প্রভূত সংকল্প নিয়ে প্লেন উড়ে গেলে, নিকষিত কামিনীভোগ গন্ধটি নিয়ে, সে এক রাত বটে! চারপাশ হয়ে থাকে মধুমেহ নদী। পা আটকে আসে , ঘুমের মত।
সে দুটো ছিল সিগারেটের নাম, কাঁচি-কাহিনীর পর, ছোট বিরতির ছেলেবেলা। রেড না হোয়াইট? সে দুটো রঙ মিলে গেলে আরো একটু বড় হয়ে যায় চারপাশ, সে এক স্কুলের ঘন্টা, আর সাইকেলের একরত্তি টিঙ টঙ। ফুলের পাপড়ি খসে, বারান্দার ছোট্ট টবে নাইন -ও- ক্লক, লাল বা সাদা।
কখনও সেটা দেশান্তরী হয় শহরজুড়ে বা বোতলে বোতলে, কোকাকোলা।
রেড না হোয়াইট?
এতক্ষণে বুঝতে পারি তার প্রশ্ন, এই ভরদুপুরে আর অন্য কিই বা কে খেতে আসবে এই গ্রমীণ পানশালায়?
ভাবি বলব, রাম। সে বোধহয় অন্তর্যামী, কেননা আবার প্রশ্ন করে, রেড না হোয়াইট?
আমি ঘাড় নাড়ি, নেড়েই চলি। ভাষা না জানা থাকলে যা হয়।
বলি, নেম নেম। ফুড , ফুড।
শুধু সেই সুন্দরীকে দেখার জন্যই যেন ঢুকেছি, দেখতে থাকি। সেও মজা পেয়ে ঘাড় নাড়তে থাকে, নেম, নেম।
ঘাড় নাড়তে নাড়তে বলে যেতে থাকি আমার জানা যত ইংরাজী খাবারের নাম। সে ও ঘাড় নাড়ে । মাঝে মাঝেই, চিনতে পারলে, প্রশ্ন, সেই রেড না হোয়াইট?
ওরে বোকা, মিটও তো রেড বা হোয়াইট হয়।তুই কি ভাবিস, শুধুই ওয়াইন?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


