পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতিদিন ১০ জন নারী
ধর্ষিত হচ্ছে। আমরা তনুকে বাঁচাতে পারিনি কিন্তু আগামীকাল যে তনুটি ধর্ষিত হবে আমরা হয়ত একটু মনোযোগ দিলে তাকে রক্ষা করতে পারব।
বাংলাদেশে প্রতিদিন দশজন ধর্ষিত হচ্ছে। ভাবুন তো!! আজ তনু হত্যার বিচার চাইতে চাইতেই আগামীকাল আরও দশজন ধর্ষিত হবে।
গা শিউরে উঠেনা?? ভাবুন তো আগামীকালের ১০ জনের মধ্যে ১ জন আপনার বোন ছিল!! পরের লাইনটুকু আর চিন্তা করতে পারেন??? আপনি চুপ থাকলে কিন্তু এই দশ জনের সংখ্যাটা স্থির দাঁড়িয়ে থাকবেনা, তরতর করে বেড়ে যাবে। এক সময় হয়তো দেখবেন
প্রতি ১০ জনে ১ জন ধর্ষিত হচ্ছে। কোথায় যাচ্ছি আমরা??
নারী অধিকার নারী অধিকার বলে
যারা রেনডম চিৎকার চেঁচামিচি করেন,
প্লিজ আপনাদের চেঁচামিচি গুলো ধর্ষণ বন্ধে ব্যাবহার করুন।
ধর্ষণের হার কমাতে হলে ধর্ষকদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
ইসলামে ধর্ষণের শাস্তি হল সবার সামনে বুক পর্যন্ত মাটিতে পুতে মৃত্যু নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত পাথর নিক্ষেপ করা।
আপনার কাছে হয়ত এই আইনটি বর্বরোচিত মনে হবে। তবে ইসলাম সবার কথা ভেবেই আইন করেছে। বিশ্বে সব চেয়ে বেশি ধর্ষণের তালিকায় যে দশটি দেশের নাম আছে সেখানে মুসলিম কোন দেশের নাম নেই।
আগামীকাল ১০ জন ধর্ষক ধরে এই বিচার কার্যকর করেন, চ্যালেঞ্জ থাকল পরেরদিনই ধর্ষণ থেমে যাবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

