাই আসল নায়ক নায়িকা। নাটক সিনেমার স্টার সুপারস্টাররা টয়লেট টিস্যু, কিম্বা খড়ের পুতুল মাত্র।

***************************************************************************************************************
ইন্ডিয়ায় কৃষক আন্দোলনের কারণ.....
"Farm Bill, 2020" বিরুদ্ধে ইন্ডিয়ায় কৃষক আন্দোলনের চলছে। কি আছে এই বিলে? কেনো এই বিলের বিলের বিরুদ্ধে গোটা ভারতের কৃষক একহাট্টা?
আমি বিলটা পড়েছি। নিজ দেশের গনবিরোধী কোনো বিল নিয়ে আমজনতার মুখ খোলার জো নাই তাই বন্ধু দেশের বিলটা পড়ে আমার সংক্ষিপ্ত ধারণা ব্যক্ত করছিঃ-

(১) প্রথম বিলটি "The Essential Commodies ( Amendment) Bill 2020"; এই বিল অনুযায়ী চাল, ডাল, আটা, আলু, চিনি, পিয়াঁজ, ভোজ্য তেল সহ মোট ২০ টির বেশি নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য অত্যাবশ্যকীয় পণ্য তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং মজুত করার উর্ধ্বসীমা ও তুলে দেওয়া হয়েছে। ১৯৫৫ সালে এই আইনের উদ্দেশ্যই ছিল অভাবের সময় সরকার সরাসরি কৃষকদের থেকে খাদ্যশস্য কিনে গণবণ্টন ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের সাধারণ মানুষদের মধ্যে বিতরণ করবে। এখন থেকে কৃষকদের থেকে এই সমস্ত নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয় করার জন্য সরকার আর বাধ্য না, সাথে কর্পোরেট ব্যবসায়ীরা এখন থেকে যত ইচ্ছা দ্রব্যাদি অনির্দিষ্টকালের জন্য গুদামজাত করে কৃত্রিম ভাবে বাজারের মূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে।
* সরকার ঠিকই তো বলেছে বলুন এরকম একটা বিল সত্যি সত্যিই কৃষকদের উন্নতি সাধন করবে না তো কে করবে। আসলে কৃষকরা অশিক্ষিত কিনা, তাই এই বিল ঠিক করে পড়ে বুঝে উঠতে পারেনি!

(২) দ্বিতীয় বিলটি "The Farmers Agreement of Price Assurance and Farm Services Bill 2020"; যার গালভরা নাম দিয়েছে মূল্য নিশ্চয়তা! এই বিল নাকি কৃষকদের আয় নিশ্চিত করবে! কৃষকদের সাথে সরাসরি পেপসিকো, আদানি, রিলায়েন্স এর মত বড় বড় কোম্পানি’রা চুক্তি করতে পারবে। ব্রিটিশ আমলের সেই নীলকর সাহেবদের নীলচাষের প্রথা একটু ঘুরিয়ে ফিরে আসছে আরকি। বড় বড় কোম্পানি গুলোর সাথে কৃষকদের চুক্তি হওয়ার পর কোনো কারণে উৎপন্ন ফসল পছন্দ না হলে তা কিনতে কিম্বা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ফলে ফসল নষ্ট হলে সেই আর্থিক ক্ষতির দায় নিতে কোম্পানি গুলো বাধ্য না। সরকার বলছে সেক্ষেত্রে ক্ষতির মূল্য পেতে চাষীরা আইনের সাহায্য নিতে পারে। কিন্তু আপনার কি মনে হয় আদানি, পেপসিকো-দের সাথে আপনার পাড়ার গরীব চাষী মদন দা দের কোর্টের আইনি লড়াই লড়ার মত পকেটের জোর আছে?

