somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইলিয়াস আখন্দ এবং নতুন আইনের প্রতিবাদ

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ ভোর ৫:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ইলিয়াসঃ নতুন আইনটা নিয়ে লেখা আপনার খেরোখাতার নিবন্ধটা ভাল লাগলো। মনে করেছিলাম, আমার ভাবনাটা মন্তব্যের স্থানে লিখে দেব, কিন্তু বড় হয়ে যাবে, এই আশংকায় আলাদা করে প্রকাশ করলাম।

বস্ত্র কারখানার দূর্ঘটনায় আমরা সবাই কম বেশি দুঃখিত। কেউ মনের কথা লিখে, কেউবা মনের মধ্যে চেপে রেখেই দুঃখে দর্ীঘশ্বাস ফেলছে। যেমনি দুঃখের তেমনি হতাশার। আজ পযনর্্ত যতগুলো এধরনের দর্ূঘটনা ঘটেছে, তার কোনটারই বিচার হয়নি, হবেও না।

যতই আমরা গনতন্ত্র গনতন্ত্র বলে গলা ফাটাই, শেষপযনর্্ত সরকার উচ্চশ্রেনীর প্রতিনিধি হিসেবেই কাজ করে। গুটি কয়েক ভুখা নাঙ্গার মৃত্যু তাদের মস্তিষ্কে আলোড়ন তোলে না।

আপনার হয়তো মনে আছে, ছোটবেলায় ব্যাটারী দেয়া গাড়ির আবদারে যখন মাটিতে গড়াগড়ি দিতেন, তখন শেষ পযনর্্ত বাবা একটা চকলেট ধরিয়ে দিতেন শান্ত করতে। চকলেট মুখে দিয়েই ভুলে যেতেন গাড়ির স্বপ্ন। ঠিক তেমনি, যখন চারিদিকে বার বার ঘটে যাওয়া র্দূঘটনা নিয়ে সবাই কোলাহল করছে, তখন নতুন আইনের ছব্দবেশে আমাদের চকলেট হাতে ধরিয়ে দিয়েছে। এতেই আপনাকে চুপ করতে হবে, বেশি চিল্লা ফাল্লা করে লাভ নেই।

বলছেন প্রতিবাদ করতে, কিভাবে করবেন? মিছিল করবেন, আমৃত্যু অনশন করবেন। যান অনশন করতে যান, পুলিশ পিটিয়ে ভাগিয়ে দেবে। যদি নাও দেয়, এই দল তো সেই দল, হাজার হাজার দল আপনাকে সর্মথন দেবে। আওয়ামী লীগ আসবে, কমিউনিষ্ট পার্টি আসবে তারা আপনাকে সমাজের প্রতিবাদী মুখ হিসেবে তুলে ধরে বলবে আপনাকে এগিয়ে যেতে। ভাল কথা, ওগুলো কিন্তু সব ছলনা, কারন কিছুদিন পরে ওরা আপনাকে ভাগিয়ে দিয়ে নিজেরাই ওই ইস্যুতে (বাংলা মনে আসছে না) সরকারের পতন চাইবে। সবকিছুতেই তারা ক্ষমতায় যেতে চায়, আপনার মতো কোন প্রতিবাদ তারা করতে চায় না।

তাই ভাই প্রতিবাদ করে কোন লাভ নেই। ইন্দ্রিয়গুলো বন্ধ রাখুন। ভাল থাকতে পারবেন। আজ যা দেখছেন, কাল সেগুলো মনে রাখার দরকার নেই। কালকে নতুন করে চিন্তা করতে শুরু করুন, দিনের শেষে সব ভুলে যান। ভাল থাকবেন।


[প্রতিশব্দ আন্দোলনে একাত্ম প্রকাশ করে খেরোখাতার নিবন্ধটি সম্পূর্ণ বাংলায় লিখতে চেষ্টা করেছি]
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ ভোর ৫:৪৬
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিষন্ন মেঘের ভেলায় ভেসে....

লিখেছেন ইন্দ্রনীলা, ০২ রা মে, ২০২৬ রাত ১০:২৯



তোমাকে শুধু একটাবার বড় দেখতে ইচ্ছা করে...
এই ইচ্ছায় আমি হয়ে যাই একটা ঘাসফড়িং
কিংবা আসন্ন শীতের লাল ঝরাপাতা,
উড়ে যাই ভেসে যাই দূর থেকে দূরে...
অজানায়...

শরতের কাঁশফুলের পেঁজা তুলো হয়ে
ফুঁড়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গ্রেইস

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ০৩ রা মে, ২০২৬ রাত ২:০৯


এরা সাড়ে তিনফুট থেকে চারফুট দীর্ঘ,ছোট খাটো,পাতলা গড়ন বিশিষ্ট। চোখগুলো খুব বড়, নাক দৃশ্যমান নয়,ত্বক ছাই বর্ণের,অমসৃণ এবং কুঁচকানো। উন্নত প্রযুক্তি সম্পন্ন। পুরোই... ...বাকিটুকু পড়ুন

মায়ের বুকের ওমে শেষ ঘুম

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৩ রা মে, ২০২৬ সকাল ১০:৪৯



আমার নাম তৃশান। সবে তো স্কুলে যাওয়া শুরু করেছি। আজ আমার খুব আনন্দ! বাবা-মা, দিদি আর দাদু-দিদুন মিলে আমরা মস্ত বড় একটা নৌকায় ঘুরছি। দিদি বলছিল এই জায়গাটার নাম জবলপুর।... ...বাকিটুকু পড়ুন

হিন্দু মুসলমান ভুলে গিয়ে, আমরা সবাই মানুষ হই

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা মে, ২০২৬ দুপুর ১:৫৭

আমি জন্মগত ভাবে মুসলমান।
অবশ্য ধর্মীয় নিয়ম কানুন কিছুই মানতে পারি না। মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয় সে মানুষ। এখন তো আর এটা ফকির লালনের যুগ না। মানবিক এবং সচেতন মানুষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

নান্দাইলের ইউনুস ও স্বপ্নভঙের বাংলাদেশ

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৩ রা মে, ২০২৬ বিকাল ৩:৪০


নব্বইয়ের দশকে বিটিভিতে প্রচারিত হুমায়ূন আহমেদের একটি জনপ্রিয় নাটকে একজন ভাড়াটে খুনীর চরিত্র ছিল। ভাড়াটে খুনীর নাম ইউনুস - নান্দাইলের ইউনুস। গ্রামের চেয়ারম্যান তার প্রতিদ্বন্দ্বী একজন ভালো মানুষ স্কুল শিক্ষককে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×