somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গ্রামীনফোনের বাটপাড়ি- কর্মচারীদের এই দুর্গতী হলে গ্রাহক পর্যায়ে কি হচ্ছে?

০৪ ঠা জুলাই, ২০১৪ রাত ১০:০৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আজকে যে বিষয়টি সবার সাথে শেয়ার করতে চাচ্ছি তা নতুন কোন বিষয় নয়। যারা এই বিষয়ে ওয়াকিবহাল নন তাদের কাছে নতুন হতে পারে কিন্তু এর সুত্রপাত ২০১০ সালের পর থেকে, কষ্ট কাটিং-এর নামে ২০১১, ২০১২ এবং ২০১৩ সালে গ্রামীনফোন কর্মচারীদের চাকুরীচ্যুতকরন এবং প্রাপ্য লভ্যাংশ কুক্ষিগত করনের প্রেক্ষাপটে। এর সূত্র ধরে সৃষ্টি হয় GPEU এবং GPPC নামে আরো দুটি প্রতিষ্ঠান এই গ্রামীণের মধ্যেই কর্মচারীদের স্বার্থ রক্ষার লক্ষ্যে। সেই স্বার্থরক্ষার যুদ্ধেই আজ বেজে উঠেছে নতুন ডামাডোল। সেই ডামাডোলের কিছু আওয়াজ শেয়ার করাই আজ মূল উদ্দ্যেশ্য।

যারা এর শানে নুযুল না জানেন তাদের আমার পূর্ববর্তী লেখা গ্রামীনফোনের ৫% বানরের ভাগ??? পড়ে আসার অনুরোধ করছি নতুবা পুরো বিষয়টা কেবল প্রলাপ মনে হবে। সত্যি বলছি প্রলাপ বকছি না, অধিকার আদায়ের চেষ্টা করছি। জানি কিছুই হবে না, তবুও থেমে থাকতে ইচ্ছে করছে না। দাবী আদায়ের অন্য কোন মাধ্যম-ও জানা নেই এই মুহুর্তে কেননা প্রায় ৫ হাজারের অধিক প্রাক্তন এবং বর্তমান কর্মচারী ধৈর্য্য সীমার একেবারে চুড়ান্ত পর্যায়ে দাঁড়িয়ে আছে, নিঃশ্বাস ভারী হয়ে এসেছে অনেক আগেই।

আজকে আমি এখানে নিজের কোন কথা অথবা মতামত প্রকাশ করব না। কেবল মাত্র আলোচ্য সুত্রের খাতিরে এতটুকু বলি যে ২০১০ থেকে ১২ সাল পর্যন্ত কর্মচারীদের প্রাপ্য যে মুনাফার ৫%, সেটা এখনো গ্রামীনফোন কর্তৃপক্ষের পকেটে অথচ ২০১৩ সালের মুনাফার অংশ বন্টন প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে বহু আগেই। সেই ২০১০-১২ সালের বিলম্বিত মুনাফা প্রদান সংক্রান্ত যে প্রাপ্য সুদ বাংলাদেশ শ্রম আইন কর্মচারীদের দিয়েছে সেই সুদের আশা পর্যন্ত ভয় ভীতির মাধ্যমে কর্মচা্রীদের না দেয়ার ব্যবস্থা অলরেডী করে নেয়া হয়েছে। তথাপি প্রায় ৫ মাস অতিক্রান্ত হলেও কোর্ট কাচারির লিগ্যাল আর করপোরেট এফেয়ার্স সংক্রান্ত জটিলতা দেখিয়ে প্রাপ্য মুনাফার ভাগের অর্থ আজ অব্দি কর্মচারীদের মাঝখানে বন্টন করা হচ্ছে না। অনেক প্রাক্তন কর্মচারী চাকুরী হারিয়ে জটিলতার মধ্যে জীবন যাপন করছে, অনেকে দেশের বাইরে চলে গেছে, অনেকে প্রয়োজনের কারনে চড়া সুদে লোন নিয়ে রেখেছে, অনেকের পারিবারিক অথবা ব্যাক্তিগত অনেক জটিলতা দূর হয়ে যেতে পারে এই প্রাপ্য অর্থের আগমনে। অথচ গ্রামীন ম্যানেজমেন্ট একের পর এক ধানাই পানাই করে কেবল মাত্র কালাতিপাত করার পেছনেই অর্থের লগ্নি বাড়িয়ে যাচ্ছে। সেই সুবাদেই এই প্রতিবাদ। যেকোন সুস্থ শিক্ষিত মানুষ-ই বুঝতে পারবে কি হঠকারিতা, জোচ্চুর্‌ ভন্ডামি আর বাটপাড়ি চলছে প্রাপ্য মুনাফার অংশ নিয়ে এই গ্রামীনফোনের মত এত বড় একটি সেবা দানকারী বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে।

