somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভালো থাকিস বন্ধু।

০৭ ই অক্টোবর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এক বড় ভাইর সাথে পল্টন আজাদ প্রডোক্ট এ গেলাম বিয়ের কাড দেখতে। হঠাৎ একটি কার্ড এর উপরের নামটি দেখে চোখ আটকে গেল। নামটি চোখ আটকে যাওয়ার বিশেষ কারন হল এই নামনে একজনকে আমি হয়তো খুব মিস করি।

আমি কলেজে ভর্তি হয়েছি, ক্লাস শুরু হয়েছে আমি পরিচিতি ক্লাস গুলো করা হয়নি। ক্লাস শুরু হওয়ার তিন দিন পর আমি কলেজে আসছি। সেই রকম কারো সাথে পরিচয় নেই। ভর্তি হওয়ার দিন ২জনের সাথে কথা হয়ে ছিল। এক জন #ফয়সাল আর অন্যজন #আকিব। আমি কলেজে এসেই ওই ২জনকেই খুজতে ছিলাম, না পেয়ে ক্লাস রুমে গেলাম। ক্লাস রুম পুরাই ফাকা কেও নেই। রুমের এক পাশে বসলাম কে যানি আসছে সাউন্ড পাওয়ার সেথে সাথেই তাখালাম। দেখি একটা মেয়ে ক্লাস রুমে ঢুকছে ব্লু কালার একটা ড্রেস মনে হচ্ছে এ যেন রঙিন দুনিয়ার পরি।
আমার কাছে এসে বলছে তুমার নামকি? আমি অপ্র্স্তু ভঙ্গিতে বলালম জুনায়েদ। আর কিছু না বলে আমার ওপর পাশে বসল। ৫মিনিট নিরবে বসে থাকার পর আবার বলল।
এই জুনায়েদ তুমি কি অনেক লাজুক?
না মানে আজকে প্রথম তো তাই?
ও আচ্ছা, তুমি আমার নামটাও জানতে চাওনি তাই বললাম।
ও সরি তোমার নামকি?
আমি ফারাহ দিবা নিক নাম ফারাহ।
ও নাইস নেইম।
হুম জানি, সবাই বলে। (পুরাই ভাব)
তারপর ক্লাস শেষ করে আমি ফারাহ, ফয়সাল, আকিব চার জন মিলে চা খেতে গেলাম। চা নাকি ফারাহ খুব প্রিয়, সারাদিন মিনিমাম ১০কাপ চা তার লাগে এই সব গল্প করছে। আমরা ৩জন তার শ্রোতা।

আমাদের ৪জন এর গ্রুপটা পরে আরো অনেক বড় হয়ে ছিল কিন্তু চার জনরে মধ্যে রসায়নটা খুব ভালো ছিল। বিশেষ করে ফারাহর সাথে আমার একটু বেশিই ছিল। অনেকই বলত আমাদের মধ্যে রিলেশান আছে, যদিও তেমন কিছু ছিল না।

ফারাহর মা, আন্টির সাথে আমার ভালো সম্পর্ক ছিল, ওনি আমাকে অনেক আদর করতেন। ওনার সাথে পরিচয় হওয়ার পর কেন যানি ওনি আমাকে খুব ফোন দিত, খুজ খবর নেওয়ার জন্য। এবং ভালো কিছু রান্না করলে আমাকে বাসায় যেতে বলতো না হয় ফারাহর কাছে দিয়ে দিত।

সেকেন্ড ইয়ারে এসে ফারাহ হঠাৎ করে অন্যরকম আচারন করতে শুরু করল। সে বিভিন্ন ভাবে আমাকে লাভ করে সেটা বুঝানোর চেষ্টা করতে লাগলো। আমি বুঝয়েও না বু্ঝার ভাব করলাম। একটা সময় সরাসরি বলে ফেলল ও আমাকে ভালোবাসে।
আমি কি করবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না। আমাকে ২টা জিনিস খুব তারা করতে লাগলো ১. ওর সাথে আমার রিলেশান হলে আন্টি আমাকে ভুল বুঝবে। (যদিও পরে শুনেছি এই ব্যাপারটা আন্টি যানতেন)। ২. রিলেশানটা কোন কারনে নষ্ট হয়ে গেলে আমার বেস্ট ফ্রেন্ডকে হারাবো, যা আমি চাইনি। (যদিও ফারাহ আর সাথে এর পর আমার আর ভালো করে কোন দিন কথা হয়নি কারন হিসাবে ফারাহ বলেছে আমি নাকি ওরে Insult করেছি। আমি থাকে অনেক বার বুঝানোর চেষ্টা করেও ব্যার্থ হয়েছি।)

