অনেক ব্লগার আদা জল খেয়ে নেমেছিল যে কিভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের লুট হওয়া টাকা হাসিনা/জয়ের একাউন্টে আবিস্কার করা যায়। তারা বড়ই হতাশ হবেন যে মূল হোতা হাসিনা/জয়ের নাম বলল না তাদের সিনেট হিয়ারিংএ

জয়ের বাড়ী নাকি রাকেশ আস্তানার কাছে, তাহলে জয়ই জড়িত এই থিয়োরী দিয়ে অনেকদুর এগিয়েছিলেন। এত পোস্ট দেওয়া হয়েছে সেখানে সবাই ব্যস্ত ছিল বাংলাদেশের কোন মন্ত্রী/প্রধানমন্ত্রীকে ঈংগিত দিয়ে কথা বার্তা। আমি বহুবার বলেছিলাম যে ফিলিপাইনের সিনেটে যে হিয়ারিং হচ্ছে সেটাকে কেন চেপে যাওয়া হচ্ছে..কিন্তু যারা কন্সপিরিউসি থিয়োরীতে বিশ্বাসী, তারা আমার কথা মানতে নারাজ ছিলেন। তারপরও আমি বলছি না যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ভিতরের কেউ জড়িত না।
কিন্তু আমি বুঝলাম না কেন যারা চুরি করল, তারা এখন সামান্য কিছু ফেরত দিতে চাচ্ছে (পুরাটা না).... বাংলাদেশের উচিত হবে না এই সামান্য টাকা গ্রহন করা...যেমন গ্রহন করা হয় নাই মানি এক্সচেন্জের ফেরত দিতে চাওয়া সামান্য টাকা।
তারা এর সাথে বাংলাদেশের আর কারা জড়িত তা বলে নিজেদের দোষ টাকে কমাচ্ছে না...বরন্চ আরো ফিলিপিনো দুজনের নাম বলল যারা নাকি আসল হোতা।
আমার কথা হল হাসিনা আর যাই করুক না, দূর্নীতি তে জড়িত না...যেমন খালেদা জিয়া ও নিজে দূর্নীতি করেন নাই। কিন্তু উনি উনার ছেলেদের দূর্নীতিকে চেক দেন নাই।
Kim Wong

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