GP Employee Association নামে একটা Closed Group রয়েছে ফেসবুকে কর্মচারীদের মতামত আদান প্রদানের জন্য এবং সংশ্লিষ্ট আপডেট শেয়ারের জন্য। যেহেতু অন্য কোন মাধ্যম জানা নাই অথবা অন্য কোন মাধ্যমে বিশ্বাস নাই, সেহেতু জনসম্মুখে, সরকার, আইন ও প্রশাসনের সামনে, সচেতন নাগরিক ও দেশের হর্তাকর্তাদের সামনে, সাংবাদিক, মিডিয়া, ব্লগ আর গ্রামীনফোনের সাথে সংশ্লিষ্ট ও অসংশ্লিষ্ট সকলের সামনে তুলে ধরছি বর্তমান পরিস্থিতি GPEU (Grameenphone Employee Union) এবং GPPC (GrameenPhone People's Council) সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিদের প্রদত্ত ফেসবুক আপডেট এবং কমেন্টে কর্মচারীদের মতামতের প্রেক্ষিতে-

Adeeba Zerin Chowdhury:
=====Update on WPPF (5% profit sharing) of 2010 to 2012=====

As you all know, GP CEO declared WPPF of 2010 to 2012 on 4th September, 2013 in Town Hall Meeting at GP House Micro-spectrum. They denied giving us interest which is our lawful rights under the Labour Act 2006 and intentionally they have imposed a condition to the employees that if the employees demand interest then they will run the writ/case in the court which will take a long time.

Then GPPC called a meeting with the employees on 03/03/14 in GP House Micro-spectrum and shared the views of the Mgt. with the employees that if we claim interest, we have to settle the writ petition filed by the Mgt which will take a long time to settle in the court process. The majority of the employees presented in that meeting told GPPC to settle it without interest to avoid the complexity. After that as per the commitment of the Mgt. with GPPC and employees feedback, GPPC shared employees’ views with the Mgt. accordingly.

After several meetings with the Mgt and as per the demand by the Mgt, GPPC signed that meeting resolution on 28/05/14 with a good faith on management so they disburse the amount without any delay. Then the Mgt filed an application to the court to take a disbursement order of the WPPF (2010-12) without interest. Management have promised GPPC that they will hand over the amount to the Trustee Fund after getting the written order from the court. On 11/06/14 the court heard that application and ordered GP to disburse the principle amount without interest and the matter of Interest will be heard with the original writ hearing whether the interest is applicable or not. On 01/07/14 GPPC came to know that GP got the written order from the court on 25/06/14 but they did not share it with GPPC. Rather they are trying to run the case to linger time and deprive us from our rights not withdrawing the writ from the court which is not relevant to the handover of the WPPF amount to the Trustee Fund.

But, why are they acting so? We think the management is.intentionally making it delay in disbursing the amount to the employees and trying to put the blame on GPPC. Management has already breached GP Values breaking their commitment, promises disrespecting employees and their platform GPPC. We have tried to show our patience & kindness being very considerable in dealing every issue so far, but they have misunderstood our goodness as weakness. Now the time has really come to protest together to protect our rights and show them the collective power of the employees against their wrong doing.

N.B- Court order & other relevant documents shall be uploaded soon for your information.

