somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

জুল ভার্ন
এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস...খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে...কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়।আমার অদক্ষ কলমে...যদি পারো ভালোবেসো তাকে...ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে,যে অকারণে লিখেছিল মানবশ্রাবণের ধারা....অঝোর

"বন্যরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে"-.....

২৮ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




"বন্যরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে"- বাংলা সাহিত্যের এই বহুল পরিচিত পঙ্‌ক্তির মর্মার্থ আমরা সবাই জানি। তবে মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা, বিশেষ করে শিশুদের প্রতি স্বতঃস্ফূর্ত স্নেহ ও আন্তরিকতারও একটি নিজস্ব ভাষা আছে, যা কোনো প্রোটোকল দিয়ে মাপা যায় না।

রাষ্ট্র পরিচালনা আইন দিয়ে হয়, কিন্তু মানুষের হৃদয় জয় হয় আন্তরিকতা দিয়ে। একজন নেতার সবচেয়ে বড় পরিচয় তাঁর পদ নয়, মানুষের কাছে তাঁর সহজ উপস্থিতি।

নিরাপত্তা বেষ্টনী, রাষ্ট্রীয় প্রোটোকল কিংবা আনুষ্ঠানিকতার গণ্ডি পেরিয়ে যখন দেখি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশুদের মাঝে কিংবা সাধারণ মানুষের সঙ্গে একেবারে স্বাভাবিক, আন্তরিক ও সহজভাবে মিশে যাচ্ছেন, তখন সেটি নিছক একটি রাজনৈতিক দৃশ্য বলে মনে হয় না; বরং একজন মানুষের মানবিক দিকের প্রকাশ বলেই মনে হয়।
এটা কোনো অন্ধ প্রশংসা বা স্তুতি নয়- Tarique Rahman এই গুণাবলী উত্তরাধিকার সূত্রে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়া থেকেই পেয়েছেন। একজন নেতার সবচেয়ে বড় শক্তি কেবল তাঁর বক্তৃতায় নয়, মানুষের কাছে যাওয়ার ক্ষমতায়। যে নেতা শিশুদের হাসিতে নিজের আনন্দ খুঁজে পান, সাধারণ মানুষের স্পর্শকে সম্মান করেন এবং আনুষ্ঠানিকতার দেয়াল ভেঙে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে পারেন- তাঁর প্রতি মানুষের ভালোবাসাও স্বাভাবিকভাবেই অন্যরকম হয়।

রাজনীতির ইতিহাসে পদ-পদবি অনেকেই পেয়েছেন, কিন্তু মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিতে পেরেছেন খুব কমজন। শেষ পর্যন্ত মানুষের মনে থেকে যান তাঁরাই, যাঁরা ক্ষমতার উচ্চ আসন থেকেও মানুষের খুব কাছাকাছি থাকতে পারেন।
রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য প্রজ্ঞা প্রয়োজন, আর মানুষের হৃদয় জয় করার জন্য প্রয়োজন আন্তরিকতা। এই দুইয়ের সমন্বয়ই একজন নেতাকে প্রকৃত অর্থে বড় করে তোলে।

PMO Bangladesh - প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় প্রোটোকল একজন প্রধানমন্ত্রীকে নিরাপত্তা দেয়, কিন্তু মানুষের ভালোবাসা তাঁকে ইতিহাসে স্থান দেয়। শিশুদের হাসির মাঝে, সাধারণ মানুষের করমর্দনে, প্রবীণদের দোয়ায় এবং তরুণদের স্বপ্নে যে নেতা নিজেকে খুঁজে পান, তিনিই শেষ পর্যন্ত মানুষের নেতা হয়ে ওঠেন। ক্ষমতার নয়, হৃদয়ের রাজনীতিই সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী।

ছবি ক্রেডিটঃ K M Nazmul Haque সহকারী প্রেস সচিব, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:৪০
৬টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলে তে কি দেখতে চাই না

লিখেছেন অপলক , ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৫৭



ওপার বাংলা আর এপার বাংলা মানে কোন দেশের কোন অঞ্চল বোঝায়, সেটা কমবেশি সবাই জানি। কিন্তু দু'বাংলার সংস্কৃতি বেশির ভাগটাই আলাদা। শব্দ উচ্চারন থেকে শুরু করে মন মানসিকতা, পোশাক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে এসো অনুরাধা, ভেঙে দিয়ে সব বাঁধা....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১৩

ফিরে এসো অনুরাধা, ভেঙে দিয়ে সব বাঁধা....

শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন- ফিরতেই পারেন। তবে প্রশ্ন হলো, কীভাবে এবং কোন উদ্দেশ্যে?

বাংলাদেশে ফিরে আসা তাঁর জন্য অসম্ভব নয়। চাইলে তিনি দেশে ফিরতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা বাস করছি প্রচণ্ড রাজনৈতিক ভণ্ডামোর মধ্যে – হুমায়ুন আজাদ। কিছু কথা।

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:৩৮



ইংরেজিতে একটা শব্দ আছে সেটা হল plausible. যার একটা অর্থ হল “আপাতদৃষ্টিতে যুক্তিসঙ্গত”। হুমায়ুন আজাদের অনেক লেখার মধ্যে এ জিনিসটা পাওয়া যায়। এমনিতে হুমায়ুন আজাদ খুবই ভালো... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ ১৭ই মার্চ ১৯২০

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪১




একটা সোনার ছোট্ট ছেলে জন্ম নিলো এই  দিনে,
স্বভাবগুনে স্থান পায় সে কোটি জনতার মনে।

সেই ছেলেটি জন্মেছিল টুঙ্গিপাড়া গ্রামে।
মুক্তিরই এক বার্তা নিয়ে এলো ধরাধামে।

অন্তরটি তাঁর বিশাল বড়ো,বুক ভর্তি  মায়া,
সব মায়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

হুলো বেড়াল

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:২৮


গ্রামের কাঁচা রাস্তা দিয়ে হাঁটছি। কোথাও মানুষের কোনো সাড়া-শব্দ নেই। মাঝেমধ্যে অবশ্য ঝিঁঝিঁ পোকা ডেকে যাচ্ছে। শব্দে কান ঝালাপালা। এত ঝিঁঝিঁ পোকা কোথা থেকে এলো?

দুটো জঙ্গল পেরিয়ে মূল সড়কে ওঠলাম।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×