disgusting link
এই রকম 'নিউজ' আমাদের সময় পত্রিকায় ছাপা হল!!!!!!! কোন যুগে আমরা বাস করছি????? এরা নিশ্চয় কোন এজেন্ডা নিয়ে নেমেছে......
†রাকন রাইয়ান : প্রাপ্ত বয়স্ক নারীরা প্রতিমাসের একটা নির্দিষ্ট সময় অপবিত্র থাকেন। এ সময় তাকে সব ধরনের ইবাদত †থকেই বিরত থাকতে হয়। প্রাত্যহিক নামাজ ও তাসবিহ তাহলিল †তা আছেই এমনকি পবিত্র রমজানের †রাজাও রাখার বিধান †নই। এ কারণে অনেকের বদ্ধমূল ধারণা নারীর ঋতু চলাকালীন সময়ে আরো অনেক কাজ †থকেই তাকে বিরত রাখতে হবে। এ ধারণা †থকেই অনেক পুরুষ নারীর †বড়ে †দওয়া খাবার খান না। একসঙ্গে থাকতেও চান না। অনেক পরিবারে এ সময়টিতে তাকে অপমানের †চাখে †দখা হয়। কিন্তু ইসলাম এসবকে পরিহার করেছে।
ইসলাম বলেছে, নারী তার বিরতির সময়ে †কবল ইবাদত †থকে বিরত থাকবে। অন্য সব কাজ স্বাভাবিকভাবেই করতে পারবে। এমনকি স্বামী তার সঙ্গে এক †প্লটে খাবারও †খতে পারবে। এ বিষয়ে হাদিসে নিষেধাজ্ঞা †নই। বরং এখানে ইসলামে নারীর অনন্য মর্যাদার বিষয়টি ফুটে উ?ে।
হাদিসে এসেছে, প্রসিদ্ধ সাহাবী হজরত আবদুল্লাহ ইবনে সাদ রা. বলেন, আমি একবার রাসুল সা. †ক হায়েজগ্রস্ত নারীর সাথে একপ্লেটে খাবার খাওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলাম। তিনি বললেন, তুমি তার সাথেই খাবার খাও (এতে †কানো সমস্যা †নই)।
এ ব্যাপারে হজরত আনাস রা. ও আয়েশা রা. †থকেও একই বিষয়ে হাদিস বর্ণিত রয়েছে। ইমাম তিরমিজি রহ. বলেন, সাধারণভাবে সকল আলেমের অভিমত হলো, হায়েজা নারীর সাথে খাবার †খতে †কানো অসুবিধা †নই। (তিরমিজি, হাদসি : ১৩৩)
হাদিসটির মাধ্যমে আমরা জানতে পারি নারীর ঋতু চলাকালীন সময়ে তাকে অপবিত্র †ভবে দূরে রাখা অন্যায়। তাকে অপবিত্র এমন মনে করে দৃষ্টিকটু ইঙ্গিত করাও অন্যায়, বরং †স পবিত্র। †কবল এ কারণে তাকে ইবাদত †থকে দূরে রাখতে হবে অন্য †কানো কাজে নয়।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