Comments (Selected):

Shamsul Arifeen: Protect our rights

Nasiruddin Majumder: Lets go for a strike .........

Biswajit Dasgupta: Gorje uthar abar somoy asache.abar protest korte hobe.dat bhanga jobab dite hobe.goodness k weakness vabla mngt vul korbe.

Jashim Uddin: আগের টি শার্ট এখনো যত্ন করে রেখেছি । Strike এর কোনও বিকল্প নাই ।

Rehana Nasrin Shipra: GP management is always like that. Their inner face is very ugly & fake. Again they proved that.They are always telling something but doing something else...it's not new to us.Off course we should and we must protect our rights together.They ( GP mgt ) all are liars as always.

Mohammad Arif Ur Rahman: we must show our power, pls lead us

Feroz Mostafa: So nothing is happening on 7th jul? It's a rumor!!

Mohammad Arif Ur Rahman: I think, we have no more time waste. Just go for action. Need leaders call without any delay

শুভ্র কান্তি সেন: সোজা আঙ্গুলে ঘি উঠবে না...... এবার আঙ্গুল বাঁকানোর সময় এসেছে ।

Debashish Nath: Unexpected organizational practice from the country's best employer.they are showing us wrong way of life n excercising their power.how long we will remain in the receiving end to this corporate musked gentlemen?GPPC pls tell us what will be our future course of action?

Kamal MD Sharif: এই ৪-৫ লাখ টাকা না পেলে কেউ মারা যাবে না। কারন যারা এই টাকা টা পাবে তারা হঠাৎ করেই তাদের চাকরী হারিয়েছে। কিন্তু তারা কেউই কিন্তু বসে নাই। সবাই কোথাও না কোথাও ঠিকই তার যোগ্যতা প্রমান করেছে।
আমার মনে হয় আমরা অনেক ধৈষর্্য দেখিয়ে ফেলছি এবং অনেক ত্যাগও করে ফেলছি। যেটা আর করা উচিত না।
আমার মতে এবার একটা কঠিন পথ বেছে নেয়া উচিত। যাতে একটা টেবিলে বা মিটিং এ সিদ্ধান্ত দিতে বাধ্য হয় জিপি।
কিন্তু এই কঠিন পথে সবচেয়ে বেশী দরকার হলো বতর্মান জিপিতে কর্মরত বন্ধুদের সাহায্য। তারা যদি না এগিয়ে আসে তাহলে মনে হয় না খুব বেশী লাভ হবে । কথা হলো এমন সাহসী বন্ধু কয়জন আছে?

Abu Rashel: Bhai kamal apni bhul jaigai knock korechen. The people's u r talking about they are very much liable to our ex mgt. Onek hoiche bhai pechal bondho koren. But if anybody shows the hand infront of Ghouse I will be there but with strong commitment nor leave the discussion !!!! Sorry to say but this is reality that we are seeing from last two years .