(৩) তৃতীয় বিলটি "The Farmers Produce Trade and Commerce Bill 2020"; এর ফলে ক্রেতা ব্যাবসায়িক সংস্থাগুলির সাথে কৃষকরা সরাসরি কেনাবেচা করতে পারবে মুক্তভাবে। এক্ষেত্রে সরকার আর কোনো রকম হস্তক্ষেপ করবে না। ‘স্বামীনাথন কমিশনে’র সুপারিশ মেনে খরচের দেড় গুণ দাম কৃষকদের জন্য সুনিশ্চিত করতে হবে সেই দায়ভার থেকে সরকার হাত তুলে নিলো। এমনকি এই বিলে বিদ্যুতের সরবরাহ সম্পূর্ণ বেসরকারিকরণ, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি এবং বিদ্যুতে কৃষককে ভর্তুকি বন্ধ করার ব্যবস্থার ও উল্লেখ আছে।
সরকার ঠিকই তো বলেছে বলুন এরকম একটা বিল সত্যি সত্যিই কৃষকদের উন্নতি সাধন করবে না তো কে করবে। আসলে কৃষকরা অশিক্ষিত কিনা, তাই এই বিল ঠিক করে পড়ে বুঝে উঠতে পারেনি!
যে দেশের জনসংখ্যার শতকরা ৫২ ভাগ পরিবার কৃষির উপর নির্ভরশীল, যে দেশের কৃষি কাজের সাথে যুক্ত ১৪.৬৫ কোটি পরিবারের মধ্যে ৫৪.৬০ শতাংশ পরিবার ভূমিহীন, যে দেশের সরকার নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে ২০১৬ সালের পর থেকে কৃষক আত্মহত্যার রিপোর্ট প্রকাশ বন্ধ করে দেয় আপনাদের মনে হয় সেই দেশের নিপীড়িত শোষিত অন্নদাতা এই কোটি কোটি কৃষক-রা আদৌ ওই কর্পোরেট দের সাথে লড়াই করে টিকে থাকতে পারবেন?

সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:৫৩
১২টি মন্তব্য ১২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

হুতুম প্যাঁচা

লিখেছেন এ কাদের, ০৭ ই মে, ২০২১ ভোর ৪:৩৩

=
উতুম প্যাঁচা
হুতুম প্যাঁচা
ঠোটটা চিপা
মূখটা ভোচা,
ওরে উতুম
হুতুম প্যাঁচা
করিস কিরে
জোপের মাচা
ও উতুম তুই
এদিক তাকা
ডান চোখটা
একটু দেখা।
ও উতুম তুই
ওদিক তাকা
বাও চোখটা
আবার দেখা।

...বাকিটুকু পড়ুন

মহামারীতে মানুষের প্রাণ ভারত, ফাইজার, মডর্নার হাতে ছেড়ে দেয়া ঠিক নয়

লিখেছেন চাঁদগাজী, ০৭ ই মে, ২০২১ সকাল ৭:৪০



টিকা ম্যানুফেকচারিং'এ ভারতের অসফলতা ও বড় বড় দেশের সাথে ফাইজার ও মডের্নার কনট্রাক্ট বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোর মানুষের জীবনকে বিপন্ন করে তুলেছে; জীবন রক্ষাকারী টিকা লাইসেন্সের মাধ্যমে উৎপাদন করতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আফসোস!

লিখেছেন নতুন নকিব, ০৭ ই মে, ২০২১ সকাল ১১:১৬

ছবিঃ অন্তর্জাল।

আফসোস!

সোনালী যুগের ইতিহাস পাঠে
তৃপ্তির ঢেকুর তুলছো হায়!
জ্ঞান-বিজ্ঞানের পাঠশালা ছেড়ে
ঘুরছো পথে আদুল গায়!

জগতের জন্য কি করেছ তুমি?
কেমন তুমি মুসলমান?
আবিষ্কার আর উদ্ভাবনহীন
এ শিক্ষা কি দেয় কুরআন?

ভিখারীর মত হাত... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাগল-৩ (রম্য কবিতা)

লিখেছেন নূর মোহাম্মদ নূরু, ০৭ ই মে, ২০২১ বিকাল ৪:২৩


পাগলের সিক্যুয়ালঃ
১। পাগল-১ (ছড়া)
২। পাগল ভরা বঙ্গ দেশ
৩। পাগল-২ (ছড়া)

পাগল-৩ (কবিতা)
নূর মোহাম্মদ নূরু
আজিকার এ কাব্যে, পাগলেরা ভাববে!
কিসে কি যে হয়ে গেলো গুরু নাম জপবে !
পাগল খেদাও অভিযান চলিতেছে চলবে
জানি... ...বাকিটুকু পড়ুন

রমন মোহন রমণী

লিখেছেন শাহ আজিজ, ০৭ ই মে, ২০২১ রাত ৮:২৪



হাওড়া রেল স্টেশনে বসে কত রকমের মানুষ দেখছি।আমার ক্লান্তি বোধ হচ্ছেনা। ভারতবর্ষের সবজাতির মানুষ কোলকাতায় আছে এবং তাদের একত্রে দেখার একটিমাত্র জায়গা হাওড়া রেলস্টেশন । সারাদিন অভুক্ত,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×