ফাইনাল এক্সাম এর ২দিন পর আমার কাছে একটা চিরকুট দিয়েছিল ফারাহ। তার মধ্য লিখা গুলো পরে আমার সত্যিই অনেক খারাপ লেগেছিল সেই সময় বুঝতে পেরে ছিলাম ও আমার কাছে কি ছিল। যদিও আর কিছু করার ছিল না।

#চিরকুট: জুনায়েদ আমি তোমাকে সত্যি অনেক লাভ করি, তুমি আমাকে বুঝলে না। সেটা আমার Bad Luck. সো ভালো থেকো। আমি আগামি কাল দেশের বাহিরে চলে যাচ্ছি, আমাদের ফ্লাইট বিকাল ৩টায়। আমার জন্য দোয়া করো।
আমার কাছে চিরকুট আসছিল ওই দিন সন্ধ্যায় ৬টায়। হয়তো ওর ধারনা ছিল চিরকুট পেলে আমি ওর সাথে শেষ দেখাটা করবো কিন্তু তা আর হল না। আর সেই অভিমান থেকেই হয়তো যাওয়ার এতোটা দিন পরেও আমাকে একটি কল করেনি।
#ভালো থাকিস বন্ধু তোকে অনেক মিস করি।
মিস করি কলেজ লাইফ এর বেস্ট ফ্রেন্ড #ফয়সাল ও #আকিবকে। তোরাও যে খানেই থাকিস ভালো থাকিস।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই অক্টোবর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৩৪
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সর্বজনীন পেনশন: সুবিধা বাড়ছে, ভবিষ্যৎ কতটা নিশ্চিত ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৪৪


সরকারের মনোভাব সাধারণ মানুষের পক্ষে বোঝা কঠিন। ফ্যাসিস্ট আমলের বিতর্কিত 'সর্বজনীন পেনশন' প্রকল্পটি বাতিল না করে বর্তমান সরকার উল্টো নতুন নতুন স্কিম চালু করছে এবং এর সুযোগ-সুবিধা দিন দিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ এর পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে পাকিস্তান কি বাংলাদেশে জঙ্গি নেটওয়ার্ক গড়ছে?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:৫৪


পাকিস্তানের জঙ্গি গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈয়বার সহযোগী সংগঠন জামাত-উদ-দাওয়ার কয়েকজন নেতা দাবি করেন, হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পেছনে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। এই জঙ্গি সংগঠনটির নেতা সাইফুল্লাহ কাসুরি বলেন, তারা ১৯৭১ সালে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অচেনা মাটিই আমার শেষ ঠিকানা !

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৫১

অচেনা মাটিই আমার শেষ ঠিকানা !



পাথর বা গ্রানাইটে বেঁধো না তো আমার শেষ শয্যা,
নাম খোদাই করে রেখো না আমায়, দিতে একা থাকার লজ্জা।
চাই না উপাধি, চাই না তারিখ, ধূসর... ...বাকিটুকু পড়ুন

নৈতিক অবক্ষয়ের দায় কার?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৫২

ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়ের দায় কার?

সমাজে যখন অপরাধ বাড়ে, পারিবারিক বন্ধন দুর্বল হয়, সন্তান বাবা-মাকে সম্মান করে না, মানুষ মানুষের প্রতি বিশ্বাস হারায়, দুর্নীতি-প্রতারণা-সহিংসতা স্বাভাবিক হয়ে ওঠে- তখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কাতুকুতু'র কাহিনীনামা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:১৭

কাতুর সাথে কুতু দিয়ে হচ্ছো পগারপাড়,
ফের যদি আসো কাছে বলবো- 'খবরদার!'
একটু হেসে, কাছে এসে, দিচ্ছো বুঝি কাশি,
ঝুলিয়ে দাড়ি, যাচ্ছো বাড়ি, যেথায় আছেন মাসি।

তোমার সাথে, দুধে-ভাতে, গপ্প করছি কত,
তবু কেন, ঘন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×