Mahmudul Hasan: ধৈর্য্য ধরতে ধরতে আর চুপ মেরে থাকতে থাকতে নিজেদের বয়স আর ৫% এর মুলার বয়স বেড়ে, চামড়া সুটিয়ে, সবুরের ছাদ ফুটো হয়ে বেরিয়ে গেছে। বেজার থাকতে থাকতে আমাদের গালের চামড়া ঝুলে গেছে আর মোটা গন্ডারদের চামড়া আরো মোটা হচ্ছে। কিছুদিন পর আর ঐ গন্ডারদের কাতুকুতু ফিল হবে না কারন তারা জেনে গেছে এই বৃদ্ধ GPEU আর শিকলে বাধা GPPC হচ্ছে মাকাল ফল বিশেষ।
ক্ষমা করবেন !!!
শিং, কৈ আর মাগুর মাছের মত জিইয়ে রেখে সস্তা আবেগ আর so called মুল্যবোধের মোড়কে পেঁচিয়ে কেন এই যুক্তিসঙ্গত অধিকার থেকে আমাদের দূরে সরিয়ে রাখা হচ্ছে? আর সুদ সংক্রান্ত দাবী দাওয়া থেকে মুক্ত রাখার পর-ও ক্রমাগত বিলম্বের এই অযৌক্তিক কারন কেন বার বার মেনে নেয়া হচ্ছে তথাকথিত আইনের ধারা উপধারার ব্যাখ্যায়? প্রাপ্যের প্রায় বড় একটা অংক অকালপক্ক কিছু দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ছেড়ে দেয়া সত্ত্বেও কেন GPEU আর GPPC সেই দাবীকে সুসংগঠিত করে আশূ পদক্ষেপ নিতে বার বার ব্যার্থ হচ্ছে?
“GP got the written order from the court on 25/06/14 but they did not share it with GPPC” – এখানে আমার একটা প্রশ্ন, আপনাদের কি মনে হয় জিপি ম্যানেজমেন্ট আসলেই GPPC- র প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তারা আমাদের তথা GPEU /GPPC -র যুক্তিযুক্ত দাবী দাওয়ার প্রতি শ্রদ্ধাশীল? আপনারা কেন যেচে পরে বার বার তাদের কথায় বিশ্বাস রাখছেন আর আপনারাই আপনাদের উপর তাদের বিশ্বাসের প্রমান দিচ্ছেন, যেখানে তারা আপনাদের উপর ন্যুনতম আস্থা/ বিশ্বাস রাখার প্রয়োজনই অনুভব করছে না? সেক্ষেত্রে GPEU নিয়ে কিছু নাই বললাম GPPC কে কি আমরা Domestic ভাবলে খুব বেশী ভুল হয়ে যাবে? আপনারা হচ্ছেন “Eyesight as well think tank of total GP employee (X & Present) community /union” সেখানে এতবড় একটা Hide & Seek ঘটনা ঘটে গেল অথচ আপনারা GPPC- র মেম্বাররা, আপনাদের প্রতিক্রিয়া কেন ততটা যুতসই মনে হচ্ছে না? GPEU-র স্পিরিট কি GPPC-র পেটের বদহজমের পাচন প্রক্রিয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে?
যেখানে আমরা অনেকে আনন্দ অনুভব করা শুরু করেছিলাম, ঠিক সেই সময়ে জিপি ম্যানেজমেন্টের সেই অবধারিত অবিশ্বাসের আর অপকর্মের আরেক নজির টেনে বার বার বিলম্বিত এই আনন্দঘন্টাকে কেন হতাশার আস্ফালনে পরিনত হতে দিচ্ছেন? GPPC হোক GPEU-ই হোক, দয়া করে আপনারা যে সত্যি-ই ফরমালিন দেয়া না সেটা এবার প্রমান করুন। আপনারা যে এক আর দৃঢ়তার সাথে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে পারেন তা আরেকবার প্রমান করুন। অনাস্থা আর অবিশ্বাসের দোলাচলে আমাদের নাভিশ্বাস আজ প্রায় ওষ্ঠাগত। বলিষ্ঠ শ্লোগানের নিরবচ্ছিন্ন আশায় থাকতে থাকতে নিজেদের পঙ্গুত্বের-ই নজির কেবল রেখে যাচ্ছি। প্রাক্তন এবং বর্তমান অনেকে আপনাদের দিকে তাকিয়ে আছে, বিশ্বাস আর আস্থা নিয়ে, সঠিক সময়ে হয়তঃ শধুমাত্র সুদৃঢ় কোন আহ্ববানের অপেক্ষায়। দয়া করুন আপনারা আর মারবেন না।

Debashis Pal: As stage-1 initiative, GP has made an application to the High Court on 11 June 2014 to allow the company to transfer requisite funds to the Trustee Fund after having received written confirmation from GPPC on 28 May 2014, which was kindly accepted by the Hon’ble Court, and paved the way for stage-2 resolution in the coming few days. As part of the agreed plan, the stage-2 involves actual hearing and disposal of the Writ Petition, which the High Court also kindly directed to come up on hearing list on 7 July 2014, which is next week. Therefore, we hope that within a short period of time, the anticipated resolution process will arrive at a closure and with requisite directions from the Hon’ble Court, we will be able to proceed to with disbursement according to the modality allowed by the High Court in its final order.

Aklima Hossain Dola: দুঃখিত! ম্যাজেনমেন্ট বলতে শুধু সাদা চামড়াওয়ালারা না , আমাদের দেশীয় যারা মধ্যপন্থি ( উচ্চ মধ্যবিত্ত) হিসাবে ইতিহাসে পরিচিত এরাই বারবার আমাদের দেশের মানুষের পিঠে চাবুক মারার জন্য একনিষ্ঠভাবে কাজ করেছে বলেই ' কিংবদন্তী' কবিতা এখনও এত বেশী বাস্তব।
কিন্ত্ত, সাহসী নেতার ডাক অনেক নতুন দৃশ্যপট রচনা করতে পারে এখনও।

Kamal MD Sharif: আমার মনে আছে আন্দোলন চলার সময় শেষ দিনটার কথা। ৪ জন মানুষ শুধু বৃস্টিতে ভিজে সামনের সিড়িতে প্লাকাডর্ নিয়ে দাড়ায় ছিলো । অনেকবার ডাকার পরও একজন বন্ধুও তার টেবিল ছেড়ে আসে নাই।
সময়ের সাথে সাথে তারা অনেকেই অনেকেই অনেক বড় বড় অর্জনের ভাগীদার হইছে। সবাই টাকাও পেয়ে গেছে। কেউ কি একবারও বলছে যে আমরা এই টাকাটা এখণ নিবো না। সবাই এক সাথে নিবো। আমি শিওর কেউ বলে নাই।
মানলাম সে দিন এই কমিটি অফিসিয়ালি অনুমোদিত কমিটি ছিলো না। তাই তারা চাকরীর নিরাপত্তার জন্য সরাসরি পাশে ছিলো না।
আজ তো এই কমিটি অনুমোদিত কমিটি। এটাও প্রমানিত যে কমিটির কারনে বতর্মান এম্পোয়িদের অনেক উপকার ও হইছে। তাহলে তারা এখন আমাদের পাশে দাড়াক।
আমরা যারা চলে গেছি তারা কিন্তু খুব বেশী কিছু আর করতে পারবো না। হয়ত সিড়িতেও দাড়াতে পারবো না।
আমি জানি আজ ডাকলে আমরা আবার আসবো। হয়ত দিনের পর দিন বসেও থাকবো। প্রশ্ন হলো তাতে কি জিপির কিছু যাবে আসবে? পুলিশ ও মিডিয়া তাদের হাতে। তাদের কিছুই যাবে আসবে না।
ডেলভিস্তার সামনে মাসের পর মাস আমাদের ভাইরা বসে ছিলো। আমরা সুন্দর করে তাদের পাশ কাটায় অফিসে ঢুকে যেতাম।
তাই যদি সতি্য কিছু করতে চান সেটা করতে হলে আগে ভেতরের বন্ধুদের কথা বলতে বলেন...তাদের শক্ত হতে বলেন এবং সাহস করে আবারও পাশে দাড়াতে বলেন।
এটা না হলে এই আন্দোলন ফেসবুক স্ট্যাটাস ভিত্তিকই থেকে যাবে।

GoLam ZaMi Ekbar: ekdiner jonno work stop korar karone GP management eksathe 200+ employee chatai korse..gpeu & gppc shei kobe theke shuntesi ora hardline e jabe..jasse..but ajporjanto ar hardline e jawa hoy nai..amar mone hoy gp employee ra abar hardline e gale tader shobaike chatai kora hobe..ei voye ar keu andolon ba hard line e jabeo na..ar gp management eivabe amader nejjo odhikar theke bonchito korbe..

আরো শত শত কমেন্ট, মন থেকে ঘৃনা ঝড়ে পরছে প্রাক্তন এবং বর্তমান শত শত কর্মচারীদের কন্ঠে। কিন্তু কেউ কি দেখছেন? দেশে কি আইন আদালত বলে কিছু আছে? নাকি এইগুলা শুধু পয়সাওয়ালাদের-ই কর্পোরেট দালাল? এতিমের মত তাকিয়ে থাকা ছাড়া আর কোন গতি তো দেখা যাচ্ছে না। পরিস্থিতি যতটুকু ঘোলা মনে হচ্ছে, ভেতরে ভেতরে পরিস্থিতি আরো অনেক বেশী ঘোলা। যে কোন সময় পুরো দেশে গ্রামীনফোনের সার্ভিস হঠাত বন্ধ হয়ে যাওয়াও অস্বাভাবিক কিছু নয়। তাই পরিশেষে বলছি, যে স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান এত দিনের সাধনায় নিজেদের অবস্থান তৈরি করেছে তারা যদি আজকে তাদের কর্মচারীদের ন্যায্য হিস্যা নিয়ে বাটপাড়ি করতে পারে, গ্রাহক পর্যায়ে তাহলে তারা নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় কি করতে পারে? ভাববার বিষয় নয় কি?
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কবিতার মতো মেয়েটি

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ০৫ ই অক্টোবর, ২০২২ সকাল ১১:২০




কবিতার মতো মেয়েটি সুচারু ছন্দে আনমনে হাঁটে
দু চোখে দূরের বাসনা, চুলের কিশলয়ে গন্ধকুসুম, প্রগাঢ় আঁধারে হাসনাহেনার ঘ্রাণ; কপোলে একফোঁটা তিল, তেমনি একফোঁটা লালটিপ কপালে

কবিতার মতো মেয়েটি নিজ্‌ঝুম বনের মতো; কখনোবা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফুল ফুল আর ফুল (ভালোবাসি ফুল)-২

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৫ ই অক্টোবর, ২০২২ দুপুর ১:২৬

০১।



=চন্দ্রমল্লিকার পাপড়িতে কী মুগ্ধতা=
হে মহান রব, তোমার সৃষ্টির সৌন্দর্য এই ফুল;
তোমার দয়াতেই সে পাপড়ির ডানা মেলে, ভুল নাই এক চুল;
হে মহান প্রভু, দৃষ্টিতে দিয়েছো তোমার নূরের আলো;
তোমার সৃষ্টি এই দুনিয়া,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মেয়েরা কেমন স্বামী পছন্দ করে?

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৫ ই অক্টোবর, ২০২২ দুপুর ১:২৬



বাঙ্গালী মেয়েরা মূলত দুঃখী। তাঁরা আজীবন দুঃখী।
ভাতে দুঃখী, কাপড়ে দুঃখী, প্রেম ভালোবাসায় দুঃখী। এজন্য অবশ্য দায়ী পুরুষেরা। যদিও পুরুষের চেয়ে নারীরা চিন্তা ভাবনায় উন্নত ও মানবিক। প্রথম... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রকৃতির খেয়াল - ০৭

লিখেছেন মরুভূমির জলদস্যু, ০৫ ই অক্টোবর, ২০২২ দুপুর ২:৫৬

১ : সৌভাগ্যবান


অস্ট্রেলিয়ার হেরন দ্বীপের কাছে, একটি সামুদ্রিক সবুজ কচ্ছপের (green sea turtle) ছানা সতর্কতার সাথে ক্ষুধার্ত শিকারি পাখিতে ভরা আকাশের নিচে জলের উপরে সামান্য বাতাসের জন্য মাথা তোলে। সমস্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভারতবর্ষের নবী ও রাসূলগণকে সঠিক ভাবে চিহ্নিত করা গেলো না কেন?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৫ ই অক্টোবর, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:১৯



অনেক নির্বোধ ব্যক্তি মনে করে যে, প্রাচীন ভারতবর্ষে কোন নবী-রাসূল আসেননি। যদি আসতেন, তাহলে প্রাচীন ভারতীয় গ্রন্থসমূহে এই সম্পর্কে তথ্য থাকতো। প্রথমেই বলে নেওয়া উচিৎ, যেহেতু আল্লাহ পবিত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

×